ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল ৩ দিনের রিমান্ডে
টাঙ্গাইল দর্পণ অনলাইন ডেস্ক:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অস্ত্র বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলালকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল, ২০২৬) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
একই দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা। রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশীদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। আদালতের প্রশ্নে হেলাল জানান, তার কোনো বক্তব্য নেই। পরে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাদি হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি নরসিংদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, ঘটনাস্থলে পাওয়া গুলি ও কার্তুজ ওই পিস্তল থেকেই ছোড়া হয়েছিল। মাইক্রো বিশ্লেষণের মাধ্যমে অস্ত্রটির সিরিয়াল নম্বরও শনাক্ত করা হয়েছে।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অস্ত্রটি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান আমদানি করে পরে বিভিন্ন পর্যায়ে বিক্রি হয়ে চট্টগ্রামের একটি অস্ত্রের দোকানে পৌঁছায়। ওই দোকানের মালিকই গ্রেপ্তার হওয়া হেলাল। তার লাইসেন্স ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবায়ন ছিল, এরপর আর তা নবায়ন করা হয়নি। কীভাবে এই অস্ত্রটি আসামিদের হাতে গেল, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের চকবাজার থানার হারেছ শাহ মাজার লেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সিআইডি তাকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় প্রথমে হত্যাচেষ্টা মামলা হলেও পরবর্তীতে তা হত্যা মামলায় রূপ নেয়। তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে মামলার বাদী নারাজি দিলে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দেয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “অস্ত্রটি কীভাবে হাতবদল হয়ে হামলাকারীদের কাছে পৌঁছেছে, সেটিই এখন তদন্তের মূল বিষয়।” এজন্য হেলালকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অস্ত্র বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলালকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদালত।
জাতীয়
বর্ণিল আয়োজনে পুরান ঢাকায় বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপন
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
পুরান ঢাকায় বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের রঙিন পোশাকে সেজে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকটি।
আজ মঙ্গলবার সকালের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীজুড়ে শুরু হয় নববর্ষের আয়োজন। বিশেষ করে পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ছিলো বর্ণিল আয়োজন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ঐতিহ্য ধরে রাখতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।
গেন্ডারিয়ার কিশোলয় চারুকারু মেলা প্রতিষ্ঠানে গানে ও কবিতায় নতুন বছরকে স্বাগত জানায় শিক্ষার্থীরা। সন্তানের আয়োজনে অংশ নেন অভিভাবকরাও।
ঐতিহ্যবাহী আহসান মঞ্জিলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। শিশুদের গান ও নৃত্যে মেতে ওঠে উপস্থিত দর্শনার্থীরা। একইসঙ্গে পান্তা ভাত ও মাছের আয়োজন ছিলো দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। নববর্ষকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা; নতুন বছর বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
এসময় দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম মেহেদি উৎসব ও পান্তা ভাতের আয়োজনে অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘বৈশাখের আনন্দ ধরে রাখতে নগরকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে হবে।’ পাশাপাশি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নেচে-গেয়ে অংশ নেন। ক্যাম্পাসে বসে বৈশাখী মেলা, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খাবারের দোকান ছিলো দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
পুরান ঢাকায় বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ। শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের রঙিন পোশাকে সেজে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকটি।
জাতীয়
টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিনিধি:
পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে দিয়ে দেশব্যাপী ২২ হাজার কৃষকের কাছে পৌঁছে গেল কৃষক কার্ডের সুবিধা।
টাঙ্গাইলে আয়োজিত আজ মঙ্গলবার সকালে এক বিশাল জনসভা থেকে দেশব্যাপী ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেনে তিনি।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা ও ভর্তুকি পৌঁছে দেওয়ার নতুন পথ প্রশস্ত হলো।
বেলা ১১টার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্ড বিতরণের এই মহতী উদ্যোগের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতাকে সাথে নিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেন।
কম্পিউটারের মাউসে ক্লিক করার আগে তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, "এখানে এই কম্পিউটারের একটি সুইচ টিপলে আমাদের সারা বাংলাদেশের প্রায় ২২ হাজার কৃষকের কাছে সরকারের দেওয়া এই সুবিধা পৌঁছে যাবে। আমরা আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করবো।" এরপর জনতাকে সাথে নিয়ে উচ্চস্বরে 'বিসমিল্লাহ' এবং 'ওয়ান-টু-থ্রি' কাউন্টডাউনের মাধ্যমে তিনি সুইচ টিপে ঐতিহাসিক এই কার্যক্রমের সূচনা করেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওয়ানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তার যাত্রাপথে রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার সমর্থক ও সাধারণ মানুষ ভিড় জমান। প্রধানমন্ত্রীও সহাস্যে গাড়ির ভেতর থেকে হাত নেড়ে সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
এদিকে গতকাল সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পায়নে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে এ বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হবে। টাঙ্গাইলে উদ্বোধনী দিনে ১৫০০ জন কৃষকের হাতে ব্যক্তিগতভাবে এ কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এ যুগান্তকারী কর্মসূচির শুভ সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।’
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষক কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এগুলো হলো, প্রাক পাইলটিং (পরীক্ষামূলক), পাইলটিং ও দেশব্যাপী কার্যক্রম। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যচাষি বা আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারি ও দুগ্ধ খামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণচাষিও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রাক-পাইলটিংয়ের জন্য ব্যয় হবে প্রায় আট কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাক-পাইলটিংয় শেষ হওয়ার পর আগামী আগস্ট পর্যন্ত ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী চার বছরে সারা দেশে এই কার্ড বিতরণ ও তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ওই ১১টি ব্লকের কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণ চাষিকে ‘কৃষক কার্ড’ দেয়া হবে। এটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড। সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় পর্যায়ের শাখায় সংশ্লিষ্ট কৃষকদের নামে এই কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভূমিহীন কৃষক ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ এবং বড় কৃষক ৯১ জন।
এর মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকাও নগদ দেয়া হবে। ২২ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কার্ড পাওয়া কৃষকরা ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। এগুলো হলো ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা পাবেন কৃষকরা।
পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে দিয়ে দেশব্যাপী ২২ হাজার কৃষকের কাছে পৌঁছে গেল কৃষক কার্ডের সুবিধা।
এর মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকাও নগদ দেয়া হবে। ২২ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
জাতীয়
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে কে এগিয়ে...কনকচাঁপা না বেবী নাজনীন?
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দেশের দুই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও বেবী নাজনীন।
শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কনকচাঁপা সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে বেবী নাজনীন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) আসনের জন্য ফরম সংগ্রহ করেন। তিনি আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) ফরম জমা দেবেন বলে জানা গেছে।
প্রতিক্রিয়ায় কনকচাঁপা জানান, দলে দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও অবদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।
অন্যদিকে বেবী নাজনীন বলেন, দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক আনুগত্য এবং দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বিবেচনায় তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার আশা রাখেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভীনও একই আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দেশের দুই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ও বেবী নাজনীন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কনকচাঁপা সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে বেবী নাজনীন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) আসনের জন্য ফরম সংগ্রহ করেন। তিনি আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) ফরম জমা দেবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভীনও একই আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনীতি
দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ, সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার টানা আলোচনার পরও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই বহুল প্রত্যাশিত বৈঠক শেষ হয়েছে অচলাবস্থার মধ্যেই। তবে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান, বরং কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রাখার ওপরই জোর দিচ্ছে দেশটি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া এই ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হয়েছিল শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক সংঘাতসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু উঠে আসে।
তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও দুই পক্ষের অবস্থান কাছাকাছি আসেনি। সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স বলেন, “আমরা ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারিনি। ইরান আমাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।” তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইরান স্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, কিন্তু সেই নিশ্চয়তা মেলেনি।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশটির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “যুক্তরাষ্ট্র মূলত আলোচনা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছিল। তারা নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসতে চায়নি।” একইসঙ্গে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা আলোচনায় তাড়াহুড়ো করছে না এবং পরবর্তী বৈঠকের কোনো তারিখও নির্ধারিত হয়নি।
এই আলোচনায় হরমুজ প্রণালি ছিল অন্যতম বড় বিতর্কের বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। একদিকে ওয়াশিংটন বলছে এই প্রণালি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, আবার অন্যদিকে এটিকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখছে। ফলে এই দ্বৈত অবস্থান সমাধানের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাকিস্তান শুরু থেকেই এই আলোচনাকে সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, “এই আলোচনা শেষ হলেও যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়নি। বরং এটি একটি সুযোগ, যাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্ত করে নতুন করে আলোচনার পথ তৈরি করা যায়।” তিনি আরও জানান, পাকিস্তান চায় সব পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে যাক।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন এবং সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক শান্তির ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু একসঙ্গে থাকায় স্বল্প সময়ে কোনো বড় অগ্রগতি পাওয়া কঠিনই ছিল। তবে এই আলোচনা ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরবর্তী ধাপে কতটা নমনীয় অবস্থান নেয় এবং নতুন করে আলোচনায় বসতে সম্মত হয় কি না।
দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার টানা আলোচনার পরও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই বহুল প্রত্যাশিত বৈঠক শেষ হয়েছে অচলাবস্থার মধ্যেই। তবে আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছে পাকিস্তান, বরং কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রাখার ওপরই জোর দিচ্ছে দেশটি।
অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশটির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “যুক্তরাষ্ট্র মূলত আলোচনা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছিল। তারা নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরে আসতে চায়নি।” একইসঙ্গে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা আলোচনায় তাড়াহুড়ো করছে না এবং পরবর্তী বৈঠকের কোনো তারিখও নির্ধারিত হয়নি।
এই আলোচনায় হরমুজ প্রণালি ছিল অন্যতম বড় বিতর্কের বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। একদিকে ওয়াশিংটন বলছে এই প্রণালি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, আবার অন্যদিকে এটিকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখছে। ফলে এই দ্বৈত অবস্থান সমাধানের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাকিস্তান শুরু থেকেই এই আলোচনাকে সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বলেন, “এই আলোচনা শেষ হলেও যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়নি। বরং এটি একটি সুযোগ, যাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্ত করে নতুন করে আলোচনার পথ তৈরি করা যায়।” তিনি আরও জানান, পাকিস্তান চায় সব পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে যাক।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন এবং সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক শান্তির ভিত্তি গড়ে তুলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু একসঙ্গে থাকায় স্বল্প সময়ে কোনো বড় অগ্রগতি পাওয়া কঠিনই ছিল। তবে এই আলোচনা ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরবর্তী ধাপে কতটা নমনীয় অবস্থান নেয় এবং নতুন করে আলোচনায় বসতে সম্মত হয় কি না।
আন্তর্জাতিক
পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধ করলে আর ছাড় নয়: হুঁশিয়ারি আইজিপির
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির আজ শনিবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে হুঁশিয়ারি করে বললেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধ করলে ছাড় দেয়া হবে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধ করলে ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় প্রত্যেক জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ঘুরে দাঁড়াবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে আইজিপি বলেন, জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তোমাদের দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আইন জানা এবং আইন মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে, সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি তাদের জন্য আয়-বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন আইজিপি।
এদিন অনুষ্ঠানে আইজিপির অনুরোধে ‘কেমন পুলিশ চাই’ এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া হয়। এ সময় শহিদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের সৌমিক সরকার দুর্জয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাহিন আল হোসেন ও এপিবিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাহজাবিন জেরিন পুষ্পিতা নিজেদের মতামত ব্যক্ত করে পুলিশকে বন্ধুসুলভ ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সেই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে পুলিশের আচরণের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক দিক বিবেচনার বিষয়টিও তাদের মতামতে উঠে আসে।
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির আজ শনিবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে হুঁশিয়ারি করে বললেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধ করলে ছাড় দেয়া হবে না।
জাতীয়
লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন এর পদত্যাগ
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল, ২০২৬) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

ওই পোস্টে আকবর হোসেন লিখেছেন, “Dear all—লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে আমি পদত্যাগ করেছি। একান্ত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে সেখানে দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টির সঙ্গে অন্য কোনো কিছুর সম্পর্ক নেই। ধন্যবাদ।”
জানা যায়, ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
প্রেস মিনিস্টার হিসেবে যোগদানের আগে তিনি দীর্ঘদিন বিবিসি বাংলার ঢাকা অফিসে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন।

জাতীয়
হরমুজ প্রণালিতে কেন অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ ?
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ ৪০ দিন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আটকে থাকার পর দেশের উদ্দেশে যাত্রা করে আবারও বাধার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’। জাহাজটি আবারও ফিরে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ।
তথ্যনুযায়ী, গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে। তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
দীর্ঘ ৪০ দিন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে আটকে থাকার পর দেশের উদ্দেশে যাত্রা করে আবারও বাধার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’। জাহাজটি আবারও ফিরে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ।
আন্তর্জাতিক
বহুল আলোচিত তনু হত্যার ১০ বছর পর সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক আজ সোমবার এ আদেশ দেন। আদালতে হাজির হতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে মামলার অগ্রগতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেন তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিএনএ পরীক্ষা করার আদেশ করা ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে তিনজনই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তনু হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেওয়ার পরই ৬ এপ্রিল, ২০২৬ সোমবার ওই তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের বিষয়ে আদালতে লিখিত প্রতিবেদন দেন। এতে বিচারক সন্দেহভাজন ৩ জনের ডিএনএ করার নির্দেশ দেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই-ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে ৩ জন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছে, সন্দেহভাজন ৩ জনের ডিএনএ টেস্ট করতে। ওই ৩ জন এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছেন আদালত।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেনও আজ আদালতে আসেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে থাকার সময় বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতার আসল তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে মেয়ে হত্যার বিচার চাইব। মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছি। দেশের সকল হত্যার বিচার হইলেও আমার তনুর কেন বিচার হবে না। গত ১০ বছর ধরে বিচারের আশায় তনুর মাকে নিয়ে যে যেখানে বলেছে ছুটে গিয়েছি। এখন আর পারছি না।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আলোচিত খবর
সাবেক প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনী নোটিশ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম আজ সোমবার এ নোটিশ পাঠান।
হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
নোটিশ দাতা ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম জানান, সারাদেশে অকস্মাৎ বিলুপ্ত রোগ হাম-এর মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং অগণিত শিশু ও সাধারণ নাগরিক হাম-এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
হামের মত টিকা করণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের স্বার্থে জড়িত থাকায় এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক তদন্তের দাবি জানিয়ে এবং ড. মুহাম্মদ ইউনুস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দ রেজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খাঁন শুভ্র, নূর জাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ সকল উপদেষ্টা, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস-সচিব শফিকুল আলম এবং সংশ্লিষ্ট সকল সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সরকারের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সচিবদের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং নোটিশ প্রাপ্তির ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন ও ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করার আহ্বান জানানো হয়েছে, অন্যথায় ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম আজ সোমবার এ নোটিশ পাঠান।
আলোচিত খবর
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৬২ জন
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
যতই দিন যাচ্ছে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুজন এবং উপসর্গ নিয়ে পাঁচজন মারা গেছে। একই সময়ে সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৬২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৮২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৫৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮০ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৯ জন।
এতে আরও জানানো হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৪০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছে ৬ হাজার ১৬ জন। মৃত্যুর হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের।
যতই দিন যাচ্ছে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুজন এবং উপসর্গ নিয়ে পাঁচজন মারা গেছে। একই সময়ে সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৬২ জন।
জাতীয়
সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর, সংসদে বিল পাস
অনলাইন নেউজ ডেস্ক:
সরকারি চাকরির প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। এর ফলে বিসিএসসহ সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে নতুন এই বয়সসীমা কার্যকর হবে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আজ রোববার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ বিকেলে সংসদ অধিবেশনে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
নতুন আইনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সব ক্যাডার এবং বিসিএস বহির্ভূত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে যেসব পদে বয়সসীমা ৩০ বা অনূর্ধ্ব ৩২ ছিল, সেগুলোতেও এখন থেকে ৩২ বছর প্রযোজ্য হবে। তবে যেসব পদে আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি বয়সসীমা নির্ধারিত আছে, যেমন ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর, সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োগ তাদের নিজস্ব বিধিমালার আওতায় চলবে।
বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিল করে স্থায়ী আইনি কাঠামো গড়তেই এই বিল আনা হয়েছে।
এ ছাড়া আগের অধ্যাদেশে কিছু কারিগরি অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে কিছু বিশেষায়িত পদে বয়সসীমা কমে যাওয়ার বিষয়টি নতুন আইনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। ফলে আগের উচ্চতর বয়সসীমা বহাল রেখে সুযোগ সংকোচনের আশঙ্কা দূর হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বয়সসীমা বাড়ানোর ফলে উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রতিযোগিতায় নামার জন্য তরুণরা আরও সময় পাবে, যা সামগ্রিকভাবে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।
সরকারি চাকরির প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। এর ফলে বিসিএসসহ সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে নতুন এই বয়সসীমা কার্যকর হবে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিল করে স্থায়ী আইনি কাঠামো গড়তেই এই বিল আনা হয়েছে।
এ ছাড়া আগের অধ্যাদেশে কিছু কারিগরি অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে কিছু বিশেষায়িত পদে বয়সসীমা কমে যাওয়ার বিষয়টি নতুন আইনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। ফলে আগের উচ্চতর বয়সসীমা বহাল রেখে সুযোগ সংকোচনের আশঙ্কা দূর হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বয়সসীমা বাড়ানোর ফলে উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রতিযোগিতায় নামার জন্য তরুণরা আরও সময় পাবে, যা সামগ্রিকভাবে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।
জাতীয়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘গোপন চুক্তি’ নিয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
অনলাইন নেউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি হয়নি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তেল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হচ্ছে এমন প্রচারকে তিনি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ‘গোপন চুক্তি’ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হলে এ বিষয়ে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই। যা কিছু চুক্তি আছে, তা আগেই প্রকাশ করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এই চুক্তির কারণে তেল আমদানির জন্য আমাদেরকে আমেরিকার কাছে অনুমতি চাইতে হচ্ছে, এমন দাবি একেবারেই মিথ্যা।”
জ্বালানি আমদানি প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা করেন, রাশিয়ার তেলের ওপর বিভিন্ন দেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং সেসব আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণেই কিছু ক্ষেত্রে অনুমোদনের বিষয় আসে। তবে এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তির সম্পর্ক নেই। তিনি জানান, “বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে যেকোনো উৎস থেকে তেল কিনবে।”
সচিবালয়ের ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিছু বিষয় গোপনীয়তার কারণে প্রকাশ করা না গেলেও সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বিদেশ সফর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখনো কোনো দেশের নাম চূড়ান্ত হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, গোপন চুক্তি নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যে সরকারের এই ব্যাখ্যা পরিস্থিতি স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও পরিষ্কার হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি হয়নি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তেল আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হচ্ছে এমন প্রচারকে তিনি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
জাতীয়
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছে পোশাক শ্রমিক
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
মহাখালী নাবিস্কোর মাঝামাঝি তেজগাঁও লিংক রোড এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকরা। এতে এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনের অন্য সড়ক ব্যবহারে করতে সড়কে ডাইভারশন করা হয়েছ।
রাজধানীর গুলশান ট্রাফিক বিভাগ থেকে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
গুলশান ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানানো হয়, এই মুহূর্তে মহাখালী-নাবিস্কোর মাঝামাঝি তেজগাঁও লিংক রোডের মুখে নাসা গ্রুপের আনুমানিক ৭০০-৮০০ পোশাক শ্রমিকরা বেতনের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছেন। ফলে তেজগাঁও টু মহাখালী-উত্তরা রুটে এবং উত্তরা টু মহাখালী-তেজগাঁও রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সড়ক ডাইভারশন অনুসরণের অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করে উত্তরা-মহাখালী রুটে চলাচল করা যাবে। মহাখালী ফ্লাইওভার ব্যবহার করে উত্তরা/ গুলশান/ বনানী থেকে তেজগাঁও এর দিকে চলাচল করা যাবে।
কাকলী বামে মোড়-কামাল আতাতুর্ক সড়ক- গুলশান-২ হয়ে নতুন বাজার/ গুলশান-১ হয়ে রামপুরা, হাতিরঝিলগামী গন্তব্যে যাওয়া যাচ্ছে। অনুরুপভাবে বিপরীত দিক থেকে চলাচল করা যাবে।
মহাখালী নাবিস্কোর মাঝামাঝি তেজগাঁও লিংক রোড এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকরা। এতে এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনের অন্য সড়ক ব্যবহারে করতে সড়কে ডাইভারশন করা হয়েছ।
জাতীয়
এবার বিতর্কিত মঙ্গল শোভাযাত্রা পরিবর্তিত হয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে নববর্ষ উদযাপন: সংস্কৃতিমন্ত্রী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আজ শনিবার মাগুরার মহম্মদপুরে আধুনিক মানের জেলা ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের জন্য শোভাযাত্রা এবার থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যে কোনো মূল পার্থক্য নেই। তবে ভবিষ্যতে নববর্ষ উদযাপন বৈশাখী শোভাযাত্রা নামে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “বাংলা নববর্ষ বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এটি কোনো দলের নয়। কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সকলেই এর আনন্দ উপভোগ করেন।”
সংষ্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার দলমতনির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষের সেবা প্রদান করবে। যারা ভোট দেয়নি তারাও সব ধরনের সহযোগিতা পাবে।
জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহম্মেদের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং পুলিশ সুপার মোল্ল্যা আজাদ। এর পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আধুনিক ডাকবাংলোর ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আজ শনিবার মাগুরার মহম্মদপুরে আধুনিক মানের জেলা ডাকবাংলোর ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের জন্য শোভাযাত্রা এবার থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয়
গণ শুনানী ছাড়াই ১২ কেজির এলপিজির দাম ১৩৪১ টাকা থেকে বেড়ে ১৭২৮ টাকা
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
এপ্রিল মাসে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক ধাক্কায় বেড়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এর ফলে ভোক্তারা এই সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত ৩৮৭ টাকা ব্যয় করবেন।
একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ প্রতি লিটার অটোগ্যাসের নতুন দাম ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বের দাম ৬১ টাকা ৮৩ পয়সার থেকে ৩৬ টাকা বেড়েছে। বিইআরসি জানিয়েছে, নতুন দাম আজ (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এপ্রিল মাসের জন্য বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ভোক্তাদের জন্য স্বচ্ছ ও সঠিক মূল্য নির্ধারণ করা।” সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. মিজানুর রহমান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শাহিদ সারওয়ার।
নতুন দামের মধ্যে সাড়ে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৭৯২ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৫৯৩ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৮৮১ টাকা, ২২ কেজির ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরান ও অন্যান্য অঞ্চলে জ্বালানি সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ সীমিত হওয়ায় দেশে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী।
এপ্রিল মাসে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক ধাক্কায় বেড়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এর ফলে ভোক্তারা এই সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত ৩৮৭ টাকা ব্যয় করবেন।
জাতীয়
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছালো ১২৫ বার
অনলাইন ডেস্ক:
১২৫ বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। এবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ৭ মে দিন ধার্য করেছে আদালত।
আজ বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী এ দিন নির্ধারণ করেন।
সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যা ব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। বর্তমানে পিবিআই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অপর আসামিরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। বাকিরা এখনও কারাগারে।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত ভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।
১২৫ বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। এবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ৭ মে দিন ধার্য করেছে আদালত।
আলোচিত খবর
ইস্টার সানডেতে সরকারী ছুটির দাবীতে মানববন্ধন ও র্যা লী
এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইস্টার সানডেতে সরকারী ছুটির দাবীতে আজ (মঙ্গলবার ৩১ মার্চ,) সকাল ১১ ঘটিকায়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন ও র্যা লী অনুষ্ঠিত হয়।
এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মি. নির্মল রোজারিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মানবন্ধন ও র্যা লীতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশনের মহাসচিব মি. হেমন্ত আই কোড়াইয়া, আর্চ-বিশপ্স হাউজের পরিচালক ফাদার আলবার্ট টি. রোজারিও, দি খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি:, ঢাকা (ঢাকা ক্রেডিট) এর সেক্রেটারি মিসেস মঞ্জু মারীয়া পালমা, এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জোনাস গমেজ, যুগ্ম-মহাসচিব মি. জেমস সুব্রত হাজরা, সাংগঠনিক সম্পাদক মি. নিপুন সাংমা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মি. থিউফিল রোজারিও, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মি. টমাস রোজারিও, নির্বাহী সদস্য মি. ভিক্টর রে, বিশিষ্ট আদিবাসী নেতা এড. প্রভাত টুডু, বিসিএ তেজগাঁও শাখার সহ-সভাপতি মি. গিলবার্ট গমেজ, ভাটার শাখার সেক্রেটারি মি. ডেভিড অসীম সরকার, মিরপুর শাখার সভাপতি মি. স্বপন চৌধুরী, দারুসালাম শাখার আহ্বায়ক মি. উজ্জল ফ্রান্সিস বিরেরু, গসপেল ফর দি ওয়ার্ল্ড চার্চের চেয়ারম্যান রেভা. আনন্দ রয়, ঢাকা ক্রেডিটের ডিরেক্টর মিসেস মনিকা গমেজ, মি. নিরাপদ হালদার, মি. সলোমন আই রোজারিও, ক্রেডিট কমিটির চেয়ারম্যান মিসেস উমা ম্যাগডেলিন গমেজ, সেক্রেটারি মি. মলয় নাথ, সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান মিসেস মারীয়া ডি’কুনা, সদস্য রাজকুমার মন্ডল, মি. জেফরী জর্জ কস্তা, দি মেট্রোপলিটান খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি: এর লোন কমিটির সদস্য মি. রনি ফ্রান্সিস গমেজ, অডিট কমিটির সদস্য মিসেস মায়া মনিকা গাঙ্গুলী, গাসুর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আদিত্য সাংমা, বিসিএ যুব এসোসিয়েশনের যুগ্ম-সম্পাদক মি. সাগর পান্ডে প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বলেন, ইস্টার সানডে সরকারী ছুটি এ দেশের খ্রিস্টান জনগণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে এ দাবী সরকারের নিকট তুলে ধরা হয়েছে। পরিতাপের বিষয়, এ বিষয়টিকে বিবেচনায় নেয়া হয়নি। বক্তাগণ ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে এ বৎসর ৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করত: আগামী বৎসর থেকে সরকারী ছুটির তালিকায় তা সংযুক্তকরণের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের দাবী জানিয়েছেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, গত ৩০ মার্চ, ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট ইস্টার সানডেতে সরকারী ছুটি ঘোষণার একটি অুনরোধপত্র প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইস্টার সানডেতে সরকারী ছুটির দাবীতে আজ (মঙ্গলবার ৩১ মার্চ,) সকাল ১১ ঘটিকায়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন ও র্যা লী অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয়
গণভোট বাতিল হলে আইনগত হুমকির মুখে পড়বে নির্বাচিত সংসদ: শিশির মনির
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিশির মনির সোমবার দুপুরে হাইকোর্টে জামায়াতের আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “গণভোট অধ্যাদেশের সাথে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই গণভোট বাতিল হলে আইনগত হুমকির মুখে পড়বে নির্বাচিত সংসদ।”
শিশির মনির আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে ৩০ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল ঐক্যমত হয়েছিলো। সেসব বিষয়েও বিএনপি মানতে টালবাহানা করছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী ঘোষিত তফসিলে অনুষ্ঠিত গণভোট বাতিল হলে সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলও বাতিল হয়ে যাবে।”
‘সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে আগের ব্যবস্থায় ফিরতে চাচ্ছে সরকার। ক্ষমতার ভারসাম্য না থাকলে আরেকটি নতুন স্বৈরাচারের উত্থান ঘটবে’-উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, গুম প্রতিকার অধ্যাদেশ, দুদক সংস্কার অধ্যাদেশ, সুপ্রিমকোর্ট বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ বিশের অধিক অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন চায় না সরকার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিশির মনির সোমবার দুপুরে হাইকোর্টে জামায়াতের আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “গণভোট অধ্যাদেশের সাথে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই গণভোট বাতিল হলে আইনগত হুমকির মুখে পড়বে নির্বাচিত সংসদ।”
রাজনীতি
হরমুজ না খুললে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় সামরিক হামলা চালানো হবে: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রশ্নে নতুন করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট DonaldTrump। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত না করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে সামরিক হামলা চালানো হতে পারে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, আলোচনা প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হলেও দ্রুত কোনও সমঝোতা না হলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি লেখেন, হরমুজ প্রণালি যদি অবিলম্বে উন্মুক্ত না করা হয়, তাহলে ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলকূপ এবং খারগ দ্বীপ বোমা হামলায় ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Kharg Island ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। দেশটির মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। মাত্র কয়েক কিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপে রয়েছে বিশাল তেল সংরক্ষণ ট্যাংক, পাইপলাইন এবং গভীর সমুদ্রবন্দর সুবিধা, যেখান থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়।
ব্রিটিশ দৈনিক Financial Times-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে। তার ভাষায়, “আমরা খারগ দ্বীপ দখল করতেও পারি, আবার নাও পারি—আমাদের সামনে অনেক বিকল্প খোলা আছে।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানে এখনও হাজারো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে সক্ষম।
এদিকে, Al Jazeera ও EuronewsEuronews–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়তে শুরু করে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল এই পথ দিয়ে পরিবহন হয়। ফলে এখানে সামান্য অস্থিরতাও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা থাকলেও, অন্যদিকে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে—যা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রশ্নে নতুন করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট DonaldTrump। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত না করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে সামরিক হামলা চালানো হতে পারে।























































