বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

Logo
Add Image
Pic

মোঃ অলি উদ্দিন মিলন: 
জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যপদ প্রদানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি ৪৪১ জন সাংবাদিককে ক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি তালিকায় এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের নাম আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

 

বিতর্কের মূলে যা রয়েছে;
সাধারণ সাংবাদিকদের অভিযোগ, এই সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের চেয়ে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, পেশাদারদের অবমূল্যায়ন: দীর্ঘ বছর ধরে সাংবাদিকতা করা অনেক সিনিয়র ও যোগ্য সংবাদকর্মী সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

দলীয়করণ: 
নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিদের গণহারে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে ক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়, যেখানে ৪৪১ জনের সদস্যপদ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক তাদের টাইমলাইনে এই তালিকা শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রেসক্লাবের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন "পাইকারি হারে" সদস্যপদ প্রদান এর ঐতিহ্য ও গাম্ভীর্যকে ক্ষুণ্ণ করবে।

 

ক্লাব কর্তৃপক্ষের অবস্থান;
যদিও ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বাছাই প্রক্রিয়াকে 'নিয়মতান্ত্রিক' দাবি করা হয়েছে, তবে সদস্য পদের সংখ্যার আধিক্য এবং বাছাইকৃতদের যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো ধামাচাপা পড়ছে না। সমালোচকদের মতে, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতেই এই বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার (সদস্য) তৈরি করা হয়েছে।

 

জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের দ্বিতীয় নিবাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সদস্যপদ প্রদান নিয়ে বারবার ওঠা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সাধারণ সাংবাদিকদের দাবি, সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে যেন কঠোরভাবে পেশাদারিত্ব ও যোগ্যতাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 

Pic

আজ ১৪ মে, ২০২৬ চীনে রাষ্ট্রীয় সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের বিখ্যাত 'টেম্পল অব হেভেন' পরিদর্শন করেছেন।

 

সি চিন পিং টেম্পল অব হেভেনের ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ ট্রাম্পকে স্বাগত জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস'-এর চত্বরে একসঙ্গে ছবি তোলেন।

 

দুই রাষ্ট্রপ্রধান সিঁড়ি বেয়ে ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ প্রবেশ করেন এবং মর্টিস ও টেনন জোড়ের নিখুঁত সংযোগ, জ্যোতির্বিদ্যা, পঞ্জিকা ব্যবস্থা ও প্রাসাদ কাঠামোর যথাযথ সমন্বয়ের মতো স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলো উপভোগ করেন। তাঁরা সবকিছুর মধ্যে সামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা অনুসরণের ধারণাটি অনুভব করেন।

 

সি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর অবস্থিত ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ আমরা যে টেম্পল অফ হেভেন পরিদর্শন করছি, সেটি ফরবিডেন সিটির সমবয়সী, যা “গোলাকার স্বর্গ ও বর্গাকার পৃথিবীর” প্রতীক এবং চীনা বিশ্বদৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে তুলে ধরে। প্রাচীন চীনা শাসকেরা জাতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করতে টেম্পল অফ হেভেনে বিশাল বলিদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন, যা এই ঐতিহ্যবাহী চীনা চিন্তাধারাকে প্রতিফলিত করে যে জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং একটি স্থিতিশীল ভিত্তি জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। চীনা সভ্যতার জনকেন্দ্রিক দর্শনকে উত্তরাধিকার সূত্রে গ্রহণ ও বিকশিত করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সর্বদা আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করার মৌলিক নীতি মেনে চলেছে, যার ফলে জনগণের দৃঢ় সমর্থন ও আন্তরিক অনুমোদন লাভ করেছে।

 

ট্রাম্প বলেন যে, বহু বছর আগে ফরবিডেন সিটিতে তার সেই সফরের স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। স্বর্গ মন্দির বা টেম্পল অব হেভেন ৬০০ বছরেরও বেশি সময় পরেও, চীনের অনবদ্য ধ্রুপদী স্থাপত্যশিল্প এবং গভীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মহিমায় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, যা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই মহান রাষ্ট্র এবং উভয় দেশের জনগণই মহান ও জ্ঞানী। দুই দেশের উচিত পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করা এবং জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। সূত্র: সিআরআই বাংলা
 

Pic

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

 

এসময় পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হলে তারা তার বিপক্ষে থাকবেন। এমনকি কোনো গোষ্ঠী তাদের ক্ষতি করে থাকলেও, সেই গোষ্ঠী যদি নির্যাতিত হয়, তাহলে তারা মজলুমের পক্ষেই অবস্থান নেবেন। ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার ভোগের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। বিশেষ কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে যেন ক্ষতি সাধন করা না হয় এ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

 

পুশইনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জামায়াতের ভূমিকা জনগণ দেখতে পাবে। কোনো অন্যায়ের ব্যাপারেই তারা নীরব থাকবেন না। প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করা হলেও কেউ বাংলাদেশকে অপমান করুক সেটিও তারা চান না।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
 

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ওপর টাকার প্রভাব রোধ করতে মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো সেবাগুলোতে দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করা যাবে। একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে (P2P) টাকা স্থানান্তর সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। 

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। 

 

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরা দিনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারলেও নির্বাচনের সময় এই সীমা কমিয়ে ১০ হাজার টাকা করা হচ্ছে। প্রতিটি একক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক হাজার টাকা। এক দিনে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করতে পারবেন। এই বিধিনিষেধ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

 

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে এখন দিনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যায়। তবে বিএফআইইউ-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচনের ওই কয়েক দিন ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (Person to Person) ফান্ড ট্রান্সফার সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে। এর ফলে অ্যাপস বা ওয়েব পোর্টাল ব্যবহার করে অন্য কাউকে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে না। 

 

লেনদেন সীমিত করার পাশাপাশি নগদ টাকা উত্তোলনের ওপর নজরদারি আগে থেকেই জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যাংক হিসেবে এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি জমা বা উত্তোলন করা হলে সেই তথ্য বিএফআইইউ-কে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে অর্থ লেনদেন সীমিত করার প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা এবং টাকার অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রজ্ঞাপন জারির সময় লেনদেনের এই পরিমাণ কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
 

আলোচিত খবর

Pic

মোঃ অলি উদ্দিন মিলন: 
জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যপদ প্রদানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি ৪৪১ জন সাংবাদিককে ক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি তালিকায় এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের নাম আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

 

বিতর্কের মূলে যা রয়েছে;
সাধারণ সাংবাদিকদের অভিযোগ, এই সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের চেয়ে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, পেশাদারদের অবমূল্যায়ন: দীর্ঘ বছর ধরে সাংবাদিকতা করা অনেক সিনিয়র ও যোগ্য সংবাদকর্মী সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

দলীয়করণ: 
নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিদের গণহারে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে ক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়, যেখানে ৪৪১ জনের সদস্যপদ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক তাদের টাইমলাইনে এই তালিকা শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রেসক্লাবের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন "পাইকারি হারে" সদস্যপদ প্রদান এর ঐতিহ্য ও গাম্ভীর্যকে ক্ষুণ্ণ করবে।

 

ক্লাব কর্তৃপক্ষের অবস্থান;
যদিও ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বাছাই প্রক্রিয়াকে 'নিয়মতান্ত্রিক' দাবি করা হয়েছে, তবে সদস্য পদের সংখ্যার আধিক্য এবং বাছাইকৃতদের যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো ধামাচাপা পড়ছে না। সমালোচকদের মতে, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতেই এই বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার (সদস্য) তৈরি করা হয়েছে।

 

জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের দ্বিতীয় নিবাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সদস্যপদ প্রদান নিয়ে বারবার ওঠা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সাধারণ সাংবাদিকদের দাবি, সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে যেন কঠোরভাবে পেশাদারিত্ব ও যোগ্যতাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 

Pic

আজ ১৪ মে, ২০২৬ চীনে রাষ্ট্রীয় সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের বিখ্যাত 'টেম্পল অব হেভেন' পরিদর্শন করেছেন।

 

সি চিন পিং টেম্পল অব হেভেনের ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ ট্রাম্পকে স্বাগত জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস'-এর চত্বরে একসঙ্গে ছবি তোলেন।

 

দুই রাষ্ট্রপ্রধান সিঁড়ি বেয়ে ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ প্রবেশ করেন এবং মর্টিস ও টেনন জোড়ের নিখুঁত সংযোগ, জ্যোতির্বিদ্যা, পঞ্জিকা ব্যবস্থা ও প্রাসাদ কাঠামোর যথাযথ সমন্বয়ের মতো স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলো উপভোগ করেন। তাঁরা সবকিছুর মধ্যে সামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা অনুসরণের ধারণাটি অনুভব করেন।

 

সি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর অবস্থিত ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ আমরা যে টেম্পল অফ হেভেন পরিদর্শন করছি, সেটি ফরবিডেন সিটির সমবয়সী, যা “গোলাকার স্বর্গ ও বর্গাকার পৃথিবীর” প্রতীক এবং চীনা বিশ্বদৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে তুলে ধরে। প্রাচীন চীনা শাসকেরা জাতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করতে টেম্পল অফ হেভেনে বিশাল বলিদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন, যা এই ঐতিহ্যবাহী চীনা চিন্তাধারাকে প্রতিফলিত করে যে জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং একটি স্থিতিশীল ভিত্তি জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। চীনা সভ্যতার জনকেন্দ্রিক দর্শনকে উত্তরাধিকার সূত্রে গ্রহণ ও বিকশিত করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সর্বদা আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করার মৌলিক নীতি মেনে চলেছে, যার ফলে জনগণের দৃঢ় সমর্থন ও আন্তরিক অনুমোদন লাভ করেছে।

 

ট্রাম্প বলেন যে, বহু বছর আগে ফরবিডেন সিটিতে তার সেই সফরের স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। স্বর্গ মন্দির বা টেম্পল অব হেভেন ৬০০ বছরেরও বেশি সময় পরেও, চীনের অনবদ্য ধ্রুপদী স্থাপত্যশিল্প এবং গভীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মহিমায় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, যা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই মহান রাষ্ট্র এবং উভয় দেশের জনগণই মহান ও জ্ঞানী। দুই দেশের উচিত পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করা এবং জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। সূত্র: সিআরআই বাংলা
 

Pic

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার শত্রু জাহাজ মোকাবেলায় হরমুজ প্রণালীতে নাদাজা পদ্ধতির হালকা সাবমেরিন মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।

 

প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এক ভাষণে বলেছেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হালকা সাবমেরিনগুলো শত্রুর হুমকি মোকাবেলায় সক্ষমতা প্রদর্শন এবং প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালীর বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে অবস্থান নিতে পারে।

 

ইরানি অ্যাডমিরাল আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হরমুজ প্রণালীর পানির গভীরে সমুদ্রতলে অবস্থান করা এবং বিভিন্ন শত্রু জাহাজকে বাধা দেওয়া ও ধ্বংস করা নৌবাহিনীর হালকা সাবমেরিনগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই সাবমেরিনগুলো "পারস্য উপসাগরের ডলফিন" নামে পরিচিত।

 

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার জোর দিয়ে বলেছেন, "হরমুজ প্রণালীতে দেনা ডেস্ট্রয়ারের শহীদদের নাম ও স্মরণে আয়োজিত এক অভিযানে আমাদের দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য পারস্য উপসাগরের ডলফিনগুলো পানির উপরে উঠে এসেছিল এবং কয়েকটি প্রদর্শনীমূলক মহড়া শেষে তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য আবার গভীর সমুদ্রে ফিরে গেছে।"#
 

Pic

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ রাজনৈতিক নাটকীয়তা, জোটের হিসাব-নিকাশ আর টানা বৈঠকের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) নেতা সি জোসেফ বিজয়, যিনি ‘থালাপতি বিজয়’ নামেই বেশি পরিচিত। 

 

আজ রোববার (১০ মে, ২০২৬) চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যের গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজয়ের দল টিভিকে এককভাবে পায় ১০৮টি আসন। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ছুঁতে না পারায় কয়েক দিন ধরেই জোট গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছিল। শুক্রবার পর্যন্ত সমর্থন ১১৬ আসনে আটকে থাকায় গভর্নর সরকার গঠনের আহ্বান জানাননি।

 

পরিস্থিতি বদলে যায় শনিবার। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের জোটকে সমর্থন দিলে সমীকরণ পাল্টে যায়। কংগ্রেস, সিপিআই এবং সিপিআই(এম) এর সমর্থনপত্রও গভর্নরের কাছে জমা দেন বিজয়। সব মিলিয়ে জোটের শক্তি দাঁড়ায় ১২০ আসনে।

 

৫১ বছর বয়সী বিজয় নির্বাচনে দুটি আসন থেকে জয় পেয়েছেন। ফলে একটি আসন ছাড়তে হবে তাকে। এরপরও সরকার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারবে তার জোট।

 

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ছিলেন বিজয়ের বাবা-মা, অভিনেত্রী ত্রিশা কৃষ্ণান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, চলচ্চিত্র অঙ্গনের তারকা ও সমর্থকেরা। বিজেপির রাজ্য পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন এন আনন্দ, আধব অর্জুন, রাজমোহন, নির্মল কুমার, পি ভেঙ্কটরামানান, কে জি অরুণ রাজ, কে এ সেনগোট্টাইয়ান, টি কে প্রভু ও সেলভি এস কীর্তনা।

 

ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সরকার শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক মোড়ও। প্রায় ছয় দশক ধরে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো শক্তি রাজ্যে সরকার গঠন করতে পারেনি। সেই ধারাই ভেঙে দিলেন চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়।

 

জোট গঠনের পর দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিজয় বলেন, “কঠিন সময়ে যখন অনেকে আস্থা রাখেননি, তখন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেছিলেন আমরা পারব।” সেখানে তিনি বিশেষভাবে রাহুল গান্ধীসহ কয়েকজন নেতার নামও উল্লেখ করেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জনপ্রিয়তা, তরুণ ভোটারদের সমর্থন এবং জোট কৌশল, এই তিনের সমন্বয়েই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় চমক দেখাতে পেরেছেন থালাপতি বিজয়।
 

Add

Site Counter

Online

57

Total

50k

Pic

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

মঙ্গলবার (১৩ মে ২০২৬) বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর অধীনে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের কেদারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। এসময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি গাড়ি অকেজো করা হয় এবং ১টি গাড়ি জব্দ করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কেদারপুর এলাকায় একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। এর ফলে স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমি ও আশপাশের এলাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।

 

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা জুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি পরিবেশ রক্ষা ও সরকারি আইন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
 

জনস্বার্থে পুরো জেলায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএলে দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এবার কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ক্রিকেটার, টিম ম্যানেজার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্টসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ম্যাচ বেটিং, তদন্তে অসহযোগিতা এবং প্রমাণ গোপনের মতো গুরুতর অনিয়ম।

 

বৃহস্পতিবার বিসিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িতদের নাম শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই তালিকা প্রকাশ করে বোর্ড।

 

বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে উঠে আসে ২০২৫ ও ২০২৬ বিপিএল ঘিরে নানা অনিয়মের চিত্র। প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, ডিমান্ড নোটিশ উপেক্ষা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে।

 

বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ মালিক মোহাম্মদ তৌহিদুল হক তৌহিদ, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমান।

 

তাদের মধ্যে অমিত মজুমদার ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে বাজি ধরা বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে লাবলুর রহমান ও তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা না করা, তথ্য গোপন ও প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে।

 

বিসিবির অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, “কিছু অভিযুক্ত ব্যক্তি ড্যাকো পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা করেননি, বরং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন ও ধ্বংস করেছেন।”

 

সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও বিস্তৃত। বিসিবি জানিয়েছে, নবম, দশম ও একাদশ বিপিএলসহ একাধিক আসরে তিনি দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সেই কারণে তার বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’ অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে।

 

বোর্ড আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত পাঁচজনকে আপাতত সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদের ১৪ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বিপিএলের ভাবমূর্তি রক্ষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও, দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। ক্রিকেট প্রশাসনের অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

 

ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, তদন্ত প্রতিবেদনটি এখনো পুরোপুরি জনসমক্ষে আসেনি, তবে বিস্তৃত এই তদন্ত ভবিষ্যতে বিপিএল পরিচালনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
 

শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়ায় কথার যুদ্ধ না চালিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন: জামায়াত আমির

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

 

এসময় পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হলে তারা তার বিপক্ষে থাকবেন। এমনকি কোনো গোষ্ঠী তাদের ক্ষতি করে থাকলেও, সেই গোষ্ঠী যদি নির্যাতিত হয়, তাহলে তারা মজলুমের পক্ষেই অবস্থান নেবেন। ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার ভোগের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। বিশেষ কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে যেন ক্ষতি সাধন করা না হয় এ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

 

পুশইনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জামায়াতের ভূমিকা জনগণ দেখতে পাবে। কোনো অন্যায়ের ব্যাপারেই তারা নীরব থাকবেন না। প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করা হলেও কেউ বাংলাদেশকে অপমান করুক সেটিও তারা চান না।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
 

জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে। 

 

তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

 

তাঁর ভাষায়, “জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।” 

 

অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

 

বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
 

দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়: নওগাঁর আত্রাইয়ে মির্জা ফখরুল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। 

 

আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।

 

তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। 

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়। 

 

তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
 

Pic

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘ওয়াও – উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ গ্র্যান্টস ২০২৫–২০২৬ -এর আবেদন গ্রহণ শুরু

লিঙ্গ-বৈষম্যের বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় কাজ করছেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এমন শিল্পী এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটের শিল্প ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আবেদন করার আহ্বান

ঢাকা, ০২  নভেম্বর, ২০২৫

উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) গ্রান্টস ২০২৫ -এ আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং দেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলির জন্য দুই ধরনের গ্রান্ট প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।  শিল্প, সংস্কৃতি, লৈঙ্গিক সমতা এবং  সমকালীন সমাজের নানা বিষয় নিয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো যাবে আগামী  ১৬ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত। এছাড়াও আগ্রহী আবেদনকারীদের জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল একটি ইনফরমেশন ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে যা আয়োজিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়)। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

 

বিশ্বজুড়েই লৈঙ্গিক সমতা অর্জন করা জরুরি এবং অর্জন সম্ভবও, এ বিশ্বাস নিয়ে কাজ করে বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘ওয়াও-উইমেন অফ দ্য ওয়ার্ল্ড।’ ২০১৭ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আয়োজিত হয় ওয়াও।  বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজিত এই ‘ওয়াও ফেস্টিভ্যাল’ পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সালে ঢাকায় জাতীয় উৎসব হিসেবে আয়োজিত হয়। এবারের ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫–২০২৬’ -এর জন্য শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনগুলোকে শিল্পমাধ্যমে অথবা সাংস্কৃতিক কাজ বা উদ্যোগের মাধ্যমে লৈঙ্গিক সমতা নিয়ে কাজ করবে এমন প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে; যেখানে এই থিমগুলির এক বা একাধিক থাকতে হবেঃ ১) চলচ্চিত্র, চলমান চিত্র ও মিডিয়া অ্যাস্থেটিকস; ২) হাইপারঅবজেক্ট মিটস হাইপারঅবজেক্ট: লৈঙ্গিক সমতা এবং জলবায়ু নিয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ; ৩) স্টেম (STE(A)M): বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, (শিল্পকলা), প্রকৌশল ও গণিত। 

 

ঘোষিত দুইটি আহবানের মধ্যে প্রথমটি হল ‘ওয়াও বাংলাদেশ কমিশন্স ২০২৫’। এই আহবান যুক্তরাজ্যে কিংবা বাংলাদেশে অবস্থানরত শিল্পী, শিল্পীদল কিংবা শিল্প-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ বারো হাজার পাউণ্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) অনুদান প্রদান করবে, যেন নির্বাচিতরা শিল্পকর্ম, প্রদর্শনী, পারফরমেন্স বা প্রদর্শনীমূলক কর্মসূচি তৈরি, প্রযোজনা ও উপস্থাপন করতে পারে।

 

অন্যদিকে, দ্বিতীয় আহবান ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টারস ২০২৬’- শুধুমাত্র চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক শিল্পী সংগঠনগুলোর জন্য, যেন তারা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে যে কোনো একদিন দিনব্যাপী ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’-এর আয়োজন করতে পারে। এ বিভাগে সর্বোচ্চ তেইশ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) পর্যন্ত গ্রান্ট প্রদান করা হবে। প্রতিটি বিভাগে একাধিক গ্রান্ট প্রদান করা হবে। 

 

এই গ্রান্ট সকল সাংস্কৃতিক ও শিল্পক্ষেত্রের জন্য উন্মুক্ত। আবেদনকারীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে তাদের যৌথ কাজের ভিত্তিতে ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৬’ -এর নির্ধারিত বিষয় ও প্রতিপাদ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জনসাধারণের জন্য প্রদর্শনী, আলোচনা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা প্রকল্পের প্রস্তাবে উল্লেখ করার।  


ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে, আবেদনের যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে ও আবেদন নির্দেশিকা পড়তে এবং আবেদন করতে ভিজিট করুন: https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts 


বাংলাদেশে ওয়াও এর যাত্রা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুনঃ   https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts/wow-women-world 
 

Pic

নারী ফুটবল অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন কামরুন্নাহার মুন্নি

টাঙ্গাইলের কামরুন্নাহার মুন্নি একজন স্কুল শিক্ষক। সেই সাথে তিনি সফল নারী ফুটবল কোচ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। 

 

মুন্নি শুধু ফুটবল প্রশিক্ষণই দেন না, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা নিয়েও কাজ করেন। তিনি মেয়েদের খেলাধুলার মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করতে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেও নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

সেই লক্ষ্যে ২০১০ সালে তিনি টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমায় মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধেও কাজ করেছেন। 

 

কামরুন্নাহারকে নিয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র ৭৪তম কানচলচ্চিত্র উৎসবে বাণিজ্যিক শাখায় ‘মার্সে দ্য ফিল্ম’-এ নির্বাচিত হয়ে পুরস্কার লাভ করে। প্রামাণ্যচিত্রটির কারণে কামরুন্নাহারের বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কথা দেশ পেরিয়ে বিশ্বের কাছে পৌঁছে গেছে।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিতে আলাপকালে সমাজের ‘প্রতিকূল’ পরিবেশের বিরুদ্ধে ‘সংগ্রাম’ চালিয়ে যাবার গল্পই তুলে ধরেন মুন্নি।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি জানান, সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া মেয়েদের হঠাৎ বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল। যে বয়সে মেয়েদের লেখাপড়া আর হাসি খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সে তাদের ধরতে হচ্ছিল সংসারের হাল। নিজ ছাত্রীদের এমন পরিণতি দেখে স্কুলশিক্ষিকা কামরুন্নাহার মুন্নি তাদেও জন্য কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাই বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কৌশল হিসেবে ছাত্রীদের ফুটবল প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।

 

পেশায় শিক্ষিকা কামরুন্নাহার নারীদের ফুটবলে ‘বিপ্লব ঘটানো’ এবং ‘বাল্যবিবাহ রোধে’ সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশিক্ষণ দিয়ে এরই মধ্যে অনেক মেয়ের জীবনের গতিপথে পরিবর্তন এনেছেন। পুরুষদের পাশাপশি নারীদের ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৩৮ জন নারীকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন। এই এডাডেমিতে ৪৭  জন মেয়ে ফুটবল প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এই একাডেমির ছাত্রী হিসেবে বর্তমানে বয়স ভিত্তিক ও সিনিয়র টিমে ৪ জন ফুটবলার রয়েছেন। তারা হলেন রিতু আক্তার,মারিয়াম বিনতে আন্না,আলমিনা আক্তার  ও রুপা আক্তার। বর্তমানে একাডেমির ছাত্রী সংখ্যা ৩৫ জন।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন কামরুন্নাহারের স্বামী আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল ও টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মির্জা মাসুদ রুবেল।

 

মুন্নি আরও জানান, ২০১০ সালে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় স্কুলের শিশু-কিশোরদের নিয়ে নানা খেলাধূলার আয়োজন করতেন। ২০১২ সালে ‘টাঙ্গাইল প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে’ এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে স্কুলে ফিরে গিয়ে দেখেন অনেক মেয়েই নেই, কারণ তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। 

 

কিছুদিন পর বাল্যবিয়ের শিকার এক ছাত্রীর সঙ্গে তার দেখা হয়। তার কাছ থেকে জানতে পারেন, ছোট ছোট মেয়েদের বাল্যবিয়ের ঘটনা। তখনই তিনি মেয়েদের বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু বিষয়টা সামাজিক ব্যাধিতে রুপ নিয়েছে, তাই কীভাবে মেয়েদের রক্ষা করা যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেন।

 

এক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা তার সামনে ছিলো- বিশেষ কওে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদেও নিয়ে যেকোন কাজ করা অনেক সময়ই কঠিন। তার উপর মেয়েদের ফুটবল খেলায় আগ্রহী কওে তোলা মানে সমাজের রেওয়াজের বিরুদ্ধে যাওয়া। তারপরও তিনি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে মেয়েদের ফুটবল শেখাতে থাকেন। সে সময় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের নিয়ে ফুটবল দল গঠন করা হয়। তিনিও তার স্কুলে ফুটবল দল গঠন করেন।

 

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কামরুন্নাহার টাঙ্গাইল শহরের ‘উত্তরণ শিশু শিক্ষালয়ে’ বদলি হয়ে আসেন। এরপর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দল গঠনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পান তিনি। এ সময় গ্রামের বিভিন্ন স্কুলের মেয়েদের ফুটবল খেলায় সম্পৃক্ত করতে থাকেন। কিন্তু দেখা যায়- অনেক পরিবার মেয়েদের খেলাধূলায় আসতে দিতে চাচ্ছে না।

 

অনেক দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা নিয়মিত টাঙ্গাইলে এসে অনুশীলনে অংশও নিতে পারে না। সেই মেয়েদের নিজের বাসায় রেখে অনুশীলন করানোর ব্যবস্থা করেন। এক পর্যায়ে ‘মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি’ গঠন করেন মুন্নী। এই একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের সবার থাকা-খাওয়া ও অনুশীলনের সব দায়িত্বও নিজ কাঁধে তুলে নেন।

 

শুরুর দিকে নিজের আয়ের জমানো টাকা খরচ করে মেয়েদের প্রশিক্ষণ দিতেন মুন্নী। পরে এ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ডেইলি স্টার আনসাং উইমেন্স নেশন বিল্ডার্স’ পুরস্কার লাভ করেন। সেই পুরষ্কারের দুই লাখ টাকার পুরোটাই তিনি খরচ করেছেন তার একাডেমিতে।

 

মুন্নী বলেন, ২০১৯ সালের নভেম্বরে ভূঞাপুরের সপ্তম শ্রেণীর এক মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে মেয়েটির অভিভাবকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাদের বুঝিয়ে মেয়েটিকে নিজের একাডেমিতে নিয়ে যান। কিছুদিন পর শোনেন বিয়ে ভেঙে গেছে। মেয়েটি পরে বিকেএসপিতে প্রমীলা ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ পায়।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অধীনে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বি ডিপ্লোমা কোচেস কোর্স শেষ করেছেন। এর আগে ‘সি’ লাইসেন্স কোর্স করেছেন। বিকেএসপিতেও করেছেন কোচেস কোর্স। মুন্নীর একাডেমির মেয়েদের নিয়ে গড়া টাঙ্গাইল জেলা দল ২০২১ সালে এবং ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেণ্টে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়।

 

সর্বশেষ বাংলাদেশ গেমসে আনসারের হয়ে খেলেছেনে একাডেমির ফুটবলার সিরাত সাবরিন ও রূপা আক্তার। বাংলাদেশ গেমসে রৌপ্যজয়ী রাগবি দলের সবাই এই একাডেমির ছাত্রী । বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগওে পেয়েছেন আট নারী ক্যাডেট ফুটবলার। এ ছাড়া বিকেএসপির ফুটবলে স্বল্প মেয়াদি-দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন অন্তত ২৫ জন ছাত্রী।

 

৩৭ বছর বয়সী কামরুন্নাহার জানান, একাডেমির মেয়েরাই তার আদরের সন্তান, তাদের নিয়েই তার সব ভাবনা। মেয়েরা খেলতে চায়। কিন্তু অনেক পরিবার মেয়েদের খেলতে দিতে চায় না। তিনি মনে করেন, খেলার মাধ্যমেই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। খেলায় যুক্ত হলে মেয়েদের মধ্যে একটা নেতৃত্ববোধ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি মনের সংকীর্ণতা দূর হয়।

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি জানতে চাইলে কামরুন্নাহার জানান, “বাল্যবিয়ে রোধ ও এবং ফুটবল নিয়ে চলমান কাজের প্রসার ঘটাতে চাই। প্রথম যখন মেয়েদের নিয়ে ফুটবল অনুশীলন শুরু করি, তখন অনেকেই বলতেন- এটা আমার পাগলামি। ধীরে ধীরে সফলতা আসছে।” এখন অনেকেই এটাকে আর পাগলামি মনে করে না। কোনো মেয়ের শিক্ষাজীবন যেন ঝরে না যায়, কাউকে যেন বাল্যবিয়ের শিকার হতে না হয় সেজন্য আজীবন কাজ করে যেতে চাই।”

 

মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল বলেন, সুবিধাবঞ্চিত, বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষণে কামরুন্নাহারের এ ইচ্ছেকে আমি সম্মান দেই। তার দৃষ্টিভঙ্গি ভালো, এটা ভালো লাগে। প্রথম প্রথম বিরক্ত হতাম। এখন আমিও উৎসাহ দেই এবং সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। তার অবসর সময়কে সে সামাজিক সচেতনতার কাজে লাগায় সেটা আমারও ভালো লাগে। আগে পাগলামি মনে হলেও এখন সেটা, মনে হয় না। কারণ অনেক মেয়ে বাল্যবিবাহ থেকে মুক্ত হচ্ছে তার চেষ্টায়।

 

একাডেমির সভাপতি মির্জা মাসুদ রুবেল বলেন, কামরুন্নাহার সাধারণ জীবন-যাপনের বাইরে ভিন্নভাবে সমাজকে নিয়ে ভাবে। সে মেয়েদের আত্মপ্রত্যয়ী হতে এবং তাদের শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে কাজ করছে। বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা রোধে তার এই উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণামূলক মনে করি।
 

Pic

তারুণ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কফি পান সহায়ক হতে পারে!

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:
সারা বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়গুলোর মধ্যে কফি অন্যতম। প্রতিদিন মানুষের মধ্যে কফি খাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

 

ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশন অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ বিলিয়ন কিলোগ্রাম কফি পান করা হয়। কফির রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্যগুণও।

 

সম্প্রতি গবেষণায় উঠে এসেছে নারীরা নিয়মিত কফি পান করলে তারুণ্য ধরে রাখে। শরীর-মন থাকবে তরতাজা। এমনই চমকে দেওয়া তথ্য দিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন কফি পানের অভ্যাস নারীদের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ বার্ধক্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

 

বিগত ৩০ বছর ধরে প্রায় ৫০ হাজার নারীর উপরে এই গবেষণায় চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৫০ বছর বয়সে প্রতিদিন এক থেকে তিন কাপ ক্যাফেইনযুক্ত কফি পানকারী নারীরা বার্ধক্যে অনেকটা সুস্থ ছিলেন। তারা বড় কোনো অসুস্থতা ছাড়াই ছিলেন শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সুস্থ। কফি মস্তিষ্কের তীক্ষ্নতা, মনের জোর বাড়ায়, দীর্ঘস্থায়ী একাধিক জটিল রোগ থেকে দূরে রাখে।

 

৬০ বছর বা তার বেশি বয়সে কোনো গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী রোগ, স্মৃতিশক্তির সমস্যা বা শারীরিক অক্ষমতা ছাড়াই জীবনযাপন করতে পেরেছেন এই নারীরা। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকোষের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন ছাড়াও কফিতে থাকা অন্যান্য বায়োঅ্যাক্টিভ সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

 

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কফির এই উপকারিতা শুধু ক্যাফেইনযুক্ত কফির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। চা, ডিক্যাফ কফি বা কোলা জাতীয় অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়তে এই উপকার পাওয়া যায়নি। বরং কোলা বা সফট ড্রিংক বেশি পান করলে সুস্থ বার্ধক্যের সম্ভাবনা হ্রাস পায়। কফিতে থাকা ক্যাফেইন বার্ধক্য রোধ করার পাশাপাশি কোষের ক্ষতি হওয়া আটকাতে সহায়তা করে। ডিএনএ মেরামত করে স্ট্রেস প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কফি খেলে মেজাজ উন্নত হয় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। বিষণ্নতা বা অ্যালজাইমার রোগের মতো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

 

এছাড়া ফ্যাটি লিভার, লিভার ফাইব্রোসিস, লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। টিউলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লু কিও মনে করেন, সকালের দিকে কফি পান করা স্বাস্থ্যকর হতে পারে, তবে দিনের অন্যান্য সময় কফি পান করলে সুফল কমে যেতে পারে।

 

কফি থেকে দূর থাকবেন যারা
উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, উদ্বেগ বা ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের অবশ্যই কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন এই সমস্যাগুলো বাড়াতে পারে।
 

Pic

বয়স বাড়লেও সুস্থ জীবন চান? ৫০-এর পর এই ৫ নিয়ম মেনে চলুন 

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:

বর্তমান সময়ে ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকা যেন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। মানসিক চাপ, ভেজাল খাদ্য ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন সব মিলিয়ে শরীর ও মনের উপর পড়ছে প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব। তবে প্রতিদিনের রুটিনে কিছু সহজ অভ্যাস যোগ করলেই দীর্ঘদিন সুস্থ জীবনধারণ করা সম্ভব।

 

কম-চাপের নিয়মিত ব্যায়াম করুন
বয়স ৫০ এর পর ভারী ব্যায়াম না করে সাঁতার, নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম ও তাই চির মতো ধীর-গতির অনুশীলন উপকারী। এতে করে মাংসপেশি সক্রিয় থাকে, জয়েন্টে চাপ পড়ে না এবং মানসিক চাপও অনেক হ্রাস পায়।

 

সমাজ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকুন
সমাজচ্যুতি ও একাকীত্ব... মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, কমিউনিটি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে সচল রাখে।

 

প্রতিদিন মানসিক ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন একটি ক্রসওয়ার্ড বা পাজল করলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক চর্চা স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তাশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

 

ধূমপানের অভ্যাস পরিত্যাগ করুন
ধূমপান থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকগুণ বেড়ে যায়। এখনই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়বে এবং আয়ু দীর্ঘ হবে।

 

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস করুন
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাংসপেশি কমে যায়। ডিম, মাছ, বাদাম, দুধ ও লিন মাংস ও মুরগি -এই উপাদানগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে শরীর শক্তিশালী থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
 

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭