যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিক জবাব দিল ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চার সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের এই প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের প্রস্তাবের জবাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে ইরান একাধিক শর্ত সংযুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— ‘গুপ্তহত্যা ও আগ্রাসন’ সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘাত যাতে পুনরায় না ঘটে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নিশ্চয়তা প্রদান। একইসঙ্গে যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য স্পষ্ট ও কার্যকর ক্ষতিপূরণও দাবি করেছে তেহরান।
এছাড়া ইরান শুধু নিজস্ব ফ্রন্ট নয়, বরং পুরো অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকেও এই প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে সামগ্রিকভাবে সংঘাত নিরসন সম্ভব হয়।
সূত্রটি আরও জানায়, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণকে ‘স্বাভাবিক ও আইনগত অধিকার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও তেহরানের শর্তগুলোর অন্যতম। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য অবস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইরান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর আগে জেনেভায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইরান যে দাবিগুলো উত্থাপন করেছিল, বর্তমান প্রস্তাবের জবাবে সেগুলোকেও পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে এখনো সন্দিহান তেহরান। ইরানি সূত্রের দাবি, ওয়াশিংটনের আলোচনার আহ্বানকে তারা পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য মনে করছে না। তাদের মতে, এটি এক ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে শান্তিকামী হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাচ্ছে এবং একই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের জন্য সময় নিয়ে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের এই আনুষ্ঠানিক জবাব নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ালেও যুদ্ধ পরিস্থিতি কতটা দ্রুত প্রশমিত হবে, তা এখনো অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।
চার সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের এই প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক
ঈদকে ঘিরে সড়কে গত সাত দিনে মৃত্যু ২০৪, গড়মিল সরকারি হিসাবের সাথে
নিউজ ডেস্ক:
ঈদ উৎসবের আনন্দে ভরপুর থাকার কথা, অথচ ঈদের সময় সড়ক যেন বারবারই বিষাদের কারণ হয়ে ওঠে। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ঈদের সাত দিনের (১৭-২৩ মার্চ) ছুটিতে সারাদেশে ৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০০ জন এবং আহত হয়েছেন ২১৭ জন। তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন-এর প্রাথমিক হিসাবে একই সময়ে ২৬৮টি দুর্ঘটনায় অন্তত ২০৪ জন নিহত এবং ছয় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের এই বড় পার্থক্য তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি তথ্যে অনেক দুর্ঘটনাই অন্তর্ভুক্ত হয়নি। উদাহরণ হিসেবে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনাও বিআরটিএর হিসাবে নেই। এমনকি ২১ মার্চের ২৪ ঘণ্টার তালিকায় কুমিল্লার কোনো ঘটনাই উল্লেখ করা হয়নি।
ঈদের ছুটিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ঈদের আগের রাত থেকে পরদিন বিকেল পর্যন্তই ১৫১ জন আহত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। অন্যান্য হাসপাতালেও ছিল একই চিত্র।
অধিকাংশ আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক দুর্ঘটনায়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদযাত্রা সাধারণত ১৫ দিন ধরে বিবেচনা করা হয়- ঈদের আগে সাত দিন, ঈদের দিন এবং পরের সাত দিন। গত বছর এই সময়ে ৩১৫টি দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত হন। ২০২৪ সালে একই সময়ে ৩৭২টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৪১৬ জন, যা ছিল এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এবারের ঈদযাত্রা শুরু হয় ১৭ মার্চ এবং ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিনের ছুটি শেষ হলেও এখনও অনেক প্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এখনও পুরোপুরি কাটেনি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৭ মার্চ ১২টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন। পরদিন ১৮ মার্চ ১৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৩ জন এবং আহত হন ৬২ জন। ১৯ মার্চ ১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ৮ জন, আহত ৭ জন। ২০ মার্চ ছয়টি দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু ও ৩৬ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২১ মার্চ ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। ২২ মার্চ ১৯টি দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ ৩২ জন নিহত ও ৬০ জন আহত হন। আর ২৩ মার্চ ৯টি দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তা প্রাথমিক। ছুটি শেষে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা হলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তার আশঙ্কা, এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হতে পারে।
অন্যদিকে, যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় দুর্ঘটনা বাড়ার প্রবণতা থাকে। কারণ, এ সময় সড়কে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ তুলনামূলকভাবে কমে যায়।
জাতীয়
সরকার দেশের জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করছে: ডা. শফিকুর রহমান
অনলাইন ডেস্ক:
সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
আজ ২৩ মার্চ, ২০২৬ সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে নিজ এলাকায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সরকার অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে তা কার্যকর করা সম্ভব নয়। “এত মানুষ ঢাকা ছেড়েছে, তাদের টাকা কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে?”—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বর্তমান ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা করেন।
ঈদযাত্রার সময়কার পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সর্বত্র ছিল বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি। এতে ঈদের আনন্দ অনেকের জন্যই ম্লান হয়ে গেছে।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হলেও নানা অনিয়মের পরও জনগণ দেশের স্বার্থে তা মেনে নিয়েছে। তবে সরকার যদি সঠিক পথে না ফেরে, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে পাওয়া সরকারি বাসভবন প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করবেন না। বরং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে, বিশেষ করে বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ব্যবহার করা হবে।
চাঁদাবাজি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, সরকার যদি এসব বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইতিবাচক উদ্যোগে তারা সহযোগিতা করবে। তবে জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ এবং প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ঈদের ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকায় আসায় স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এলাকায় প্রবেশের আগে তিনি নিজ গ্রামের কবরস্থানে জিয়ারত করেন এবং পরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানানো হয়।
সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
রাজনীতি
বাংলাদেশের সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক:
বিশ্বের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ ২৩ মার্চ, ২০২৬ সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে ‘নেহা নদী’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের সামনে সময় খুব একটা ভালো না। যুদ্ধটা আমাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি করছে। এর ফলে সামনে তেলের দাম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। আমাদের এই কঠিন বাস্তবতা সয়ে নিয়েই সামনের দিকে এগোতে হবে।”
জ্বালানি সংকট ও জনরোষ প্রসঙ্গে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ কম হতে পারে, কিন্তু তাই বলে পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর করা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা ‘মব কালচার’ আমরা কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না।”
ধর্মকে রাজনৈতিক ব্যবসায় ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সৎ পথ ও হালাল রুজি ছাড়া আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নয়। কিছু রাজনৈতিক দল মা-বোনদের বেহেশতে নেওয়ার কথা বলে ভুলিয়ে দেয়, এসব প্রলোভনে পা দেবেন না।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার কৃষি ঋণ মওকুফ ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে ২০ হাজার খাল খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়াও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলল হোসেনসহ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্বের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয়
বিএনপি’র দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
অনলাইন ডেস্ক:
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও দলীয় কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
আজ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬ বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব (রাজনৈতিক) আতিকুর রহমান।
তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যক্রম সচল রাখতে সহসভাপতি এসএম তাজুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আতিকুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেই বিবেচনা থেকেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। তার এই পদক্ষেপ দলীয় শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি সুস্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ক্ষমতার অবস্থানে থেকেও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ। দলের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই তিনি এ পদত্যাগ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে, যা একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও দলীয় কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
আজ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬ বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব (রাজনৈতিক) আতিকুর রহমান।
তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যক্রম সচল রাখতে সহসভাপতি এসএম তাজুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আতিকুর রহমান বলেন, মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেই বিবেচনা থেকেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। তার এই পদক্ষেপ দলীয় শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি সুস্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ক্ষমতার অবস্থানে থেকেও সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ। দলের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই তিনি এ পদত্যাগ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে, যা একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাজনীতি
জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের পেট্রোল পাম্প
অনলাইন ডেস্ক:
জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার (২২ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। তেল কোম্পানিগুলো থেকে যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে এবং মোটরসাইকেল চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় একটানা কাজ করতে গিয়ে কর্মচারীরাও শারীরিক ও মানসিক চাপে পড়ছেন।
সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিপণনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত উপেক্ষিত হচ্ছে। পাম্পগুলোতে তেল বিক্রির সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন এবং অন্য একটি পাম্পে প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানি মজুত থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই সব শেষ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিকে তারা ‘লুটতরাজের মতো’ বলে উল্লেখ করেছে।
তারা অভিযোগ করে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন। এতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পাম্পে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়া গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে গিয়ে জোর করে তেল নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, সেখানে জ্বালানি সরবরাহের সময় হামলা চালিয়ে পুরো মজুত শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকদের নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে।
সংগঠনটি আরও জানায়, শুধু পাম্পেই নয়, ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ট্যাংকার লুট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এই অবস্থায় দ্রুত কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না বলে তারা সতর্ক করেছে।
এছাড়া ঈদের আগের দিন অনেক পাম্পে জরুরি সেবার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানিও সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে জোর করে পাম্প খুলে সেই জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান ও জোরদার উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
জ্বালানি তেলের ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার (২২ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি।
জাতীয়
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে পাল্টা কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, তাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হলে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সম্প্রতি ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, এই সময়ের মধ্যে প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এর জবাবে রোববার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ইব্রাহিম যুলফাগারি বলেন, প্রণালী এখনো পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে তা তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি জানান, নির্দিষ্ট নিরাপত্তা শর্ত মেনে কিছু জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া এবং ইসরাইলের জ্বালানি ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার হুমকিও রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকেই ইরান প্রণালীর ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অপরিশোধিত তেলের দাম ইতোমধ্যে ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র একদিকে প্রণালী সচল রাখতে চাপ দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান জানিয়ে দিয়েছে—হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে না।
এদিকে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ও জাপান প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সহায়তার আগ্রহ দেখালেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে পাল্টা কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, তাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হলে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক
ভারতের আদালতে হাদি হত্যার দায় অস্বীকার মূল অভিযুক্ত আসামী ফয়সাল করিম মাসুদের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রনায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।
১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে ২২ মার্চ, ২০২৬ রোববার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনো ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না।”
এর আগে কড়া নিরাপত্তায় ফয়সাল ও অপর অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। গত ৭ মার্চ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল। এসটিএফ সূত্রের দাবি ছিল, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হাদি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। তবে আদালতের দোরগোড়ায় এসে ফয়সালের এই ডিগবাজি মামলাটিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালীতে এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়। তাঁরা গত কয়েক মাস ধরে মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন। তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগে গত ১৩ মার্চ ফিলিপ সাংমা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী হেলমেট পরিহিত আততায়ীরা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রনায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন।
আলোচিত খবর
কুমিল্লায় রেলক্রসিংয়ে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২ জনেরই পরিচয় শনাক্ত, দুই গেটম্যান বরখাস্ত
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে মর্মান্তিক ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ১২ জনেরই পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ ২২ মার্চ, ২০২৬ রোববার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নথিপত্র ও স্বজনদের সহায়তায় তাঁদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সদস্য ও শিশুও রয়েছে। তাঁরা হলেন— ঝিনাইদহের মহেশপুরের লাইজু আক্তার (২৬) ও তাঁর দুই শিশু সন্তান খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪); যশোরের চৌগাছার সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তাঁর স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫); নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩) ও সুধারামের নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩); লক্ষ্মীপুর সদরের শিশু সায়েদা (৯); ঝিনাইদহ সদরের জোয়াদ বিশ্বাস (২০); মাগুরার ফচিয়ার রহমান (২৬); চুয়াডাঙ্গার সোহেল রানা (৪৬) এবং চাঁদপুরের কচুয়ার তাজুল ইসলাম (৬৮)।
শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনটি ‘মামুন পরিবহন’-এর একটি বাসকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার ঠেলে নিয়ে গেলে এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যা বের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উদ্ধার অভিযান চলে। আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ইঞ্জিন সরিয়ে নেওয়ার পর সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানিয়েছেন, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে মরদেহ দাফন ও জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে গেটম্যানদের অনুপস্থিতি বা সিগন্যাল জটিলতাকে এই প্রাণহানির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে মর্মান্তিক ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ১২ জনেরই পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
জাতীয়
ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
অনলাইন ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নওরোজ উপলক্ষে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এই বার্তা দেন।
পুতিন তার বার্তায় বলেন, কঠিন এই সময়ে রাশিয়া ইরানের নির্ভরযোগ্য বন্ধু ও অংশীদার হিসেবেই পাশে থাকবে।
তবে এই কূটনৈতিক সমর্থনের বাইরে বাস্তবে রাশিয়া কতটা সহায়তা করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কিছু ইরানি সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সংকটে প্রত্যাশিত সহায়তা মস্কোর পক্ষ থেকে মিলছে না।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এমন খবরও এসেছে যে, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল-যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধ করে, তবে রাশিয়াও ইরানকে তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। যদিও ক্রেমলিন এই দাবিকে অস্বীকার করেছে।
রাশিয়ার মতে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বাড়িয়েছে এবং এর প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ায় কিছুটা সুবিধাও পাচ্ছে মস্কো।
একই সঙ্গে রাশিয়া ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দেশটি চায় না তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করুক। মস্কোর আশঙ্কা, এমনটি হলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নওরোজ উপলক্ষে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এই বার্তা দেন।
আন্তর্জাতিক
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের জামাত সম্পন্ন: দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত
অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর্যায়ক্রমিক জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আজ ২১ মার্চ, ২০২৬ শনিবার সকাল ৭টায় প্রথম জামাতের পর সকাল ৮টায় দ্বিতীয় জামাত সম্পন্ন হয়েছে। এই জামাতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকি নদভী।
দ্বিতীয় জামাত শেষে এক আবেগঘন মোনাজাতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই দোয়ায় মহান আল্লাহর দরবারে বিগত এক মাসের সিয়াম সাধনা ও ইবাদত কবুলের জন্য আর্তি জানানো হয়। মোনাজাতে দেশ ও জাতির ওপর থেকে যাবতীয় বালা-মুসিবত দূর করা এবং বাংলাদেশের সুখ, শান্তি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। এছাড়া বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত মুসলমানদের নিরাপত্তা ও হেদায়েতের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
মোনাজাতের সময় অনেক মুসল্লিকে অশ্রুসিক্ত নয়নে নিজের গুনাহের মাফ চাইতে এবং প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনের জান্নাত কামনায় প্রার্থনা করতে দেখা গেছে। এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমানের ইমামতিতে ঈদের প্রথম জামাতটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামাতেই মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বায়তুল মোকাররমে আজ মোট পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন এবং সকাল ১০টায় চতুর্থ জামাতে মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী ইমামতি করবেন। সবশেষ পঞ্চম জামাতটি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ইমাম হিসেবে মাওলানা শহীদুল ইসলামকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় নিশ্চিত করতে বায়তুল মোকাররম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর্যায়ক্রমিক জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জাতীয়
ঈদের ভোরে কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী তেহরান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ যখন দুয়ারে, ঠিক তখনই ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল ইরানের রাজধানী তেহরান।
আজ ২১ মার্চ, ২০২৬ শনিবার ভোরে যখন ইরানসহ মুসলিম বিশ্বের বড় একটি অংশ ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে তেহরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইরানের সাথে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতিতে তাঁর বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, শনিবার ভোররাত থেকে তেহরানের বিভিন্ন প্রান্তে বিকট শব্দে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। ভয়েস অব আমেরিকার ফার্সি বিভাগের তথ্যমতে, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলের একবাতান এলাকার বিখ্যাত আজাদি টাওয়ার এবং অলিম্পিক ভিলেজ সংলগ্ন এলাকায় বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া উত্তর-পশ্চিমে মাজান্দারান প্রদেশের পাহাড়ি এলাকা কেলারদাশতেও যুদ্ধবিমানের গর্জন ও বিস্ফোরণ অনুভূত হয়েছে। তবে এসব হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, লেবাননের বৈরুতে অভিযানের পর এবার তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের রাজধানীর কৌশলগত সামরিক স্থাপনাগুলো।
এদিকে ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে চরম আক্রমণাত্মক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২০ মার্চ) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, "আমি কোনো যুদ্ধবিরতি চাই না। যখন আপনি আক্ষরিক অর্থেই প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছেন, তখন যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।"
ট্রাম্প আরও যোগ করেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে এবং এক্ষেত্রে চীন ও জাপানের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন অনড় অবস্থান এবং ঈদের দিনে তেহরানে ইসরায়েলি হামলা—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে মোড় নিয়েছে।
আন্তর্জাতিক
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত, নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক:
আজ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গসহ কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করেন। এছাড়া জামাতে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, সংসদ সদস্যগণ, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের সম্মানিত বিচারপতিগণ, শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকরা শরিক হন। নামাজ ও খুতবা শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ঈদের এই বিশেষ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খতিব তাঁর খুতবায় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছিল। এবারের ঈদ জামাতে নারীদের জন্য ছিল আলাদা প্রবেশপথ এবং বিশেষ অজুর ব্যবস্থা। সাড়ে তিন হাজার নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই ময়দানে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্যসেবার জন্য পর্যাপ্ত মেডিকেল টিম এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় ছিল।
জামাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেশবাসীকে ঈদের পবিত্র বারতা পৌঁছে দেন।
আজ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গসহ কয়েক হাজার মুসল্লি অংশ নেন।
জাতীয়
আজ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর
অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের আকাশে দেখা দিয়েছে শাওয়াল মাসের সরু এক ফালি নতুন চাঁদ। ফলে দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার পর আগামীকাল শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হবে মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।
আজ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাঁদ দেখার সংবাদ প্রাপ্তি ও তা পর্যালোচনার পর মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে শনিবার ঈদ উদযাপনের ঘোষণা দেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে পর্যটন নগরীর লাবণী পয়েন্টে শাওয়াল মাসের প্রথম চাঁদ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা সৈকতের বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির গোলঘরে আয়োজিত বৈঠকে বসে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কক্সবাজার কেন্দ্রীয় মডেল মসজিদের পেশ ইমাম ও জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সদস্য মুফতি সোলাইমান কাশেমি বলেন, "পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা গেছে। ইনশাআল্লাহ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শনিবার ঈদ উৎসব পালন করবেন।"
চাঁদ দেখার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় বেজে উঠেছে ঈদের চিরচেনা সুর। ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে উৎসবের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে আজ শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। তবে এরও একদিন আগে গত বৃহস্পতিবার আফগানিস্তান, মালি ও নাইজারে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এবার বাংলাদেশে একদিনের ব্যবধানে ঈদ পালিত হচ্ছে।
জাতীয়
আজ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, আগামি শনিবার সারাদেশে ঈদুল ফিতর
অনলাইন ডেস্ক:
দেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী শনিবার (২১ মার্চ, ২০২৬) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
রাজধানীর বায়তুল মোকাররমস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক পর্যালোচনা সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
ধর্মমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশের সকল জেলা প্রশাসন, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বৃহস্পতিবার কোথাও চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে শুক্রবার (২০ মার্চ) ৩০তম রোজা পালিত হবে এবং শনিবার সারা দেশে উদযাপিত হবে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবথেকে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর।
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে এখন দেশজুড়ে বইছে আনন্দের আবহ। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বরাবরের মতো পাঁচটি পৃথক জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে ভৌগোলিক কারণে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হলেও বাংলাদেশে তা হচ্ছে একদিন পর। তবে দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু গ্রামের বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শুক্রবারই ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
উল্লেখ্য, টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি চলায় প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। রাজধানীর রাজপথ এখন অনেকটা ফাঁকা। আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত সরকারি এই সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে।
দেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে হিজরি ১৪৪৭ সনের রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। আগামী শনিবার (২১ মার্চ, ২০২৬) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
জাতীয়
ন্যাটোর প্রতি ট্রাম্পের চরম অসন্তোষ ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ
১৮ মার্চ, ২০২৬ বুধবার হরমুজ প্রণালীতে প্রস্তাবিত মার্কিন প্রহরা অভিযানে ন্যাটোর মিত্র দেশগুলোর অস্বীকৃতিতে আবারও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল (মঙ্গলবার) হোয়াইট হাউসে আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সাথে এক বৈঠকে তিনি ন্যাটোর ওপর তার 'হতাশার' কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, "ন্যাটো একটি অত্যন্ত নির্বোধ ভুল করছে। আমি ভাবছি তারা আদৌ আমাদের সমর্থন করবে কি না।
এটি তাদের জন্য একটি বড় পরীক্ষা; যদিও আমাদের তাদের প্রয়োজন নেই, কিন্তু মিত্র হিসেবে তাদের সেখানে থাকা উচিত ছিল।" তিনি সতর্ক করে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই বিষয়টি মনে রাখা উচিত। সূত্র: সিআরআই
আন্তর্জাতিক
গাজীপুরের চন্দ্রায় ঈদযাত্রার চাপ, রাতে ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
অনলাইন ডেস্ক:
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যার পর হঠাৎ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে গেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ আশপাশের সড়কে প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারজুড়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চন্দ্রা বাস টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। সফিপুর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এবং কবিরপুর এলাকা থেকে আরও ৫ কিলোমিটারজুড়ে গাড়ির দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন থেমে থেমে চলায় যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অনেকেরই চন্দ্রা পৌঁছাতে এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে, আবার টার্মিনালে এসে যাত্রী তোলার জন্য বাস দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকছে।
এই পরিস্থিতির পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে শিল্পাঞ্চল গাজীপুরের পোশাক কারখানাগুলোর ছুটি। ছুটি ঘোষণার পর বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একসঙ্গে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ায় সড়কে হঠাৎ চাপ বেড়ে যায়। ফলে চন্দ্রা এলাকায় কার্যত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।
ঢাকা থেকে বগুড়াগামী যাত্রী রুবেল হোসেন বলেন, “চন্দ্রা পর্যন্ত আসতেই প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। রাস্তায় গাড়ি চলছে খুব ধীরে, আবার টার্মিনালে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।”
পোশাককর্মী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “সারাদিন কাজ শেষে বাস ধরতে এসে দেখি প্রচণ্ড ভিড়। কোনো শৃঙ্খলা নেই, কখন গাড়ি ছাড়বে সেটাও নিশ্চিত না।”
আরেক যাত্রী আলমগীর হোসেনের কথায়, “ঈদের সময় চন্দ্রা এলাকায় এলেই ভোগান্তি বাড়ে, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”
যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করলেও সন্ধ্যার পর হঠাৎ চাপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম বলেন, “ঈদের সময় যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। চন্দ্রা এলাকায় সড়ক সংকুচিত থাকায় ধীরগতি তৈরি হয়। আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি।”
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন বলেন, “চন্দ্রা ত্রিমোড় দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র। ঈদের সময় চাপ বাড়লে এখানে সমস্যা তৈরি হয়। যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও মাঠে কাজ করছে।”
প্রতি ঈদেই চন্দ্রা এলাকায় যানজটের পুনরাবৃত্তি নতুন কিছু নয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ত্রিমোড়ে চার দিক থেকে যানবাহন এসে মিশে যায়। নবীনগর, আশুলিয়া, চান্দনা চৌরাস্তা ও টাঙ্গাইল দিক থেকে একসঙ্গে চাপ তৈরি হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। ফ্লাইওভার থাকলেও তা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া এবং নিচে যাত্রী ও যানবাহনের জটলা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। কোনো কারণে সামান্য সময়ের জন্য যানবাহন থেমে গেলেই কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।
এদিকে একই দিন রাত পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১১টা পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়সহ উত্তরবঙ্গগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও যানজট নেই, সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে।”
তবে চন্দ্রা এলাকায় চাপ অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, শিল্পকারখানার ছুটি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, যানজট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনসহ নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢলে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
জাতীয়
না ফেরার দেশে চলে গেলেন ৯০ দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন
অনলাইন ডেস্ক:
নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শামস সুমন আর নেই।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন শামস সুমন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বাসাতেই ছিলেন, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পরই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টই ছিল মৃত্যুর কারণ।
নব্বইয়ের দশকে টিভি নাটকের পরিচিত মুখ ছিলেন শামস সুমন। মঞ্চনাটক দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করে ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরে বড় পর্দাতেও নিয়মিত কাজ করেন। ভরাট কণ্ঠ আর সাবলীল অভিনয়ের জন্য দর্শকের কাছে দ্রুতই আলাদা জায়গা করে নেন তিনি। তবে ২০১৬ সালের পর থেকে অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন।
তার অভিনীত জনপ্রিয় নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘অহংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘যদি ভালোবাসো’, ‘এইতো আমাদের বাড়ি’, ‘রাতের অতিথি’, ‘অতন্দ্র প্রহর’ ও ‘খোঁজ’। একুশে টেলিভিশনে আফসানা মিমি পরিচালিত ধারাবাহিক ‘বন্ধন’ নাটকেও অভিনয় করেন তিনি।
চলচ্চিত্রে তৌকীর আহমেদের ‘জয়যাত্রা’ দিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জোনাকির আলো’, ‘আয়না কাহিনি’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘চোখের দেখা’ ও ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০০৮ সালে শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। সর্বশেষ তাকে দেখা যায় ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমায় একটি ছোট চরিত্রে।
অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন একটি বেসরকারি রেডিওতে দায়িত্ব পালন করেছেন শামস সুমন। তিনি রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
রাশেদ মামুন অপু বলেন, “আমরা এইমাত্র মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছি। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। আজ হঠাৎ করেই পরিস্থিতির অবনতি হয়।”
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাজশাহীতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শামস সুমন আর নেই।
জাতীয়
দিনাজপুরে মাটি কেটে খাল খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় পৌঁছে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৬ মার্চ, ২০২৬ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় তিনি ওই এলাকায় পৌঁছান।
এ সময় তিনি হাত নেড়ে জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। পরে নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে খান খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় খালের পাড়ে নিম গাছের চারা রোপণ করেন।
সেখান থেকে তিনি দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কাজের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন।
সমাবেশস্থলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় পৌঁছে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতীয়
ঈদে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে
অনলাইন ডেস্ক:
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগেই থেকেই শুরু হয়েছে ট্রেনযোগে বাড়ি যাওয়া। তারই প্রেক্ষিতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। প্রতিটি ট্রেনও ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
আজ ১৭ মার্চ, ২০২৬ মঙ্গলবার ভোর থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। তবে যাত্রীচাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো ট্রেন বিলম্বে ছাড়েনি। ফলে ভিড় বেশি হলেও যাত্রীদের বেশ উৎফুল্ল দেখা গেছে।
এদিন ভোরে ঢাকা থেকে প্রথম ট্রেন ছেড়ে যায় ভোর ৬টায় রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস। এরপর ৬টা ৪৫ মিনিটে চিলাহাটিগামী নীলনাগর এক্সপ্রেস, সোয়া ৭টায় খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস, সাড়ে ৭টায় কিশোরগঞ্জগামী এগারো সিন্দুর প্রভাতী, ৮টায় দেওয়ানগঞ্জগামী তিস্তা এক্সপ্রেস সময়মতো ছেড়ে যায়।
এদিকে বিনা টিকিটে ভ্রমণ ঠেকাতে বেশ কঠোর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। স্টেশন ও প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিন ধাপে টিকিট চেক করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। আর যারা টিকিট কাটেনি তাদের স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে তারপর প্রবেশের অনুমতি নিতে হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগেই থেকেই শুরু হয়েছে ট্রেনযোগে বাড়ি যাওয়া। তারই প্রেক্ষিতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। প্রতিটি ট্রেনও ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।



























































