রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে গলা কেঁটে হত্যা, পলাতক গৃহকর্মী
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় শাহজাহান রোডের একটি বাসায় ঘটেছে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। মালাইলা আফরোজ (৪৮) নামে এক নারী ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর নিহতদের বাসার গৃহকর্মী পলাতক রয়েছে, এ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে গৃহকর্মী তাদেরকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
জানা গেছে, নিহত নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণি শিক্ষার্থী ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে মা ও মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় বাসার গৃহপরিচারিকাকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা কাজ করছি। নিহতরা ভবনের ৭ তলায় বসবাস করতেন। গৃহকর্তা আজিজুল ইসলাম সকালে কাজের উদ্দেশে বের হয়ে যান। এরপর দুপুর ১২টার দিকে এসে তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। মেয়ে নাফিসাকে জীবিত অবস্থায় পেলেও হাসপাতালে নেওয়ার পর সে মারা যায়।”
ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ ও তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।
পুলিশের একটি সূত্র বলছে, ওই গৃহকর্মীর নাম আয়েশা। সে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে। এ ছাড়া হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ধারালো ছুরি বাথরুমের বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় শাহজাহান রোডের একটি বাসায় ঘটেছে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। মালাইলা আফরোজ (৪৮) নামে এক নারী ও তার মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর নিহতদের বাসার গৃহকর্মী পলাতক রয়েছে, এ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে গৃহকর্মী তাদেরকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
আলোচিত খবর
ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় মনোনীত ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের শাড়ী
নিজস্ব প্রতিনিধি:
শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্য আর নিপুণ কারুশিল্পের সমন্বয়ে তৈরি টাঙ্গাইল শাড়ী এবার ইউনেসকোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।
ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতির পর আন্তর্জাতিক এই মর্যাদা তাঁতপল্লীকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। নকশা, বুননশৈলী আর আরামের জন্য বহুদিন ধরেই টাঙ্গাইল শাড়ি নারীদের প্রথম পছন্দ। এই মনোনয়ন তাঁতশিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলোর কাছে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।
টাঙ্গাইলের বিভিন্ন তাঁতপল্লীতে একসময় উৎসবের আগে দিনরাত সমান তালে বেজে উঠত তাঁতের খটখট শব্দ। কারিগররা রঙিন সুতা রাঙিয়ে হাতে বুনতেন বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। কিন্তু আধুনিক পোশাকের দাপট, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সেই ব্যস্ততা আজ অনেকটাই হারিয়ে গেছে। তাঁত ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় ৮০ শতাংশ তাঁত ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে, বাকি ২০ শতাংশ কোনোমতে টিকে আছে।
তাঁতিরা মনে করেন, ইউনেসকোর মনোনয়ন নিঃসন্দেহে বড় অর্জন, তবে এর সুফল পেতে হলে প্রয়োজন সরকারি নজরদারি ও সহায়তা। তাঁদের ভাষায়, “শিল্পটা টিকে রাখতে হলে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে, না হলে ঐতিহ্য স্বীকৃতি পেলেও তাঁত পল্লীগুলো আর আগের জায়গায় ফিরবে না।” নারী শ্রমিকরাও এই শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেউ সুতা কাটেন, কেউ চরকা ঘোরান, আবার পুরুষ কারিগরদের সঙ্গে মিলে বুননেও সহযোগিতা করেন।
২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা পায়। তার আগেই ভারত এই শাড়ির ওপর জিআই দাবি তোলায় দেশে আলোচনার জন্ম হয়। বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর সেটি শুধু শিল্পের মর্যাদাই বাড়ায়নি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টাঙ্গাইল শাড়িকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
কারিগররা বলছেন, টাঙ্গাইল শাড়ি শুধু উৎসব বা ঐতিহ্যের অংশ নয়, এটি শত শত পরিবারের জীবিকা। সস্তা, মেশিন বোনা শাড়ির প্রতিযোগিতা তাদের সমস্যায় ফেলছে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই আর এই পেশায় আসতে চাইছে না। এর মধ্যেই ইউনেসকোর মনোনয়ন তাঁতপল্লীতে নতুন উদ্দীপনা এনে দিয়েছে। তাঁতিরা আশাবাদী, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাদের কারুশিল্পকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্য আর নিপুণ কারুশিল্পের সমন্বয়ে তৈরি টাঙ্গাইল শাড়ী এবার ইউনেসকোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।
জাতীয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি, এবি পার্টিসহ তিন দলের নতুন জোট ঘোষণা
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিন দল মিলে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি এবি পার্টি এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নতুন এই মঞ্চের নাম দিয়েছে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’।
আজ রোববার ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সংবাদ সম্মেলনে জোটটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গত দেড় বছরে সংস্কার প্রক্রিয়ার পথে নানা বাধা এসেছে। ঐকমত্য কমিশনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিভিন্ন শক্তি পরিবর্তনকে আটকে রাখার চেষ্টা করেছে। তিনি জানান, সেই অবস্থায় তিন দল সংস্কারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই ঐক্য প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। নাহিদ ইসলাম নতুন জোটের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
সম্মেলনে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, অভ্যুত্থানের পর যেসব প্রত্যাশা ছিল তা পূরণ হয়নি। তরুণদের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাও অনেক ক্ষেত্রেই অপূর্ণ রয়ে গেছে। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই এই নতুন যাত্রা। তার ভাষায়, পুরনো রাজনীতি দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন সম্ভব হয়নি, নতুনরা চ্যালেঞ্জ করেছিল বলেই সেই পরিবর্তন এসেছে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বলেন, কেবল তিন দলই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে না, বরং আরও অনেক শক্তিই এই প্রত্যাশার অংশীদার। চব্বিশের অভ্যুত্থান টিকে থাকবে কিনা তা নির্ভর করছে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা কতটা বাস্তবায়ন হয় তার ওপর।
ঘোষণায় জানানো হয়, জোটটি শুধু নির্বাচনী সমন্বয় নয়, রাজনৈতিক জোট হিসেবেও কাজ করবে। আলোচনার ভিত্তিতে আরও কয়েকটি দল যুক্ত হতে পারে বলে জানান আয়োজকেরা। আগামী নির্বাচনে জোটভুক্ত দলগুলো একসঙ্গে কাজ করতে এবং একই প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী বলে নাহিদ ইসলাম জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি মনে করে গায়ের জোরে কিংবা ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ী হবে, তারা সফল হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল ওহাব মিনার, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিব উদ্দিনসহ আরও অনেকে। আয়োজকেরা বলেন, দেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই জোটের যাত্রা।
দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিন দল মিলে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি এবি পার্টি এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নতুন এই মঞ্চের নাম দিয়েছে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’।
রাজনীতি
ভারতের গোয়ায় নাইটক্লাবে আগুন, পর্যটকসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জন, আহত কমপক্ষে ৫০ জন
টাঙ্গাইল দর্পণ আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের গোয়ায় একটি নাইট ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রাতে ক্লাবে পার্টি চলাকালীন গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে বিস্ফোরণ। শনিবার মধ্যরাতে গোয়ার একটি জনপ্রিয় নাইটক্লাবে বিধ্বংসী আগুনের জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন। ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন নাইটক্লাবের ম্যানেজার। ইতিমধ্যেই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপিত দ্রৌপদী মুর্মু এবং গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত।
নাইট ক্লাবটি বাগা সি-বিচ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত, যা গোয়ার অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ওই নাইটক্লাবের মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় যে বা যাঁরা দোষী, তাঁরা শাস্তি পাবেন বলে জানান তিনি।
রবিবার সকালে গোয়া পুলিশ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চার জন পর্যটক ছিলেন, ১৪ জন ওই নাইটক্লাবের কর্মী। এখনও পর্যন্ত সাত জনকে শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, সিলিন্ডার ফেটেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, ক্লাবটির একতলায় যেখানে পর্যটকরা নাচ-হুল্লোড়ে মেতেছিলেন, প্রথমে সেখানে আগুন দেখা যায়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। দমকল সূত্রে খবর, রবিবার ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। মৃতদেহগুলিকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহতরা গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।
পুলিশ সূত্রে খবর, বেসমেন্টের রান্নাঘরে আটকে পড়া ২৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চার জন পর্যটক রয়েছেন। দমকল সূত্রে খবর, বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ার কারণে দমবন্ধ হয়ে। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন হোটেলের কর্মী, চার জন পর্যটক এবং স্থানীয় কয়েক জন। ১৮ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ঘটনার উপর নজর রাখছি। ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬ জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোয়ার এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং ক্লাবে পর্যাপ্ত অগ্নি-নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। দোষীদের রেয়াত করা হবে না।’
ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গোয়ার আরপোরায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।’ মৃতদের পরিবারের জন্য দু’লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।
মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তার চেষ্টা করছে। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা রইল। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
ভারতের গোয়ায় একটি নাইট ক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রাতে ক্লাবে পার্টি চলাকালীন গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে বিস্ফোরণ। শনিবার মধ্যরাতে গোয়ার একটি জনপ্রিয় নাইটক্লাবে বিধ্বংসী আগুনের জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন। ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন নাইটক্লাবের ম্যানেজার। ইতিমধ্যেই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপিত দ্রৌপদী মুর্মু এবং গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত।
নাইট ক্লাবটি বাগা সি-বিচ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত, যা গোয়ার অন্যতম জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ওই নাইটক্লাবের মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় যে বা যাঁরা দোষী, তাঁরা শাস্তি পাবেন বলে জানান তিনি।
রবিবার সকালে গোয়া পুলিশ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চার জন পর্যটক ছিলেন, ১৪ জন ওই নাইটক্লাবের কর্মী। এখনও পর্যন্ত সাত জনকে শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, সিলিন্ডার ফেটেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, ক্লাবটির একতলায় যেখানে পর্যটকরা নাচ-হুল্লোড়ে মেতেছিলেন, প্রথমে সেখানে আগুন দেখা যায়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। দমকল সূত্রে খবর, রবিবার ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। মৃতদেহগুলিকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহতরা গোয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।
পুলিশ সূত্রে খবর, বেসমেন্টের রান্নাঘরে আটকে পড়া ২৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চার জন পর্যটক রয়েছেন। দমকল সূত্রে খবর, বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয়েছে ধোঁয়ার কারণে দমবন্ধ হয়ে। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন হোটেলের কর্মী, চার জন পর্যটক এবং স্থানীয় কয়েক জন। ১৮ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ঘটনার উপর নজর রাখছি। ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬ জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোয়ার এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং ক্লাবে পর্যাপ্ত অগ্নি-নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। দোষীদের রেয়াত করা হবে না।’
ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গোয়ার আরপোরায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।’ মৃতদের পরিবারের জন্য দু’লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।
আন্তর্জাতিক
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত 'Hi-Lingua Language Competition' এ ১৯তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশী ফাতিহা আয়াত
ফাতিহা আয়াত
জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত Hi-Lingua Language Competition' এ বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগীদের মাঝে নিজের অসাধারণ ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণ রেখে Beginner, Mover, Runner, ও Flyer এর মত চারটি চ্যালেঞ্জিং রাউন্ড অতিক্রম করে সেমিফাইনালে ৩২৩ নম্বর পেয়ে বিশ্বব্যাপী ১৯তম স্থান অর্জন এবং গোল্ড মেডেল জয় করেছে Faatiha Aayat, আলহামদুলিল্লাহ।
ইতোমধ্যে #IELTSBandScore 8.5 এবং #SATTotalScore 1450 অর্জনের পর এবারের এ বিজয় তার আন্তর্জাতিক দক্ষতার আরেকটি মূল্যবান স্বীকৃতি। Faatiha Aayat এই এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্ত।
এটা আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্ত। বাংলাদেশের জন্য এ এক নতুন দিগন্তের সূচনা, যেখানে ভাষার শক্তিতেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
আন্তর্জাতিক
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি: আমীর খসরু
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
আজ ০৬ নভেম্বর, ২০২৫ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জানিয়েছেন তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।
আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, “তারেক রহমান সহসাই দেশে ফিরবেন। সবকিছু প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানই নেতৃত্ব দিবেন।”
খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রার বিষয়ে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করছে তার বিদেশ যাত্রা। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তই এখানে চুড়ান্ত।
তিনি মনে করেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে ভালো ফল করবে। এছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। এমন পরিস্থিতিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার এই ঘোষণা রাজনীতিতে তাদের দৃঢ়তার বহিঃপ্রকাশ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসবেন কি না তা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
খুব শিগগিরই জোটের প্রার্থী চুড়ান্ত করা হবে বলেও জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা।
এদিকে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই ঢাকায় আসবে কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, ম্যাডামের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে কাতারের রয়েল অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশ আসবে। সেইভাবে তারা এখন প্রস্তুত রয়েছে। মেডিকেল বোর্ড যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে, তখনই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসবে এবং বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যাবে। সবকিছুই কাতার কর্তৃপক্ষ অ্যারেজমন্টে হচ্ছে। তারাই জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
আজ ০৬ নভেম্বর, ২০২৫ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জানিয়েছেন তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।
রাজনীতি
টাঙ্গাইলে আজ গণসংহতি আন্দোলনের সমাবেশ ও মাথাল মিছিল
নিজস্ব প্রতিনিধি:
আজ ৬ নভেম্বর, ২০২৫ শনিবার টাঙ্গাইলে শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য দাবি ও হিস্যা আদায়ের লক্ষ্যে আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সমাবেশ ও মাথাল মিছিল করবে গণসংহতি আন্দোলন।
আজকের সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। এতে আরও উপস্থিত থাকবেন টাঙ্গাইল-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী ফাতেমা রহমান বীথি, জেলা সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিন ও টাঙ্গাইল জেলার সংগঠক তুষার আহমেদসহ স্থানীয় বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এ কর্মসূচির আয়োজকরা জানান, শ্রমিক-কৃষক ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য সুবিধা প্রতিষ্ঠার দাবি জানাতে ও বৃহত্তর জনমত গড়ে তুলতে এই সমাবেশ ও মাথাল মিছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আজ ৬ নভেম্বর, ২০২৫ শনিবার টাঙ্গাইলে শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য দাবি ও হিস্যা আদায়ের লক্ষ্যে আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সমাবেশ ও মাথাল মিছিল করবে গণসংহতি আন্দোলন।
রাজনীতি
এনসিপি প্রার্থী ঘোষণার আগেই ‘নিজেকে এমপি’ দাবি, ধামরাইয়ে দলের ভেতরে ক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি দলীয়ভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা না করলেও, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগেই প্রকাশ্যে নিজেকে “এমপি প্রার্থী” দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-২০ আসন ধামরাই থেকে এক মনোনয়নপ্রত্যাশী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার হঠাৎ করা এই আত্মঘোষিত প্রার্থী দাবিকে স্থানীয় নেতা–কর্মীরা “দলীয় শৃঙ্খলার লঙ্ঘন”, “দলের ভেতর বিভাজন” এবং “দলের প্রতি আনুগত্যের অভাব” হিসেবে দেখছেন বলে উল্লেখ করেছেন এই আসন থেকে অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশী ও স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসাদুল ইসলাম মুকুল তার নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এমপি পদপ্রার্থী উল্লেখ করে স্বচ্ছ নাগরিক সেবা, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ধামরাই গড়তে ‘শাপলা কলিতে ভোট’ চেয়ে ফেসবুক পোস্ট করেন। পোস্টের বিষয়ে নেতাকর্মীদের বক্তব্য নিতে শুরু করলে তিনি পূর্বের পোস্ট ডিলিট করে নতুন পোস্ট দিলেও নেতিবাচক মন্তব্যগুলো ডিলিট করতে ভুলে যান।
তার মনগড়া প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দলীয় নেতারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনাকে সম্পূর্ণ অমান্য করে এই ধরনের আগাম প্রচারণা “দলবিরোধী কার্যক্রম”।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী বলেন, “দল ঘোষণা দেওয়ার আগেই নিজেকে প্রার্থী দাবি করা মানে দলের সিদ্ধান্তকে তাচ্ছিল্য করা। এ ধরনের বেপরোয়া আচরণে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।” সামনে নির্বাচনে ভোটের মাঠেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, কারণ এখানে সকল প্রার্থীকে উপেক্ষা করা হয়েছে।
এনসিপির ধামরাই উপজেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ পদের এক নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অবস্থায় জানান, এই আসন থেকে পাঁচজন মনোনয়ন চেয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনি নিজেকে সবচেয়ে যোগ্য এবং দল থেকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পেয়েছেন মনে করে এমপি প্রার্থী হিসেবে পোস্ট দিয়েছেন। প্রার্থী ঘোষণার আগেই নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করা সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গ কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তা ঠিক আছে, কিছু কিছু আসনে গ্রিন সিগনাল পাওয়া যায়—তার মধ্যে ধামরাই আসনও রয়েছে। তাই এমন পোস্ট দেওয়া হয়েছে।”
দলীয়ভাবে প্রার্থীদের তালিকা নিয়ে ধামরাইয়ের স্থানীয় সচেতন মহল মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দলে একাধিক প্রার্থী থাকা স্বাভাবিক—নতুন দল হিসেবে সকল প্রার্থী মিলেমিশে কাজ করবে, এমনটাই তাদের প্রত্যাশা।
জাতীয় নাগরিক পার্টি কোনো আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা না করলেও, তিনি কীভাবে নিজেকে এমপি প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন—এ বিষয়ে আসাদুল ইসলাম মুকুল বলেন, “আমার ফেসবুক আইডির একাধিক অ্যাডমিন রয়েছে। তারা পোস্ট করেছিল, পরে তা সংশোধন করা হয়েছে।”
প্রার্থী ঘোষণার পূর্বে ধামরাইয়ে কোনো মনোনয়নপ্রত্যাশী এমপি প্রার্থী দাবি করে পোস্ট করতে পারেন কিনা বা এতে সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গ হয় কিনা—এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠন (ঢাকা বিভাগ) জানায়, ‘আমরা এখনো দলীয় কোনো প্রার্থী ঘোষণা করিনি। ঘোষণার পূর্বে এমপি প্রার্থী ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখব, এ বিষয়ে নোটিশ পাঠানো হবে।’
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি দলীয়ভাবে কোনো প্রার্থী ঘোষণা না করলেও, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগেই প্রকাশ্যে নিজেকে “এমপি প্রার্থী” দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-২০ আসন ধামরাই থেকে এক মনোনয়নপ্রত্যাশী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার হঠাৎ করা এই আত্মঘোষিত প্রার্থী দাবিকে স্থানীয় নেতা–কর্মীরা “দলীয় শৃঙ্খলার লঙ্ঘন”, “দলের ভেতর বিভাজন” এবং “দলের প্রতি আনুগত্যের অভাব” হিসেবে দেখছেন বলে উল্লেখ করেছেন এই আসন থেকে অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশী ও স্থানীয়রা।
রাজনীতি
আসছে জার্মানি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেগম খালেদা জিয়ার জন্য, পাঠাচ্ছে কাতার
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যেতে জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসছে ঢাকায়। কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে আনা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খালেদা জিয়াকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ শুক্রবার কাতার দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দূতাবাস জানায়, জার্মানির এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কোম্পানি হলেও ভাড়া থেকে যাবতীয় ব্যবস্থাপনা করছে কাতার সরকার। আগামীকাল (শনিবার) বিকেল ৫টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় অবতরণ করবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ‘অবতরণ অনুমতি’ এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ইসলাম জানিয়েছিলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে কাতার এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আজ আসছে না।
এদিকে, এদিন বেলা পৌনে ১১টায় জুবাইদা রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিজি ৩০২ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর সরাসরি বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ারের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
উল্লেখ্য, সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (৭ ডিসেম্বর) লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হতে পারে খালেদা জিয়াকে বহনকারী বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যেতে জার্মানি থেকে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসছে ঢাকায়। কাতার সরকারের ব্যবস্থাপনায় জার্মানি থেকে আনা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে খালেদা জিয়াকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
জাতীয়
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য আজ সারাদেশে বিশেষ দোয়া
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর সুস্থ্যতা ও রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ সারাদেশে সুস্থ্যতা ও রোগমুক্তি কামনায় জুমার নামাজের পর দেশের মসজিদগুলোতে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়ার আয়োজন করা হয়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা নয়াপল্টনে মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলের অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “বেগম জিয়া গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। কারাগার থেকেই তার রোগের সূচনা। চিকিৎসার অভাবে গুরুতর অসুস্থ হন তিনি।’তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছালে রোববার লন্ডনে নেয়া হবে বেগম জিয়াকে। তবে উনি ফ্লাই করতে পারবেন কি না সেটা চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেবে।”
রাজধানীসহ দেশব্যাপী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণও দোয়ায় অংশ নেন।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর সুস্থ্যতা ও রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয়
নবম পে-স্কেলের দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন ঘোষণা
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ চলছে।
আজ ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ শুক্রবার সকাল থেকেই সারাদেশ থেকে সরকারি, আধাসরকারি, করপোরেশন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা জাতীয় শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হয়েছেন । কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিনের ন্যায্য বেতন কাঠামোর দাবিতে তারা একযোগে এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
সমাবেশে নেতারা বলেন, বর্তমান বাজারদর, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বেতন কাঠামোর বৈষম্য বিবেচনায় নতুন পে–স্কেল ঘোষণা এখন সময়ের দাবি। তারা জানান ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে আর জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই তা কার্যকর করতে হবে।

সমাবেশে থেকে ৭ দাবি তোলে সংগঠনটি। উত্থাপিত দাবিগুলো হলো-
১:৪তম গ্রেডের ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার ও সর্বোচ্চ ১ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকায় ৯ম পে-স্কেল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট জারি করতে হবে। জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৯ম পে-স্কেল কার্যকর করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে স্কেলের গেজেটে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুন:বহাল এবং ও সকল স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি আনুতোষিকের হার ৯০শতাংশ এর স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
এছাড়াও কর্মরত কর্মচারীদের বেতন স্কেল শেষ ধাপে উন্নীত হওয়ায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে না বিধায় চাকুরীরতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহতভাবে রাখতে হবে।
উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত পদের পদধারীদের প্রকল্পের চাকুরীকাল গণনা করে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান করার অবকাশ নেই মর্মে নং-অম/অবি (বাঙ-৪)/বিবিধ-২০ (উঃস্কেঃ/০৭/৪৭, তারিখ-২৪-০৩-২০০৮-খ্রি. যোগে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত বৈষম্যমূলক জারিকৃত আদেশ বাতিল করতে হবে। বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে সংগতি, জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে বিদ্যমান ভাতাদি পুন:নির্ধারণ ও সামরিক আদাসামরিক বাহিনীর ন্যয় (১০-২০ গ্রেডের) কর্মচারীদের রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে বেতন ও পদ বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয়ের ন্যয় সকল সরকারি, আধাসরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করে কর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য দূর করতে হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ চলছে।

১:৪তম গ্রেডের ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন বেতন-স্কেল ৩৫ হাজার ও সর্বোচ্চ ১ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকায় ৯ম পে-স্কেল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট জারি করতে হবে। জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৯ম পে-স্কেল কার্যকর করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে স্কেলের গেজেটে হরণকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুন:বহাল এবং ও সকল স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুয়িটি আনুতোষিকের হার ৯০শতাংশ এর স্থলে ১০০ শতাংশ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদের মর্যাদা দিতে হবে।
জাতীয়
ঢাকায় পৌঁছে এভারকেয়ারে যাচ্ছেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুক্রবার সকালে তিনি অবতরণ করেন।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দেশে পৌঁছানোর পর তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়ে সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে রওনা হন। সেখানে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেবেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তার আসা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। দলের পক্ষ থেকে তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
এদিকে কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দেশে না পৌঁছানোয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে লন্ডন নিয়ে যাওয়ার সময় পিছিয়েছে। শুক্রবার সকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে।
আলোচিত খবর
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে টাঙ্গাইল-৫ আসনে মনোনয়ন পেলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ বেলা পৌনে চারটায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন ৩৬টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল জানান, টাঙ্গাইল-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
গত ৩ নভেম্বর বিএনপি ২৩৭টি আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল। সেদিন টাঙ্গাইলের ৮টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। পরে ওই আসনের নাম আলাদাভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। এবার ওই আসনেও চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি।
আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রাজনীতি
বৃটেনের কার্ডিফে বিজয়ফুল কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
"বিজয়ের গৌরবে সমুন্নত থাকুন এবং ৭১ এর শহীদানদের স্মরণ করুন আর বাংলাদেশের বিজয়কে বুকে ধারণ করুন’
সাফওয়ান মনসুর, কার্ডিফ, ওয়েলস থেকে:
"ডিসেম্বর মাস, বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। বিশ্বের যেখানেই থাকুন, বিজয়ের মাসে বিজয়ফুল পরুন, বিজয়ের গৌরবে সমুন্নত থাকুন এবং একাত্তরের শহীদানদের স্মরণ করুন আর বাংলাদেশের বিজয়কে বুকে ধারণ করুন’ এই স্লোগানের মাধ্যমে ও দীপ্ত শপথে ডিসেম্বর মাসের ১ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত বিশ্বের সর্বত্র মুক্তিযুদ্ধের গল্পবলা এবং প্রতিদিন বিজয়ফুল পরার আহ্বান জানিয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে বিজয়ফুল কার্যক্রম।
বিগত ১৮ বছর ধরে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরের ন্যায় প্রতি বছরের মতো এবার ও ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফ শহরে বাংলা স্কুলে বিজয়ফুল কর্মসূচি-২০২৫ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়েছে।
গত ১ ডিসেম্বর সোমবার ১২টা-১মিনিটের সময় বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনায় ও আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়ফুল কর্মসূচির ওয়েলসের উজ্জীবক ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই পোগ্রামে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ দেশাত্মবোধক এই কলিকে হৃদয়ে ধারণ করার মাধ্যমে একে অপরকে বিজয়ফুল পরানোর মধ্য দিয়ে বিজয়ফুল কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান শহীদুল্লাহ্।
শাহজালাল মস্ক এন্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টার এর চেয়ারম্যান কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব শাহ আতাউর রহমান মধুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পোগ্রামে বক্তব্য রাখেন আনহার মিয়া, কাওসার হোসেন, শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার, আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, আনসার মিয়া, ভিপি সেলিম আহমদ, আসকর আলী, শাহ গোলাম কিবরিয়া, সৈয়দ জুয়েলুর রহমান, এম এ রউফ, আবুল কালাম মুমিন, রকিবুর রহমান, মোহাম্মদ বদরুল মনসুর, ও সৈয়দ রুহেল রহমান, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এদিকে কার্ডিফের বাংলা স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ও বিভিন্ন গ্রোসারি শপ ও রেষ্টুরেন্ট - টেকওয়ে নানা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে ঘুরে ঘুরে মানুষের মাঝে বিজয় ফুল পরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ যেনো এক প্রাণের বন্ধন।
মহান শহীদানদের স্মৃতি বহন করে, বিজয়ের চেতনা ছড়িয়ে দিতে যে স্বপ্ন নিয়ে আজ থেকে ১৮ বছর আগে ২০০৭ সালে বৃটেন থেকে শুরু করা হয়েছিলো বিজয় ফুল কর্মসূচী, সেই যাত্রা এখনও অব্যাহত আছে নতুন প্রত্যয়ে।
১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের বীরগাঁথা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে গড়ে ওঠা এই কর্মসূচী আমাদের জাতীয় চেতনাকে প্রতি বছর নতুন করে জাগিয়ে তোলে বলে উল্লেখ করে কার্ডিফ শাহজালাল বাংলা স্কুল কমিটি ও বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর জেনারেল সেক্রেটারি এবং বিজয়ফুল কর্মসূচির উজ্জীবক মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, বাংলাদেশ থেকে দূরে থাকলেও হৃদয়ের মাটিতে আমরা আজও সেই রক্তঝরা একাত্তরকে ধারণ করে আছি। ১লা ডিসেম্বর থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা সবাই বুকে পরিধান করবো বিজয় ফুল শুধু প্রতীক হিসেবে নয়, বরং এক অঙ্গীকার হিসেবে। অঙ্গীকার, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, মানবিকতা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও অসাম্প্রদায়িকতা ধরে রাখার। অঙ্গীকার, নতুন প্রজন্মকে সত্য ইতিহাস জানানো এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় চেতনা এগিয়ে নেওয়া হোক আমাদের দীপ্ত শপথ।
সভায় অন্যান্য বক্তারা আগামী ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা, ও বিজয়ফুল কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
"ডিসেম্বর মাস, বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। বিশ্বের যেখানেই থাকুন, বিজয়ের মাসে বিজয়ফুল পরুন, বিজয়ের গৌরবে সমুন্নত থাকুন এবং একাত্তরের শহীদানদের স্মরণ করুন আর বাংলাদেশের বিজয়কে বুকে ধারণ করুন’ এই স্লোগানের মাধ্যমে ও দীপ্ত শপথে ডিসেম্বর মাসের ১ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত বিশ্বের সর্বত্র মুক্তিযুদ্ধের গল্পবলা এবং প্রতিদিন বিজয়ফুল পরার আহ্বান জানিয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে বিজয়ফুল কার্যক্রম।
আন্তর্জাতিক
বদলে দিব নিজেকে, বদলে দিব পৃথিবী’ এই স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকার
বদলে দিব নিজেকে, বদলে দিব পৃথিবী’ এই স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে International Youth Change Maker - IYCM যুব সংগঠনটি। ‘উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন’- এমন স্বপ্ন নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের পথচলা শুরু। বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের চেঞ্জ মেকাররা কাজ করে যাচ্ছেন জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের প্রতিষ্ঠাতা জনাব সজীব খন্দকার তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা কাজ করছি সমাজে চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য। যুব সমাজই পারে বর্তমান সময়কে সুন্দর এবং ভবিষ্যৎকে সুনিশ্চিত করতে। তাই বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নর জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সংগঠনটি মাত্র ১৫ জন সদস্য নিয়ে ২০১২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের সহযোগীতা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজ শুরু করেন। তারা সহযোগীতা, আশ্রয় প্রদান, দূর্যোগকালীন সহযোগীতা এবং জনসচেতনতার মতো উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নেয়। ২০২৬ সালকে ‘শিশু ও যুব’ বর্ষ ঘোষণা করার জন্য তারা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জমেকারের সহ প্রতিষ্ঠাতা Labiba SulTana জানান, বাংলাদেশের নারীরা খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পায় না।আমরা এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবার যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে। যাতে সুবিধাবঞ্চিত সকল কিশোরী ও নারীরা সমান ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
বর্তমান বিশ্বে যখন তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের এক ঝাঁক সাহসী তরুণ-তরুণী প্রমাণ করে চলেছেন, কীভাবে দেশীয় উদ্যোগ থেকেই গ্লোবাল মডেল তৈরি করা সম্ভব। এমনই একটি অনন্য উদ্যোগের নাম ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেইঞ্জ মেকার । পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায়ন, ভবিষ্যতের সকল মানুষের জন্য সম --অধিকার ও সুরক্ষা।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই সংগঠনটি কাজ করছে শিশু, কিশোর ও তরুণদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে। ঢাকায় সদর দপ্তর থাকলেও এর কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও। ইতিমধ্যে সংগঠনটির আন্তর্জাতিক অ্যাম্বাসেডর সংখ্যা ৭০০-এর বেশি, আর বাংলাদেশে কাজ করছে ৫০,০০০-এরও বেশি চেইঞ্জ মেকার।
এক কোটি মানুষের জীবনে স্পর্শ IYCM-এর প্রভাব পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট—এ পর্যন্ত তারা ১০,৪৪,৩৫৬ জন মানুষের জীবন স্পর্শ করেছে। মূল কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ৮ লাখের বেশি মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর অধিকার, শিশু সুরক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ, এবং যুব নেতৃত্বে অভিযোজন প্রক্রিয়া—সবগুলো ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান প্রভাব রেখেছে সংস্থাটি।
২০৩০ সালের লক্ষ্য—একটি রোল মডেল বাংলাদেশ
IYCM-এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি শিশুশোষণমুক্ত, জলবায়ু সহনশীল ও নারী-যুব নেতৃত্বে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা। এই লক্ষ্যে তারা “কেমন বাংলাদেশ চায় তারুণ্য” নামক একটি জনমতভিত্তিক প্রচারণাও চালাচ্ছে, যার মাধ্যমে তরুণদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ লাখ নারী ও কিশোরীর জীবন দক্ষমতা ও তাদের অধিকার রক্ষায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে আইওয়াইসিএম সামাজিক উদ্ভাবন ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য IYCM শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তবিক সেবাও প্রদান করছে—যেমন ৭,০০০-এরও বেশি মানুষকে তারা কাউন্সেলিং সেবা দিয়েছে। “মাইন্ড কেয়ার” নামক কর্মসূচির মাধ্যমে তারা মানসিক স্বাস্থ্যকে সামনে এনেছে। এছাড়া প্রতি বছর ৮০,০০০-এর বেশি গাছ লাগিয়ে জলবায়ু কর্মসূচির প্রতীক হয়ে উঠেছে তারা।
জীবন দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়ন
৮৬,০০০-এর বেশি যুবক-যুবতীকে বিভিন্ন দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। “লাইফ স্কিলস ফর ইউথ” প্রোগ্রামটি ৫০ লাখ শিশু-কিশোরকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা দিতে কাজ করছে, যা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা
তাদের এই প্রচেষ্টার জন্য দেশে ও বিদেশে বহুবার স্বীকৃতি পেয়েছে IYCM। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড (২০২১), ইউনিসেফ মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড (২০০৯, ২০১৩, ২০১৪), সুইডেন ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ড (২০২২), গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড (২০২২) এবং সর্বশেষ গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড (২০২৪)।
কেন IYCM ব্যতিক্রমী?
বাংলাদেশের বেশিরভাগ এনজিও যেখানে প্রকল্প-নির্ভর হয়ে পড়ে, সেখানে IYCM স্থানীয় জনগণকে নেতৃত্ব দেয়, যাতে প্রকল্প শেষ হলেও পরিবর্তন চলমান থাকে। তারা “কমিউনিটি অনারশিপ” মডেল অনুসরণ করে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব নিশ্চিত করে।
শেষ কথা
যেখানে বিশ্বজুড়ে তরুণদের নেতৃত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন, সেখানে IYCM দেখিয়ে দিচ্ছে, বাংলাদেশের যুব সমাজ শুধু স্বপ্ন দেখেই নয়, বাস্তবেও পরিবর্তনের কারিগর হতে পারে। আজকের বাংলাদেশে, এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগই ভবিষ্যতের পথ দেখাচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের প্রতিষ্ঠাতা জনাব সজীব খন্দকার তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা কাজ করছি সমাজে চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য। যুব সমাজই পারে বর্তমান সময়কে সুন্দর এবং ভবিষ্যৎকে সুনিশ্চিত করতে। তাই বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নর জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সংগঠনটি মাত্র ১৫ জন সদস্য নিয়ে ২০১২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের সহযোগীতা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজ শুরু করেন। তারা সহযোগীতা, আশ্রয় প্রদান, দূর্যোগকালীন সহযোগীতা এবং জনসচেতনতার মতো উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নেয়। ২০২৬ সালকে ‘শিশু ও যুব’ বর্ষ ঘোষণা করার জন্য তারা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জমেকারের সহ প্রতিষ্ঠাতা Labiba SulTana জানান, বাংলাদেশের নারীরা খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পায় না।আমরা এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবার যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে। যাতে সুবিধাবঞ্চিত সকল কিশোরী ও নারীরা সমান ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
বর্তমান বিশ্বে যখন তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের এক ঝাঁক সাহসী তরুণ-তরুণী প্রমাণ করে চলেছেন, কীভাবে দেশীয় উদ্যোগ থেকেই গ্লোবাল মডেল তৈরি করা সম্ভব। এমনই একটি অনন্য উদ্যোগের নাম ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেইঞ্জ মেকার । পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায়ন, ভবিষ্যতের সকল মানুষের জন্য সম --অধিকার ও সুরক্ষা।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই সংগঠনটি কাজ করছে শিশু, কিশোর ও তরুণদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে। ঢাকায় সদর দপ্তর থাকলেও এর কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও। ইতিমধ্যে সংগঠনটির আন্তর্জাতিক অ্যাম্বাসেডর সংখ্যা ৭০০-এর বেশি, আর বাংলাদেশে কাজ করছে ৫০,০০০-এরও বেশি চেইঞ্জ মেকার।
এক কোটি মানুষের জীবনে স্পর্শ IYCM-এর প্রভাব পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট—এ পর্যন্ত তারা ১০,৪৪,৩৫৬ জন মানুষের জীবন স্পর্শ করেছে। মূল কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন ৮ লাখের বেশি মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর অধিকার, শিশু সুরক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ, এবং যুব নেতৃত্বে অভিযোজন প্রক্রিয়া—সবগুলো ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান প্রভাব রেখেছে সংস্থাটি।
২০৩০ সালের লক্ষ্য—একটি রোল মডেল বাংলাদেশ
IYCM-এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি শিশুশোষণমুক্ত, জলবায়ু সহনশীল ও নারী-যুব নেতৃত্বে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা। এই লক্ষ্যে তারা “কেমন বাংলাদেশ চায় তারুণ্য” নামক একটি জনমতভিত্তিক প্রচারণাও চালাচ্ছে, যার মাধ্যমে তরুণদের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ লাখ নারী ও কিশোরীর জীবন দক্ষমতা ও তাদের অধিকার রক্ষায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে আইওয়াইসিএম সামাজিক উদ্ভাবন ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য IYCM শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তবিক সেবাও প্রদান করছে—যেমন ৭,০০০-এরও বেশি মানুষকে তারা কাউন্সেলিং সেবা দিয়েছে। “মাইন্ড কেয়ার” নামক কর্মসূচির মাধ্যমে তারা মানসিক স্বাস্থ্যকে সামনে এনেছে। এছাড়া প্রতি বছর ৮০,০০০-এর বেশি গাছ লাগিয়ে জলবায়ু কর্মসূচির প্রতীক হয়ে উঠেছে তারা।
জীবন দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়ন
৮৬,০০০-এর বেশি যুবক-যুবতীকে বিভিন্ন দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। “লাইফ স্কিলস ফর ইউথ” প্রোগ্রামটি ৫০ লাখ শিশু-কিশোরকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা দিতে কাজ করছে, যা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা
তাদের এই প্রচেষ্টার জন্য দেশে ও বিদেশে বহুবার স্বীকৃতি পেয়েছে IYCM। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড (২০২১), ইউনিসেফ মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড (২০০৯, ২০১৩, ২০১৪), সুইডেন ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ড (২০২২), গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড (২০২২) এবং সর্বশেষ গ্লোবাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড (২০২৪)।
কেন IYCM ব্যতিক্রমী?
বাংলাদেশের বেশিরভাগ এনজিও যেখানে প্রকল্প-নির্ভর হয়ে পড়ে, সেখানে IYCM স্থানীয় জনগণকে নেতৃত্ব দেয়, যাতে প্রকল্প শেষ হলেও পরিবর্তন চলমান থাকে। তারা “কমিউনিটি অনারশিপ” মডেল অনুসরণ করে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব নিশ্চিত করে।
শেষ কথা
যেখানে বিশ্বজুড়ে তরুণদের নেতৃত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন, সেখানে IYCM দেখিয়ে দিচ্ছে, বাংলাদেশের যুব সমাজ শুধু স্বপ্ন দেখেই নয়, বাস্তবেও পরিবর্তনের কারিগর হতে পারে। আজকের বাংলাদেশে, এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগই ভবিষ্যতের পথ দেখাচ্ছে।
জাতীয়
বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খবর নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রধান উপদেষ্টা
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
এনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
হাসপাতালে তিনি আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টার পর পরই পৌঁছান।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
এ সময় খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন তারা। একইদিন রাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপাসনকে। এরপর থেকে তিনি সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে রয়েছেন বলে জানিয়ে আসছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেনসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।
এনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
জাতীয়
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় এভারকেয়ারে এসএসএফ
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরা এভারকেয়ার হাসপাতালে দায়িত্বে এসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি শুরু করেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এটির আগে সোমবার বিএনপি চেয়ারপার্সনকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর প্রজ্ঞাপনে তার নিরাপত্তা ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় তার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়।
উপদেষ্টা পরিষয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, খালেদা জিয়ার হাসপাতাল চিকিৎসা নির্বিঘ্নে চলতে হবে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া তার নিরাপত্তা ও যাতায়াত সুবিধা এবং মর্যাদা বিবেচনায় তাকে ভিভিআইপি ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার এ সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস হাসপাতালে যাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা নেই।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি এবং ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য জটিলতার কারণে তাকে জরুরি ভিত্তিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা অবনতি হলে তাকে প্রথমে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে রাখা হয় এবং পরে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এসএসএফ সদস্যরা হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন এবং হাসপাতাল এলাকা জুড়ে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। এতে পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা নির্বিঘ্নে প্রবেশ করতে পারছেন। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বুধবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পর্যালোচনা করবেন।
এভাবে খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা ও চিকিৎসা দুইই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্ব সহকারে তদারকি করা হচ্ছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরা এভারকেয়ার হাসপাতালে দায়িত্বে এসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি শুরু করেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান এবং খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার এ সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। তবে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস হাসপাতালে যাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা নেই।
জাতীয়
আবারও এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, আজ সন্ধ্যা থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
ভোক্তাপর্যায়ে আবারও বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম। ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহকদের এখন থেকে গুনতে হবে ১ হাজার ২৫৩ টাকা, যা আগের দাম ১ হাজার ২১৫ টাকার চেয়ে ৩৮ টাকা বেশি। মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি এই নতুন দর ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, একই দিনের সন্ধ্যা ৬টা থেকেই দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন এই ঘোষণার আগে সর্বশেষ এলপি গ্যাসের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল ২ নভেম্বর। তখন দাম ২৬ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এভাবে বছরজুড়ে কয়েক দফায় বাড়া কমার মধ্যেই বাজারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করল ডিসেম্বরের এই মূল্য বৃদ্ধি।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, আমদানি ব্যয় এবং ডলারের ওঠানামার কারণে নিয়মিত সমন্বয় করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “ডিসেম্বর মাসের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।”
এলপি গ্যাসের পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সার চেয়ে ১ টাকা ৭৪ পয়সা বেশি। এর আগে ২ নভেম্বর অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ১৯ পয়সা কমানো হয়েছিল।
এদিকে দেশের জ্বালানি বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেখা গেল বাড়তি চাপ। ১ ডিসেম্বর থেকে লিটারপ্রতি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ২ টাকা করে বাড়িয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন প্রাইসিং ফর্মুলা অনুযায়ী বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করতে হচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম। ডিসেম্বরের জন্য যে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, তা তুলনামূলক সাশ্রয়ী সরবরাহ নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এই দুই দিনের ধারাবাহিক ঘোষণায় ভোক্তারা নতুন করে ব্যয় বৃদ্ধির চাপ অনুভব করতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে রান্নাবান্না, পরিবহন ও দৈনন্দিন খরচে এর প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরতা কমানো না গেলে এই ধরনের ওঠানামা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে।
ভোক্তাপর্যায়ে আবারও বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম। ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের জন্য গ্রাহকদের এখন থেকে গুনতে হবে ১ হাজার ২৫৩ টাকা, যা আগের দাম ১ হাজার ২১৫ টাকার চেয়ে ৩৮ টাকা বেশি। মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি এই নতুন দর ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, একই দিনের সন্ধ্যা ৬টা থেকেই দাম কার্যকর হয়েছে।
জাতীয়
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ও টেস্ট পরীক্ষা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের আন্দোলন: ছাড় পাবে না কেউ—হুঁশিয়ারি শিক্ষা উপদেষ্টার
টাঙ্গাইল দর্পন অনলাইন ডেস্ক:
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন, “মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দেশের বিভিন্ন স্থানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদেরকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।”
ড. সি আর আবরার বলেন, “মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনের নামে যা করছেন, তা সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য আপনাদের কিন্তু তৈরি থাকতে হবে। এখানে সরকার একেবারে দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। আমরা অবশ্যই মনে করি যে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যে অবস্থান নিয়েছেন, যেমন অনেক স্কুলে পরীক্ষা হয়েছে আবার অনেক স্কুলে হয়নি, এটা একেবারেই অনভিপ্রেত একটি ঘটনা।”
‘এটা অন্যায়, অন্যায্য যে, তারা নবম গ্রেডে আসতে চাচ্ছে। কারণ চাকরি যখন নিয়েছিলেন তারা জানতেন তারা দশম গ্রেডে থাকবেন। সেখান থেকে নবম গ্রেডের এই দাবি, এটা তাদের চাকরির শর্তের মধ্যে মোটেই ছিল না। সুতরাং এটা একটা অন্যায্য ও অন্যায় দাবি। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে নবম গ্রেডে বিসিএস এডমিন ক্যাডাররা আসেন। কাজেই এটা এককভাবে তাদের সাথে সমাধানের কোনো বিষয় না। এটা হচ্ছে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বিষয়। এই পদে যে কেউ হুট করে চাইলেই যেতে পারে না’-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “নবম গ্রেডে যাওয়ার ক্ষেত্রে কম্পারেটিভ একটা বিষয় এখানে রয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, দিন দুয়েক আগে তারা এই দাবি উত্থাপন করেছে। এমন সময় যখন তাদের স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। অথবা কোন কোন জায়গায় বার্ষিক পরীক্ষা বা টেস্ট পরীক্ষা যখন হবে। মূলত তারা যে হাতিয়ারটা ব্যবহার করছেন সেটা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অস্ত্র হিসেবে তারা ব্যবহার করছেন। যেটা শিক্ষক হিসেবে চরম একটি অনৈতিক কাজ তারা করছেন। উপদেষ্টা বলেন, কাজেই আমরা তাদের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করছি এবং আমরা তাদেরকে বলছি যে, আপনারা মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা নেন। অন্যথায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিধি লঙ্ঘনের দায়ে যে, শাস্তি রয়েছে সেগুলোর জন্য আপনাদের কিন্তু তৈরি থাকতে হবে।”
‘এখানে সরকার একেবারে দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান ব্যক্ত করছে। পরীক্ষায় কোনো রকমের আপস এখানে হবে না। পরীক্ষা আপনাদেরকে নিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের উপরে যে চাপ এবং অভিভাবকদের উপরেও যে চাপ সেটা যেন লাঘব হয়। সমস্ত জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা সকলেই জানাচ্ছেন, পরীক্ষা দিতে ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহী, অভিভাবকরা আগ্রহী। তবে একটি অংশ পরীক্ষা নিচ্ছে না। আমি বলবো, শিক্ষকরা তাদের স্কুলের পরীক্ষা নেবেন। অন্যথায় তারা শাস্তির মুখোমুখি হবেন’-যোগ করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন, “মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দেশের বিভিন্ন স্থানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদেরকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।”
ড. সি আর আবরার বলেন, “মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনের নামে যা করছেন, তা সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য আপনাদের কিন্তু তৈরি থাকতে হবে। এখানে সরকার একেবারে দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। আমরা অবশ্যই মনে করি যে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যে অবস্থান নিয়েছেন, যেমন অনেক স্কুলে পরীক্ষা হয়েছে আবার অনেক স্কুলে হয়নি, এটা একেবারেই অনভিপ্রেত একটি ঘটনা।”
‘এটা অন্যায়, অন্যায্য যে, তারা নবম গ্রেডে আসতে চাচ্ছে। কারণ চাকরি যখন নিয়েছিলেন তারা জানতেন তারা দশম গ্রেডে থাকবেন। সেখান থেকে নবম গ্রেডের এই দাবি, এটা তাদের চাকরির শর্তের মধ্যে মোটেই ছিল না। সুতরাং এটা একটা অন্যায্য ও অন্যায় দাবি। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে নবম গ্রেডে বিসিএস এডমিন ক্যাডাররা আসেন। কাজেই এটা এককভাবে তাদের সাথে সমাধানের কোনো বিষয় না। এটা হচ্ছে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বিষয়। এই পদে যে কেউ হুট করে চাইলেই যেতে পারে না’-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “নবম গ্রেডে যাওয়ার ক্ষেত্রে কম্পারেটিভ একটা বিষয় এখানে রয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, দিন দুয়েক আগে তারা এই দাবি উত্থাপন করেছে। এমন সময় যখন তাদের স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। অথবা কোন কোন জায়গায় বার্ষিক পরীক্ষা বা টেস্ট পরীক্ষা যখন হবে। মূলত তারা যে হাতিয়ারটা ব্যবহার করছেন সেটা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অস্ত্র হিসেবে তারা ব্যবহার করছেন। যেটা শিক্ষক হিসেবে চরম একটি অনৈতিক কাজ তারা করছেন। উপদেষ্টা বলেন, কাজেই আমরা তাদের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করছি এবং আমরা তাদেরকে বলছি যে, আপনারা মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা নেন। অন্যথায় সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিধি লঙ্ঘনের দায়ে যে, শাস্তি রয়েছে সেগুলোর জন্য আপনাদের কিন্তু তৈরি থাকতে হবে।”
‘এখানে সরকার একেবারে দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান ব্যক্ত করছে। পরীক্ষায় কোনো রকমের আপস এখানে হবে না। পরীক্ষা আপনাদেরকে নিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের উপরে যে চাপ এবং অভিভাবকদের উপরেও যে চাপ সেটা যেন লাঘব হয়। সমস্ত জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা সকলেই জানাচ্ছেন, পরীক্ষা দিতে ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহী, অভিভাবকরা আগ্রহী। তবে একটি অংশ পরীক্ষা নিচ্ছে না। আমি বলবো, শিক্ষকরা তাদের স্কুলের পরীক্ষা নেবেন। অন্যথায় তারা শাস্তির মুখোমুখি হবেন’-যোগ করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।
জাতীয়
২০০৯ সালে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আ. লীগ দলগত ভাবে জড়িত, প্রধান সমন্বয়কারী ফজলে নূর তাপস : তদন্ত কমিশন
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের দীর্ঘ তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলগত সম্পৃক্ততার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের মতে, পুরো পরিকল্পনার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য ও পরবর্তী সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।
আজ ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তুলে দেন কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আ ল ম ফজলুর রহমান এবং অন্যান্য সদস্যরা। এরপর প্রধান উপদেষ্টার উপ–প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বিষয়টি জানান।
প্রতিবেদন গ্রহণের সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতি বহুদিন অন্ধকারে ছিল। দীর্ঘদিনের প্রশ্নের উত্তর মিলবে এই প্রতিবেদনে। তাঁর কথায়, “সত্য উদঘাটনে আপনারা যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণ করবে।” তিনি মনে করেন, এই প্রতিবেদন ভবিষ্যতের জন্যও মূল্যবান একটি দলিল হয়ে থাকবে।
কমিশন প্রধান ফজলুর রহমান জানান, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। ষোল বছর আগের ঘটনার বহু আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কাজটি কঠিন ছিল। অনেক সাক্ষী বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। তবুও দুই ধরনের প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। কেউ কেউ আট ঘণ্টা ধরে বক্তব্য দিয়েছেন। তদন্তে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের পূর্ববর্তী রিপোর্টও সংগ্রহ করা হয়।

তিনি বলেন, জনমনে থাকা প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে। সেনাবাহিনী কেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি, কার ভূমিকা কী ছিল, সবকিছু বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “তদন্তে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্ত প্রমাণ পাওয়া গেছে।”
কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার তাদের অনুসন্ধানের ফল তুলে ধরে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ছিল এবং পুরো অপারেশনের সমন্বয় করেছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি জানান, অভিযুক্তদের বাঁচাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সরাসরি মিছিলে অংশ নেয়। পিলখানায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল প্রবেশ করে এবং বের হওয়ার সময় তা দুই শতাধিক হয়েছিল। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনার পেছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রীণ সিগন্যাল’ ছিল।
জাহাঙ্গীর কবির আরো বলেন, দায় তৎকালীন সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানের ওপরও বর্তায়। তিনি পুলিশের পাশাপাশি র্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর চরম ব্যর্থতার কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি কিছু গণমাধ্যমকর্মীর অপেশাদার আচরণের কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তদন্তে উল্লেখ করা হয়, যেসব বিডিআর সদস্য রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তাদের নাম–পরিচয় যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। কমিশন বলেছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে আরও ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল হাফিজ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মতে, ওই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ছিল একটি সংগঠিত ও পরিকল্পিত রাজনৈতিক অপারেশন।
পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের দীর্ঘ তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলগত সম্পৃক্ততার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের মতে, পুরো পরিকল্পনার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য ও পরবর্তী সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।



















































