ইরান হয় চুক্তি করবে, না হয় ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করবে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২৯২৬) ফক্স নিউজের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান হয় চুক্তি করবে, নাহয় 'ভয়াবহ পরিণতি' ভোগ করবে।
ট্রাম্প বলেন, 'আমি আর খুব বেশি ধৈর্য ধরছি না। তারা চুক্তি করতে পারে, না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে।' তিনি দাবি করেন, যে কোনো বিবেকবান দেশ আলোচনায় বসতে চাইবে, তবে ইরান হয়তো ভিন্ন পথে যাচ্ছে। ইসরায়েলেভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করে।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়ন করতে দেবে না, কারণ “তারা এটি ব্যবহার করবে”। ইরানের ইতিমধ্যে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন, সেটি ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকাই ভালো।
তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতির পরও ইরান সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা যা-ই করছে, আমরা সব জানি। আমরা একদিনেই সব শেষ করে দিতে পারি।”
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানায়, দুই নেতা একমত হয়েছেন যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।
ট্রাম্প বলেন, বৈঠকে চীন জানিয়েছে তারা ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহও প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২৯২৬) ফক্স নিউজের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান হয় চুক্তি করবে, নাহয় 'ভয়াবহ পরিণতি' ভোগ করবে।
আন্তর্জাতিক
ঈদের অগ্রিম টিকিট ক্রয়েও ফাঁকা কমলাপুর রেলস্টেশন, অনলাইন টিকেটে বদলিয়েছে দৃশ্য
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সেই পরিচিত দৃশ্য এবার আর নেই কমলাপুর রেল স্টেশনে। টিকিট কাউন্টারগুলো পড়ে আছে ফাঁকা, যাত্রীদের ভোগান্তিময় অপেক্ষার ছবিও দেখা যায়নি।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের চিরচেনা ভিড় এবার যেন উধাও। শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রির কারণে আজ শুক্রবার (১৫ মে) স্টেশনের কাউন্টারগুলো ফাঁকা। কোথাও দেখা যায়নি টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন কিংবা উপচে পড়া ভিড়। একই চিত্র বাস কাউন্টারগুলোতেও-চাপ কম, সহজেই মিলছে টিকিট।
ভোগান্তি কমানো এবং কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও ঈদুল আজহার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
গত ১৩ মে থেকে শুরু হওয়া অনলাইন টিকিট বিক্রির কারণে স্টেশনমুখী হননি অধিকাংশ যাত্রী।
যদিও অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। রেলওয়ের দাবি, যাত্রী ভোগান্তি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতেই ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হয়েছে।
অন্য দিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দূরপাল্লার বেসরকারি বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ৮ মে থেকে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত যেকোনো দিনের টিকিট এখন সহজেই সংগ্রহ করতে পারছেন যাত্রীরা।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘরমুখো মানুষের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে বাস ও ট্রেনে বিশেষ ট্রিপের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সেই পরিচিত দৃশ্য এবার আর নেই কমলাপুর রেল স্টেশনে। টিকিট কাউন্টারগুলো পড়ে আছে ফাঁকা, যাত্রীদের ভোগান্তিময় অপেক্ষার ছবিও দেখা যায়নি।
গত ১৩ মে থেকে শুরু হওয়া অনলাইন টিকিট বিক্রির কারণে স্টেশনমুখী হননি অধিকাংশ যাত্রী।
জাতীয়
রাজধানী ঢাকার যানজট সমস্যা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা কমানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আবারও উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সড়ক, রেল ও নগর ব্যবস্থাপনার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বৈঠকে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২০২৬) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস এমপি।
সরকারের উচ্চপর্যায়ে ঢাকার যানজট নিরসন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীতে যানবাহনের চাপ, অপরিকল্পিত সড়ক ব্যবহার এবং সমন্বয়হীন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিদিনই নাগরিকদের দীর্ঘ সময় রাস্তায় কাটাতে হচ্ছে। এ বাস্তবতায় পরিবহন ও নগর ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকার যানজট ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি দ্বিতীয় সভা। এর আগে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও নগর পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, রাজধানীর যানজট সমস্যা সমাধানে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, গণপরিবহন ব্যবস্থার সংস্কার, সড়কে শৃঙ্খলা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা কমানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আবারও উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সড়ক, রেল ও নগর ব্যবস্থাপনার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বৈঠকে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
জাতীয়
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন: শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২০২৬) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একই সঙ্গে জানানো হয়, এসএসসি পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ জুলাই।
নতুন এই রুটিন অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষার সময় আগের তুলনায় কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পরীক্ষার্থীদের সুবিধা, ভর্তি প্রক্রিয়ার সময়সূচি এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ডিসেম্বর মাসে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন অংশীজন এতে আপত্তি জানায়। পরে শিক্ষক, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর নতুন সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই পরীক্ষার সময় এমনভাবে নির্ধারণ করা হোক যাতে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে এবং উচ্চশিক্ষার ভর্তি প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত না হয়।” তিনি আরও জানান, পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তা পরে প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা বোর্ডের সূত্র জানায়, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু করে রমজান শুরুর আগেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষা জুনের মধ্যে শেষ করে ফল প্রকাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রমে সমন্বয় আনার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরীক্ষার সময় পুনর্বিন্যাস শিক্ষার্থীদের চাপ কিছুটা কমাতে পারে। তবে সময়সূচি পরিবর্তনের সঙ্গে সিলেবাস, প্রস্তুতি এবং স্কুল পর্যায়ের সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “অংশীজনদের মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজনে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার সুযোগও রাখা হয়েছে।”
২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন।
জাতীয়
ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালেয় প্রজ্ঞাপন জারি
টাঙ্গাইল দর্পণ ডেস্ক:
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সব অফিসে টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে জানিয়েছে, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ ছুটি কার্যকর থাকবে। ফলে ঈদের আগে ও পরে মিলিয়ে দীর্ঘ সময় পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব ধরনের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে ছুটির সমন্বয়ের অংশ হিসেবে ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) অফিস খোলা থাকবে। এই সিদ্ধান্তে ঈদযাত্রা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে কিছুটা পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতেই দীর্ঘ ছুটির এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল, ডাক, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
এ ছাড়া চিকিৎসা সেবা, ওষুধ ও সরঞ্জাম পরিবহন, বন্দর কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চলমান থাকবে। ব্যাংকিং কার্যক্রম ও আদালতের সেবার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট আলাদা নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ ছুটি একদিকে যেমন কর্মজীবীদের স্বস্তি দেবে, অন্যদিকে ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতি ও পরিবহন খাতে বাড়তি চাপও তৈরি করতে পারে। তবে সরকারের দাবি, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করাই মূল লক্ষ্য।
ছুটির সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে এখন থেকেই বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সব অফিসে টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
জাতীয়
ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত করল এয়ার ইন্ডিয়া
টাঙ্গাইল দর্পণ আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের সমন্বয় করেছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট কমানো ও কিছু রুটে সম্পূর্ণ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে মুম্বাই থেকে ঢাকার সরাসরি ফ্লাইটও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, জেট ফুয়েলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং আকাশপথে চলমান বিধিনিষেধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ানোর চেয়ে আগেই সূচি সমন্বয় করে শিডিউল স্থিতিশীল রাখাই তাদের লক্ষ্য।
এই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু ঢাকা নয়, শিকাগো, সাংহাই, সিঙ্গাপুর এবং মালের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গন্তব্যও প্রভাবিত হচ্ছে। বিশেষ করে এশিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বহু রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন সূচি অনুযায়ী, মুম্বাই থেকে ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট পুরোপুরি স্থগিত থাকবে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত। পাশাপাশি দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুর রুটেও সাপ্তাহিক ফ্লাইট কমানো হয়েছে। উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রে দিল্লি থেকে শিকাগো রুট আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে, একই সঙ্গে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা কমছে।
তবে কিছু রুটে সম্প্রসারণও করা হয়েছে। মুম্বাই থেকে নেওয়ার্ক রুটে এখন প্রতিদিন ফ্লাইট চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ইউরোপের প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেন রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা কিছুটা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়া আরও জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া “সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ” সংক্রান্ত তথ্য সঠিক নয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, তারা এখনো প্রতি মাসে পাঁচ মহাদেশে ১ হাজার ২০০টির বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্য রুটেও নির্দিষ্ট সংখ্যক ফ্লাইট সচল থাকবে।
কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের আশ্বস্ত করে বলেছে, যাদের ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তারা বিকল্প ফ্লাইট, বিনামূল্যে তারিখ পরিবর্তন অথবা সম্পূর্ণ অর্থ ফেরতের সুবিধা পাবেন। যাত্রীদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যাচাইকৃত চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং আকাশপথ ব্যবস্থাপনার চাপ এখন বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতকে নতুন করে কৌশল পুনর্বিন্যাসে বাধ্য করছে। এয়ার ইন্ডিয়ার এই সিদ্ধান্ত তারই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস
আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের সমন্বয় করেছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট কমানো ও কিছু রুটে সম্পূর্ণ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে মুম্বাই থেকে ঢাকার সরাসরি ফ্লাইটও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস
আন্তর্জাতিক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন
আজ ১৪ মে, ২০২৬ চীনে রাষ্ট্রীয় সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের বিখ্যাত 'টেম্পল অব হেভেন' পরিদর্শন করেছেন।
সি চিন পিং টেম্পল অব হেভেনের ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ ট্রাম্পকে স্বাগত জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস'-এর চত্বরে একসঙ্গে ছবি তোলেন।
দুই রাষ্ট্রপ্রধান সিঁড়ি বেয়ে ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ প্রবেশ করেন এবং মর্টিস ও টেনন জোড়ের নিখুঁত সংযোগ, জ্যোতির্বিদ্যা, পঞ্জিকা ব্যবস্থা ও প্রাসাদ কাঠামোর যথাযথ সমন্বয়ের মতো স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলো উপভোগ করেন। তাঁরা সবকিছুর মধ্যে সামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা অনুসরণের ধারণাটি অনুভব করেন।
সি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর অবস্থিত ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ আমরা যে টেম্পল অফ হেভেন পরিদর্শন করছি, সেটি ফরবিডেন সিটির সমবয়সী, যা “গোলাকার স্বর্গ ও বর্গাকার পৃথিবীর” প্রতীক এবং চীনা বিশ্বদৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে তুলে ধরে। প্রাচীন চীনা শাসকেরা জাতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করতে টেম্পল অফ হেভেনে বিশাল বলিদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন, যা এই ঐতিহ্যবাহী চীনা চিন্তাধারাকে প্রতিফলিত করে যে জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং একটি স্থিতিশীল ভিত্তি জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। চীনা সভ্যতার জনকেন্দ্রিক দর্শনকে উত্তরাধিকার সূত্রে গ্রহণ ও বিকশিত করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সর্বদা আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করার মৌলিক নীতি মেনে চলেছে, যার ফলে জনগণের দৃঢ় সমর্থন ও আন্তরিক অনুমোদন লাভ করেছে।
ট্রাম্প বলেন যে, বহু বছর আগে ফরবিডেন সিটিতে তার সেই সফরের স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। স্বর্গ মন্দির বা টেম্পল অব হেভেন ৬০০ বছরেরও বেশি সময় পরেও, চীনের অনবদ্য ধ্রুপদী স্থাপত্যশিল্প এবং গভীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মহিমায় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, যা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই মহান রাষ্ট্র এবং উভয় দেশের জনগণই মহান ও জ্ঞানী। দুই দেশের উচিত পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করা এবং জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। সূত্র: সিআরআই বাংলা
আন্তর্জাতিক
জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্যপদ পেলেন ৪৪১ জন: অনিয়ম ও দলীয়করণের অভিযোগে উত্তাল সাংবাদিক অঙ্গন
মোঃ অলি উদ্দিন মিলন:
জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যপদ প্রদানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি ৪৪১ জন সাংবাদিককে ক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি তালিকায় এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের নাম আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বিতর্কের মূলে যা রয়েছে;
সাধারণ সাংবাদিকদের অভিযোগ, এই সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের চেয়ে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, পেশাদারদের অবমূল্যায়ন: দীর্ঘ বছর ধরে সাংবাদিকতা করা অনেক সিনিয়র ও যোগ্য সংবাদকর্মী সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
দলীয়করণ:
নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিদের গণহারে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে ক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়, যেখানে ৪৪১ জনের সদস্যপদ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক তাদের টাইমলাইনে এই তালিকা শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রেসক্লাবের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন "পাইকারি হারে" সদস্যপদ প্রদান এর ঐতিহ্য ও গাম্ভীর্যকে ক্ষুণ্ণ করবে।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের অবস্থান;
যদিও ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বাছাই প্রক্রিয়াকে 'নিয়মতান্ত্রিক' দাবি করা হয়েছে, তবে সদস্য পদের সংখ্যার আধিক্য এবং বাছাইকৃতদের যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো ধামাচাপা পড়ছে না। সমালোচকদের মতে, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতেই এই বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার (সদস্য) তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের দ্বিতীয় নিবাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সদস্যপদ প্রদান নিয়ে বারবার ওঠা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সাধারণ সাংবাদিকদের দাবি, সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে যেন কঠোরভাবে পেশাদারিত্ব ও যোগ্যতাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যপদ প্রদানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি ৪৪১ জন সাংবাদিককে ক্লাবের প্রাথমিক সদস্যপদ প্রদান করা হয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ১২ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত একটি তালিকায় এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের নাম আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
সাধারণ সাংবাদিকদের অভিযোগ, এই সদস্যপদ প্রদানের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের চেয়ে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, পেশাদারদের অবমূল্যায়ন: দীর্ঘ বছর ধরে সাংবাদিকতা করা অনেক সিনিয়র ও যোগ্য সংবাদকর্মী সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিদের গণহারে সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে ক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
যদিও ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বাছাই প্রক্রিয়াকে 'নিয়মতান্ত্রিক' দাবি করা হয়েছে, তবে সদস্য পদের সংখ্যার আধিক্য এবং বাছাইকৃতদের যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো ধামাচাপা পড়ছে না। সমালোচকদের মতে, ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতেই এই বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার (সদস্য) তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয়
শত্রু র মোকাবেলায় হরমুজ প্রণালীতে নামল ইরানের ‘ডলফিন সাবমেরিন’
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার শত্রু জাহাজ মোকাবেলায় হরমুজ প্রণালীতে নাদাজা পদ্ধতির হালকা সাবমেরিন মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এক ভাষণে বলেছেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি হালকা সাবমেরিনগুলো শত্রুর হুমকি মোকাবেলায় সক্ষমতা প্রদর্শন এবং প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালীর বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে অবস্থান নিতে পারে।
ইরানি অ্যাডমিরাল আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হরমুজ প্রণালীর পানির গভীরে সমুদ্রতলে অবস্থান করা এবং বিভিন্ন শত্রু জাহাজকে বাধা দেওয়া ও ধ্বংস করা নৌবাহিনীর হালকা সাবমেরিনগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই সাবমেরিনগুলো "পারস্য উপসাগরের ডলফিন" নামে পরিচিত।
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার জোর দিয়ে বলেছেন, "হরমুজ প্রণালীতে দেনা ডেস্ট্রয়ারের শহীদদের নাম ও স্মরণে আয়োজিত এক অভিযানে আমাদের দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার সক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য পারস্য উপসাগরের ডলফিনগুলো পানির উপরে উঠে এসেছিল এবং কয়েকটি প্রদর্শনীমূলক মহড়া শেষে তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য আবার গভীর সমুদ্রে ফিরে গেছে।"#
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার শত্রু জাহাজ মোকাবেলায় হরমুজ প্রণালীতে নাদাজা পদ্ধতির হালকা সাবমেরিন মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক
অবশেষে নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে বিজয়ের শপথ গ্রহণ, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এখন থালাপতি বিজয়
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ রাজনৈতিক নাটকীয়তা, জোটের হিসাব-নিকাশ আর টানা বৈঠকের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) নেতা সি জোসেফ বিজয়, যিনি ‘থালাপতি বিজয়’ নামেই বেশি পরিচিত।
আজ রোববার (১০ মে, ২০২৬) চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যের গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডে এ তথ্য জানিয়েছে।
তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজয়ের দল টিভিকে এককভাবে পায় ১০৮টি আসন। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ছুঁতে না পারায় কয়েক দিন ধরেই জোট গঠন নিয়ে তীব্র আলোচনা চলছিল। শুক্রবার পর্যন্ত সমর্থন ১১৬ আসনে আটকে থাকায় গভর্নর সরকার গঠনের আহ্বান জানাননি।
পরিস্থিতি বদলে যায় শনিবার। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের জোটকে সমর্থন দিলে সমীকরণ পাল্টে যায়। কংগ্রেস, সিপিআই এবং সিপিআই(এম) এর সমর্থনপত্রও গভর্নরের কাছে জমা দেন বিজয়। সব মিলিয়ে জোটের শক্তি দাঁড়ায় ১২০ আসনে।
৫১ বছর বয়সী বিজয় নির্বাচনে দুটি আসন থেকে জয় পেয়েছেন। ফলে একটি আসন ছাড়তে হবে তাকে। এরপরও সরকার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারবে তার জোট।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ছিলেন বিজয়ের বাবা-মা, অভিনেত্রী ত্রিশা কৃষ্ণান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, চলচ্চিত্র অঙ্গনের তারকা ও সমর্থকেরা। বিজেপির রাজ্য পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন এন আনন্দ, আধব অর্জুন, রাজমোহন, নির্মল কুমার, পি ভেঙ্কটরামানান, কে জি অরুণ রাজ, কে এ সেনগোট্টাইয়ান, টি কে প্রভু ও সেলভি এস কীর্তনা।
ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সরকার শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক মোড়ও। প্রায় ছয় দশক ধরে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো শক্তি রাজ্যে সরকার গঠন করতে পারেনি। সেই ধারাই ভেঙে দিলেন চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয়।
জোট গঠনের পর দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিজয় বলেন, “কঠিন সময়ে যখন অনেকে আস্থা রাখেননি, তখন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেছিলেন আমরা পারব।” সেখানে তিনি বিশেষভাবে রাহুল গান্ধীসহ কয়েকজন নেতার নামও উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জনপ্রিয়তা, তরুণ ভোটারদের সমর্থন এবং জোট কৌশল, এই তিনের সমন্বয়েই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় চমক দেখাতে পেরেছেন থালাপতি বিজয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক নাটকীয়তা, জোটের হিসাব-নিকাশ আর টানা বৈঠকের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) নেতা সি জোসেফ বিজয়, যিনি ‘থালাপতি বিজয়’ নামেই বেশি পরিচিত।
আন্তর্জাতিক
শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়ায় কথার যুদ্ধ না চালিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন: জামায়াত আমির
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।
এসময় পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হলে তারা তার বিপক্ষে থাকবেন। এমনকি কোনো গোষ্ঠী তাদের ক্ষতি করে থাকলেও, সেই গোষ্ঠী যদি নির্যাতিত হয়, তাহলে তারা মজলুমের পক্ষেই অবস্থান নেবেন। ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার ভোগের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। বিশেষ কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে যেন ক্ষতি সাধন করা না হয় এ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।
পুশইনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জামায়াতের ভূমিকা জনগণ দেখতে পাবে। কোনো অন্যায়ের ব্যাপারেই তারা নীরব থাকবেন না। প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করা হলেও কেউ বাংলাদেশকে অপমান করুক সেটিও তারা চান না।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
রাজনীতি
দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার, শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার দুপুর ১২টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
আজ ০৯ মে, ২০২৬ শনিবার এক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার এ তথ্য জানিয়েছে।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই সমগ্র কলকাতা শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল। ব্রিগেডের ময়দানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানের শুরুতে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য সভাস্থলে প্রবেশ করেন। এ সমং উপস্থিত জনতার অভিবাদনের জবাবে হাত নাড়েন।
মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শুভেন্দু অধিকারীর এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি কার্যত ভারতীয় রাজনীতির নক্ষত্র সমাবেশে পরিণত হয়েছিল। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি ও শিবরাজ সিংহ চৌহানের মতো শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা-যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, চন্দ্রবাবু নায়ডু, মানিক সাহা ও সম্রাট চৌধরি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতি মঞ্চের জৌলুস আরও বাড়িয়ে দেয়।
নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বিধানসভায় তার দাপ্তরিক কক্ষ সাজানোর কাজ সম্পন্ন করেছেন। সেখান থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আজকের এই ঐতিহাসিক ক্ষণের সাক্ষী হতে দূর-দূরান্তের জেলা থেকে শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশনে কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ড্রোনের মাধ্যমে কড়া নজরদারি এবং কড়া পুলিশি পাহারায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই বর্ণাঢ্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার দুপুর ১২টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক
জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে।
তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।
তাঁর ভাষায়, “জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।”
অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে।
রাজনীতি
কফিন ধরেই নির্বাক বাবা-মা; স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা থাকলেও বৃষ্টি ফিরেছেন লাশ হয়ে!
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছাল। পড়ালেখা শেষ করে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। কিন্তু সেই ফেরা হলো কফিনবন্দি লাশ হয়ে। স্বপ্ন যেন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে কফিন ধরে বাবা-মায়ের আহাজারি আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
মরদেহ গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন তার মা-বাবা, মামাসহ পরিবারের সদস্যরা। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে একটি হায়েস গাড়িতে করে তারা বিমানবন্দরে আসেন। এ সময় তাদের শোকে বিহ্বল দেখা যায়।
জানা গেছে, মরদেহবাহী কফিনটি বিমানবন্দরে আনার পর স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। কেউ কফিন ছুঁয়ে শেষবারের মতো বৃষ্টিকে ডাকছিলেন, আবার কেউ নির্বাক দাঁড়িয়ে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরে বাদ আসর নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হবে।
ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটসের ইকে-০২২০ ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে এমিরেটসের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। মরদেহ বিমানে তোলার সময় অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুেলটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একই ঘটনায় নিহত জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে পৌঁছায়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জামিল আহমেদ লিমন (২৭) যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। অন্যদিকে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছাল। পড়ালেখা শেষ করে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। কিন্তু সেই ফেরা হলো কফিনবন্দি লাশ হয়ে। স্বপ্ন যেন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে কফিন ধরে বাবা-মায়ের আহাজারি আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একই ঘটনায় নিহত জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে পৌঁছায়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জামিল আহমেদ লিমন (২৭) যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। অন্যদিকে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
আন্তর্জাতিক
নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রাধিকার নিশ্চিতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি তরুণদের
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ঢাকায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ুকর্মীরা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সেক্টর মহাপরিকল্পনায় (ইপিএসএমপি) নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তরুণেরা।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসব দাবি জানানো হয়। ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও ইয়ুথ ফর এনডিসির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী অংশ নেন। ব্যানার, পোস্টার ও স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানির আর্থিক চাপ এবং পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন। ‘ভুয়া সমাধান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি চাই’—এমন স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
সমাবেশে ইয়ুথনেট গ্লোবাল নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, দ্রুত ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে হবে। খসড়া ইপিএসপিএম-এ নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমদানিনির্ভর ব্যয়বহুল এলএনজির আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই, এখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে।
ইয়ুথ ফর এনডিসির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আমানউল্লাহ পরাগ বলেন, বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা, অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার মূল্য আমরা আর দিতে পারি না। বিদ্যুৎ-জ্বালানির খরচ বহন করতে গিয়ে আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং প্রতিদিন বেঁচে থাকা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। আমাদের আরও সাশ্রয়ী জ্বালানি দরকার, আর সে জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে।
এবারের জলবায়ু ধর্মঘট এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে উচ্চমূল্যে এলএনজি, তেল ও কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় রুপ্তানিমুখী শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশকে বারবার বৈশ্বিক সংকটে চ্যালেঞ্জে পড়তে হচ্ছে। দাম বাড়ছে এবং বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের চাপে সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত। তাঁরা সতর্ক করেন, নতুন করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হলে এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর।
জলবায়ুকর্মীরা স্মরণ করিয়ে দেন, সরকারি ভবনগুলোতে ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পূর্বঘোষিত লক্ষ্য এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
জলবায়ুকর্মীরা বলেন, সৌর সরঞ্জামের ওপর উচ্চ কর, বিনিয়োগে জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাধা তৈরি করছে। তাই সৌর সরঞ্জামের ওপর কর কমানো, দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের দাবি জানান তাঁরা। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) সম্প্রসারণের সাম্প্রতিক সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও তরুণেরা বলেন, শুধু নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়—বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।
তরুণদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যানসিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব আরও বেশি, কারণ দেশটি এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। তিনি বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা নিচ্ছে, যা ইতিবাচক। তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট কৌশল ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল বলেন, চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের বাস্তবতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আমাদের স্বাধীনতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, একই সময়ে দেশের ৫০টি জেলায়ও অনুরূপ জলবায়ু ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হয়েছে, যেখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ঢাকায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ুকর্মীরা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সেক্টর মহাপরিকল্পনায় (ইপিএসএমপি) নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তরুণেরা।
জাতীয়
দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়: নওগাঁর আত্রাইয়ে মির্জা ফখরুল
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়।
আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।
তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়।
তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়।
রাজনীতি
আবারও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার মাঝে নতুন উত্তেজনা
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠেছে।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মার্কিন বাহিনী তাদের ভূখণ্ড ও জলসীমায় বিনা উস্কানিতে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর খামির ও সিরিক সংলগ্ন বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
এর প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে এবং চাবাহার বন্দরের দক্ষিণে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর আক্রমণ চালায়।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকার মাধ্যমে হামলা চালায় ইরান। ইউএসএস ট্রক্সটুন, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা ও ইউএসএস মেসন নামক তিনটি ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়েছিল বলে পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বাহিনী কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে ইরানের সেই সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে যেখান থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছিল। তবে এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পদের ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
পুরো ঘটনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে মন্তব্য করেছেন। এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হামলাকে ‘জাস্ট আ লাভ ট্যাপ’ (সামান্য আঘাত) হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর আছে। তবে কেউ আমাদের সঙ্গে ছিনিমিনি খেললে আমরা বসে থাকব না।
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক
‘আ.লীগ ৫ বছরে যা করতে পারেনি, আমরা তা ২ মাসেই করেছি’: হুইপ জি কে গউছ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
তিনি বলেন, আমরা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন চাই। নিজেরা কেউ দুর্নীতি করব না, অন্যকেও দুর্নীতি করতে দেব না।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এখন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের সময় দেওয়া অমোচনীয় কালি আঙুল থেকে মুছার আগেই আমরা নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করবে। ইতোমধ্যেই আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ওয়াদা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দল বলেছিল দেশের মায়েদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। সেটিও দেওয়া শুরু হয়েছে। আগামী মাস থেকে হবিগঞ্জেও ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হবে। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ক্ষমতায় গেলে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। পহেলা বৈশাখ সারা দেশে কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। এভাবে বিএনপি মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছে।
হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে র্যা লিটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, হাজী এনামুল হক, শ্রমিক দল সভাপতি ইসলাম তরফদার তনু, সাধারণ সম্পাদক এসএম বজলুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, যুবদল আহ্বায়ক জালাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু প্রমুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনীতি
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
জাতীয়
আলোচিত শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।
এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
























































