শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Logo
Add Image
Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সেই পরিচিত দৃশ্য এবার আর নেই কমলাপুর রেল স্টেশনে। টিকিট কাউন্টারগুলো পড়ে আছে ফাঁকা, যাত্রীদের ভোগান্তিময় অপেক্ষার ছবিও দেখা যায়নি।

 

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের চিরচেনা ভিড় এবার যেন উধাও। শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রির কারণে আজ শুক্রবার (১৫ মে) স্টেশনের কাউন্টারগুলো ফাঁকা। কোথাও দেখা যায়নি টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন কিংবা উপচে পড়া ভিড়। একই চিত্র বাস কাউন্টারগুলোতেও-চাপ কম, সহজেই মিলছে টিকিট।

 

ভোগান্তি কমানো এবং কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও ঈদুল আজহার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। 
গত ১৩ মে থেকে শুরু হওয়া অনলাইন টিকিট বিক্রির কারণে স্টেশনমুখী হননি অধিকাংশ যাত্রী।

 

যদিও অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। রেলওয়ের দাবি, যাত্রী ভোগান্তি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতেই ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হয়েছে।

 

অন্য দিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দূরপাল্লার বেসরকারি বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ৮ মে থেকে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত যেকোনো দিনের টিকিট এখন সহজেই সংগ্রহ করতে পারছেন যাত্রীরা।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘরমুখো মানুষের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে বাস ও ট্রেনে বিশেষ ট্রিপের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
 

Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২৯২৬) ফক্স নিউজের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান হয় চুক্তি করবে, নাহয় 'ভয়াবহ পরিণতি' ভোগ করবে।

 

ট্রাম্প বলেন, 'আমি আর খুব বেশি ধৈর্য ধরছি না। তারা চুক্তি করতে পারে, না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে।' তিনি দাবি করেন, যে কোনো বিবেকবান দেশ আলোচনায় বসতে চাইবে, তবে ইরান হয়তো ভিন্ন পথে যাচ্ছে। ইসরায়েলেভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করে। 

 

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়ন করতে দেবে না, কারণ “তারা এটি ব্যবহার করবে”। ইরানের ইতিমধ্যে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন, সেটি ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকাই ভালো।

 

তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতির পরও ইরান সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা যা-ই করছে, আমরা সব জানি। আমরা একদিনেই সব শেষ করে দিতে পারি।”

 

এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানায়, দুই নেতা একমত হয়েছেন যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।

 

ট্রাম্প বলেন, বৈঠকে চীন জানিয়েছে তারা ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহও প্রকাশ করেছে।
 

Pic

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

 

এসময় পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হলে তারা তার বিপক্ষে থাকবেন। এমনকি কোনো গোষ্ঠী তাদের ক্ষতি করে থাকলেও, সেই গোষ্ঠী যদি নির্যাতিত হয়, তাহলে তারা মজলুমের পক্ষেই অবস্থান নেবেন। ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার ভোগের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। বিশেষ কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে যেন ক্ষতি সাধন করা না হয় এ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

 

পুশইনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জামায়াতের ভূমিকা জনগণ দেখতে পাবে। কোনো অন্যায়ের ব্যাপারেই তারা নীরব থাকবেন না। প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করা হলেও কেউ বাংলাদেশকে অপমান করুক সেটিও তারা চান না।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
 

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ওপর টাকার প্রভাব রোধ করতে মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো সেবাগুলোতে দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করা যাবে। একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে (P2P) টাকা স্থানান্তর সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। 

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। 

 

বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকরা দিনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারলেও নির্বাচনের সময় এই সীমা কমিয়ে ১০ হাজার টাকা করা হচ্ছে। প্রতিটি একক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক হাজার টাকা। এক দিনে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করতে পারবেন। এই বিধিনিষেধ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

 

ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে এখন দিনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যায়। তবে বিএফআইইউ-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচনের ওই কয়েক দিন ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (Person to Person) ফান্ড ট্রান্সফার সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে। এর ফলে অ্যাপস বা ওয়েব পোর্টাল ব্যবহার করে অন্য কাউকে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে না। 

 

লেনদেন সীমিত করার পাশাপাশি নগদ টাকা উত্তোলনের ওপর নজরদারি আগে থেকেই জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যাংক হিসেবে এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি জমা বা উত্তোলন করা হলে সেই তথ্য বিএফআইইউ-কে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে অর্থ লেনদেন সীমিত করার প্রক্রিয়া চলছে। নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা এবং টাকার অপব্যবহার রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রজ্ঞাপন জারির সময় লেনদেনের এই পরিমাণ কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
 

আলোচিত খবর

Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সেই পরিচিত দৃশ্য এবার আর নেই কমলাপুর রেল স্টেশনে। টিকিট কাউন্টারগুলো পড়ে আছে ফাঁকা, যাত্রীদের ভোগান্তিময় অপেক্ষার ছবিও দেখা যায়নি।

 

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের চিরচেনা ভিড় এবার যেন উধাও। শতভাগ অনলাইনে টিকিট বিক্রির কারণে আজ শুক্রবার (১৫ মে) স্টেশনের কাউন্টারগুলো ফাঁকা। কোথাও দেখা যায়নি টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন কিংবা উপচে পড়া ভিড়। একই চিত্র বাস কাউন্টারগুলোতেও-চাপ কম, সহজেই মিলছে টিকিট।

 

ভোগান্তি কমানো এবং কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও ঈদুল আজহার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। 
গত ১৩ মে থেকে শুরু হওয়া অনলাইন টিকিট বিক্রির কারণে স্টেশনমুখী হননি অধিকাংশ যাত্রী।

 

যদিও অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। রেলওয়ের দাবি, যাত্রী ভোগান্তি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতেই ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হয়েছে।

 

অন্য দিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দূরপাল্লার বেসরকারি বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে গত ৮ মে থেকে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত যেকোনো দিনের টিকিট এখন সহজেই সংগ্রহ করতে পারছেন যাত্রীরা।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘরমুখো মানুষের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে বাস ও ট্রেনে বিশেষ ট্রিপের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
 

Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার (১৪ মে, ২৯২৬) ফক্স নিউজের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান হয় চুক্তি করবে, নাহয় 'ভয়াবহ পরিণতি' ভোগ করবে।

 

ট্রাম্প বলেন, 'আমি আর খুব বেশি ধৈর্য ধরছি না। তারা চুক্তি করতে পারে, না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে।' তিনি দাবি করেন, যে কোনো বিবেকবান দেশ আলোচনায় বসতে চাইবে, তবে ইরান হয়তো ভিন্ন পথে যাচ্ছে। ইসরায়েলেভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করে। 

 

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়ন করতে দেবে না, কারণ “তারা এটি ব্যবহার করবে”। ইরানের ইতিমধ্যে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন, সেটি ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকাই ভালো।

 

তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতির পরও ইরান সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা যা-ই করছে, আমরা সব জানি। আমরা একদিনেই সব শেষ করে দিতে পারি।”

 

এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানায়, দুই নেতা একমত হয়েছেন যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।

 

ট্রাম্প বলেন, বৈঠকে চীন জানিয়েছে তারা ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহও প্রকাশ করেছে।
 

Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের সমন্বয় করেছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাদের একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট কমানো ও কিছু রুটে সম্পূর্ণ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে মুম্বাই থেকে ঢাকার সরাসরি ফ্লাইটও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, জেট ফুয়েলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং আকাশপথে চলমান বিধিনিষেধের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিল করে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ানোর চেয়ে আগেই সূচি সমন্বয় করে শিডিউল স্থিতিশীল রাখাই তাদের লক্ষ্য।

 

এই সিদ্ধান্তের ফলে শুধু ঢাকা নয়, শিকাগো, সাংহাই, সিঙ্গাপুর এবং মালের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক গন্তব্যও প্রভাবিত হচ্ছে। বিশেষ করে এশিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বহু রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন সূচি অনুযায়ী, মুম্বাই থেকে ঢাকা রুটের সরাসরি ফ্লাইট পুরোপুরি স্থগিত থাকবে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত। পাশাপাশি দিল্লি থেকে ঢাকা, কাঠমান্ডু, কলম্বো, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুর রুটেও সাপ্তাহিক ফ্লাইট কমানো হয়েছে। উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রে দিল্লি থেকে শিকাগো রুট আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে, একই সঙ্গে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা কমছে।

 

তবে কিছু রুটে সম্প্রসারণও করা হয়েছে। মুম্বাই থেকে নেওয়ার্ক রুটে এখন প্রতিদিন ফ্লাইট চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ইউরোপের প্যারিস, রোম, জুরিখ, ভিয়েনা ও কোপেনহেগেন রুটেও ফ্লাইট সংখ্যা কিছুটা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

 

এয়ার ইন্ডিয়া আরও জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া “সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ” সংক্রান্ত তথ্য সঠিক নয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, তারা এখনো প্রতি মাসে পাঁচ মহাদেশে ১ হাজার ২০০টির বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্য রুটেও নির্দিষ্ট সংখ্যক ফ্লাইট সচল থাকবে।

 

কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের আশ্বস্ত করে বলেছে, যাদের ফ্লাইট বাতিল বা সময় পরিবর্তন হয়েছে, তারা বিকল্প ফ্লাইট, বিনামূল্যে তারিখ পরিবর্তন অথবা সম্পূর্ণ অর্থ ফেরতের সুবিধা পাবেন। যাত্রীদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যাচাইকৃত চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং আকাশপথ ব্যবস্থাপনার চাপ এখন বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতকে নতুন করে কৌশল পুনর্বিন্যাসে বাধ্য করছে। এয়ার ইন্ডিয়ার এই সিদ্ধান্ত তারই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস

 

Pic

আজ ১৪ মে, ২০২৬ চীনে রাষ্ট্রীয় সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের বিখ্যাত 'টেম্পল অব হেভেন' পরিদর্শন করেছেন।

 

সি চিন পিং টেম্পল অব হেভেনের ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ ট্রাম্পকে স্বাগত জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস'-এর চত্বরে একসঙ্গে ছবি তোলেন।

 

দুই রাষ্ট্রপ্রধান সিঁড়ি বেয়ে ‘হল অফ প্রেয়ার ফর গুড হারভেস্টস’-এ প্রবেশ করেন এবং মর্টিস ও টেনন জোড়ের নিখুঁত সংযোগ, জ্যোতির্বিদ্যা, পঞ্জিকা ব্যবস্থা ও প্রাসাদ কাঠামোর যথাযথ সমন্বয়ের মতো স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলো উপভোগ করেন। তাঁরা সবকিছুর মধ্যে সামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা অনুসরণের ধারণাটি অনুভব করেন।

 

সি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর অবস্থিত ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ আমরা যে টেম্পল অফ হেভেন পরিদর্শন করছি, সেটি ফরবিডেন সিটির সমবয়সী, যা “গোলাকার স্বর্গ ও বর্গাকার পৃথিবীর” প্রতীক এবং চীনা বিশ্বদৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে তুলে ধরে। প্রাচীন চীনা শাসকেরা জাতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করতে টেম্পল অফ হেভেনে বিশাল বলিদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন, যা এই ঐতিহ্যবাহী চীনা চিন্তাধারাকে প্রতিফলিত করে যে জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং একটি স্থিতিশীল ভিত্তি জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। চীনা সভ্যতার জনকেন্দ্রিক দর্শনকে উত্তরাধিকার সূত্রে গ্রহণ ও বিকশিত করে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সর্বদা আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করার মৌলিক নীতি মেনে চলেছে, যার ফলে জনগণের দৃঢ় সমর্থন ও আন্তরিক অনুমোদন লাভ করেছে।

 

ট্রাম্প বলেন যে, বহু বছর আগে ফরবিডেন সিটিতে তার সেই সফরের স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। স্বর্গ মন্দির বা টেম্পল অব হেভেন ৬০০ বছরেরও বেশি সময় পরেও, চীনের অনবদ্য ধ্রুপদী স্থাপত্যশিল্প এবং গভীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মহিমায় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, যা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই মহান রাষ্ট্র এবং উভয় দেশের জনগণই মহান ও জ্ঞানী। দুই দেশের উচিত পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করা এবং জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা। সূত্র: সিআরআই বাংলা
 

Add

Site Counter

Online

49

Total

50k

Pic

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

মঙ্গলবার (১৩ মে ২০২৬) বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর অধীনে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের কেদারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। এসময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি গাড়ি অকেজো করা হয় এবং ১টি গাড়ি জব্দ করা হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কেদারপুর এলাকায় একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। এর ফলে স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমি ও আশপাশের এলাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।

 

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা জুড়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি পরিবেশ রক্ষা ও সরকারি আইন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
 

জনস্বার্থে পুরো জেলায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


Pic

টাঙ্গাইল দর্পণ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএলে দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এবার কঠোর অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ক্রিকেটার, টিম ম্যানেজার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্টসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ম্যাচ বেটিং, তদন্তে অসহযোগিতা এবং প্রমাণ গোপনের মতো গুরুতর অনিয়ম।

 

বৃহস্পতিবার বিসিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িতদের নাম শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই তালিকা প্রকাশ করে বোর্ড।

 

বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে উঠে আসে ২০২৫ ও ২০২৬ বিপিএল ঘিরে নানা অনিয়মের চিত্র। প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, ডিমান্ড নোটিশ উপেক্ষা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে।

 

বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ মালিক মোহাম্মদ তৌহিদুল হক তৌহিদ, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমান।

 

তাদের মধ্যে অমিত মজুমদার ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে বাজি ধরা বা বেটিংয়ে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে লাবলুর রহমান ও তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা না করা, তথ্য গোপন ও প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে।

 

বিসিবির অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, “কিছু অভিযুক্ত ব্যক্তি ড্যাকো পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা করেননি, বরং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন ও ধ্বংস করেছেন।”

 

সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও বিস্তৃত। বিসিবি জানিয়েছে, নবম, দশম ও একাদশ বিপিএলসহ একাধিক আসরে তিনি দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। সেই কারণে তার বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’ অনুযায়ী বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে।

 

বোর্ড আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত পাঁচজনকে আপাতত সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদের ১৪ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বিপিএলের ভাবমূর্তি রক্ষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলেও, দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। ক্রিকেট প্রশাসনের অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

 

ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, তদন্ত প্রতিবেদনটি এখনো পুরোপুরি জনসমক্ষে আসেনি, তবে বিস্তৃত এই তদন্ত ভবিষ্যতে বিপিএল পরিচালনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
 

শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়ায় কথার যুদ্ধ না চালিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিন: জামায়াত আমির

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ শনিবার জাপান ও থাইল্যান্ড সফর শেষে দেশে ফিরে বললেন, শুধু ফেসবুক-সোশ্যাল মিডিয়া কথার যুদ্ধ চালিয়ে গেলে হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার অতিরিক্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক জায়গা দখলের চেয়ে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

 

এসময় পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বের যেকোনো স্থানে নিরীহ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন হলে তারা তার বিপক্ষে থাকবেন। এমনকি কোনো গোষ্ঠী তাদের ক্ষতি করে থাকলেও, সেই গোষ্ঠী যদি নির্যাতিত হয়, তাহলে তারা মজলুমের পক্ষেই অবস্থান নেবেন। ভারতের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষ। তাই সে দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার ভোগের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। বিশেষ কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীকে টার্গেট করে যেন ক্ষতি সাধন করা না হয় এ বিষয়ে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

 

পুশইনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যদি এমন কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে জামায়াতের ভূমিকা জনগণ দেখতে পাবে। কোনো অন্যায়ের ব্যাপারেই তারা নীরব থাকবেন না। প্রতিবেশী দেশকে সম্মান করা হলেও কেউ বাংলাদেশকে অপমান করুক সেটিও তারা চান না।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের তিন মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব ঘটনায় জড়িত কারা, তারা কোথায় পালিয়ে যায় এবং কারা আশ্রয় দেয় এসব খুঁজে বের করার দাবি জানান জামায়াত আমির।
 

জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে। 

 

তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।

 

তাঁর ভাষায়, “জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।” 

 

অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

 

বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
 

দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়: নওগাঁর আত্রাইয়ে মির্জা ফখরুল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়। 

 

আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।

 

তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি। 

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়। 

 

তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
 

Pic

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘ওয়াও – উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ গ্র্যান্টস ২০২৫–২০২৬ -এর আবেদন গ্রহণ শুরু

লিঙ্গ-বৈষম্যের বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় কাজ করছেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এমন শিল্পী এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটের শিল্প ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আবেদন করার আহ্বান

ঢাকা, ০২  নভেম্বর, ২০২৫

উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) গ্রান্টস ২০২৫ -এ আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং দেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলির জন্য দুই ধরনের গ্রান্ট প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।  শিল্প, সংস্কৃতি, লৈঙ্গিক সমতা এবং  সমকালীন সমাজের নানা বিষয় নিয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো যাবে আগামী  ১৬ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত। এছাড়াও আগ্রহী আবেদনকারীদের জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল একটি ইনফরমেশন ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে যা আয়োজিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়)। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

 

বিশ্বজুড়েই লৈঙ্গিক সমতা অর্জন করা জরুরি এবং অর্জন সম্ভবও, এ বিশ্বাস নিয়ে কাজ করে বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘ওয়াও-উইমেন অফ দ্য ওয়ার্ল্ড।’ ২০১৭ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আয়োজিত হয় ওয়াও।  বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজিত এই ‘ওয়াও ফেস্টিভ্যাল’ পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সালে ঢাকায় জাতীয় উৎসব হিসেবে আয়োজিত হয়। এবারের ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫–২০২৬’ -এর জন্য শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনগুলোকে শিল্পমাধ্যমে অথবা সাংস্কৃতিক কাজ বা উদ্যোগের মাধ্যমে লৈঙ্গিক সমতা নিয়ে কাজ করবে এমন প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে; যেখানে এই থিমগুলির এক বা একাধিক থাকতে হবেঃ ১) চলচ্চিত্র, চলমান চিত্র ও মিডিয়া অ্যাস্থেটিকস; ২) হাইপারঅবজেক্ট মিটস হাইপারঅবজেক্ট: লৈঙ্গিক সমতা এবং জলবায়ু নিয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ; ৩) স্টেম (STE(A)M): বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, (শিল্পকলা), প্রকৌশল ও গণিত। 

 

ঘোষিত দুইটি আহবানের মধ্যে প্রথমটি হল ‘ওয়াও বাংলাদেশ কমিশন্স ২০২৫’। এই আহবান যুক্তরাজ্যে কিংবা বাংলাদেশে অবস্থানরত শিল্পী, শিল্পীদল কিংবা শিল্প-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ বারো হাজার পাউণ্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) অনুদান প্রদান করবে, যেন নির্বাচিতরা শিল্পকর্ম, প্রদর্শনী, পারফরমেন্স বা প্রদর্শনীমূলক কর্মসূচি তৈরি, প্রযোজনা ও উপস্থাপন করতে পারে।

 

অন্যদিকে, দ্বিতীয় আহবান ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টারস ২০২৬’- শুধুমাত্র চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক শিল্পী সংগঠনগুলোর জন্য, যেন তারা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে যে কোনো একদিন দিনব্যাপী ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’-এর আয়োজন করতে পারে। এ বিভাগে সর্বোচ্চ তেইশ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) পর্যন্ত গ্রান্ট প্রদান করা হবে। প্রতিটি বিভাগে একাধিক গ্রান্ট প্রদান করা হবে। 

 

এই গ্রান্ট সকল সাংস্কৃতিক ও শিল্পক্ষেত্রের জন্য উন্মুক্ত। আবেদনকারীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে তাদের যৌথ কাজের ভিত্তিতে ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৬’ -এর নির্ধারিত বিষয় ও প্রতিপাদ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জনসাধারণের জন্য প্রদর্শনী, আলোচনা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা প্রকল্পের প্রস্তাবে উল্লেখ করার।  


ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে, আবেদনের যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে ও আবেদন নির্দেশিকা পড়তে এবং আবেদন করতে ভিজিট করুন: https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts 


বাংলাদেশে ওয়াও এর যাত্রা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুনঃ   https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts/wow-women-world 
 

Pic

নারী ফুটবল অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন কামরুন্নাহার মুন্নি

টাঙ্গাইলের কামরুন্নাহার মুন্নি একজন স্কুল শিক্ষক। সেই সাথে তিনি সফল নারী ফুটবল কোচ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। 

 

মুন্নি শুধু ফুটবল প্রশিক্ষণই দেন না, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা নিয়েও কাজ করেন। তিনি মেয়েদের খেলাধুলার মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করতে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেও নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

সেই লক্ষ্যে ২০১০ সালে তিনি টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমায় মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধেও কাজ করেছেন। 

 

কামরুন্নাহারকে নিয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র ৭৪তম কানচলচ্চিত্র উৎসবে বাণিজ্যিক শাখায় ‘মার্সে দ্য ফিল্ম’-এ নির্বাচিত হয়ে পুরস্কার লাভ করে। প্রামাণ্যচিত্রটির কারণে কামরুন্নাহারের বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কথা দেশ পেরিয়ে বিশ্বের কাছে পৌঁছে গেছে।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিতে আলাপকালে সমাজের ‘প্রতিকূল’ পরিবেশের বিরুদ্ধে ‘সংগ্রাম’ চালিয়ে যাবার গল্পই তুলে ধরেন মুন্নি।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি জানান, সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া মেয়েদের হঠাৎ বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল। যে বয়সে মেয়েদের লেখাপড়া আর হাসি খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সে তাদের ধরতে হচ্ছিল সংসারের হাল। নিজ ছাত্রীদের এমন পরিণতি দেখে স্কুলশিক্ষিকা কামরুন্নাহার মুন্নি তাদেও জন্য কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাই বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কৌশল হিসেবে ছাত্রীদের ফুটবল প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।

 

পেশায় শিক্ষিকা কামরুন্নাহার নারীদের ফুটবলে ‘বিপ্লব ঘটানো’ এবং ‘বাল্যবিবাহ রোধে’ সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশিক্ষণ দিয়ে এরই মধ্যে অনেক মেয়ের জীবনের গতিপথে পরিবর্তন এনেছেন। পুরুষদের পাশাপশি নারীদের ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৩৮ জন নারীকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন। এই এডাডেমিতে ৪৭  জন মেয়ে ফুটবল প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এই একাডেমির ছাত্রী হিসেবে বর্তমানে বয়স ভিত্তিক ও সিনিয়র টিমে ৪ জন ফুটবলার রয়েছেন। তারা হলেন রিতু আক্তার,মারিয়াম বিনতে আন্না,আলমিনা আক্তার  ও রুপা আক্তার। বর্তমানে একাডেমির ছাত্রী সংখ্যা ৩৫ জন।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন কামরুন্নাহারের স্বামী আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল ও টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মির্জা মাসুদ রুবেল।

 

মুন্নি আরও জানান, ২০১০ সালে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় স্কুলের শিশু-কিশোরদের নিয়ে নানা খেলাধূলার আয়োজন করতেন। ২০১২ সালে ‘টাঙ্গাইল প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে’ এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে স্কুলে ফিরে গিয়ে দেখেন অনেক মেয়েই নেই, কারণ তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। 

 

কিছুদিন পর বাল্যবিয়ের শিকার এক ছাত্রীর সঙ্গে তার দেখা হয়। তার কাছ থেকে জানতে পারেন, ছোট ছোট মেয়েদের বাল্যবিয়ের ঘটনা। তখনই তিনি মেয়েদের বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু বিষয়টা সামাজিক ব্যাধিতে রুপ নিয়েছে, তাই কীভাবে মেয়েদের রক্ষা করা যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেন।

 

এক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা তার সামনে ছিলো- বিশেষ কওে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদেও নিয়ে যেকোন কাজ করা অনেক সময়ই কঠিন। তার উপর মেয়েদের ফুটবল খেলায় আগ্রহী কওে তোলা মানে সমাজের রেওয়াজের বিরুদ্ধে যাওয়া। তারপরও তিনি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে মেয়েদের ফুটবল শেখাতে থাকেন। সে সময় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের নিয়ে ফুটবল দল গঠন করা হয়। তিনিও তার স্কুলে ফুটবল দল গঠন করেন।

 

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কামরুন্নাহার টাঙ্গাইল শহরের ‘উত্তরণ শিশু শিক্ষালয়ে’ বদলি হয়ে আসেন। এরপর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দল গঠনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পান তিনি। এ সময় গ্রামের বিভিন্ন স্কুলের মেয়েদের ফুটবল খেলায় সম্পৃক্ত করতে থাকেন। কিন্তু দেখা যায়- অনেক পরিবার মেয়েদের খেলাধূলায় আসতে দিতে চাচ্ছে না।

 

অনেক দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা নিয়মিত টাঙ্গাইলে এসে অনুশীলনে অংশও নিতে পারে না। সেই মেয়েদের নিজের বাসায় রেখে অনুশীলন করানোর ব্যবস্থা করেন। এক পর্যায়ে ‘মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি’ গঠন করেন মুন্নী। এই একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের সবার থাকা-খাওয়া ও অনুশীলনের সব দায়িত্বও নিজ কাঁধে তুলে নেন।

 

শুরুর দিকে নিজের আয়ের জমানো টাকা খরচ করে মেয়েদের প্রশিক্ষণ দিতেন মুন্নী। পরে এ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ডেইলি স্টার আনসাং উইমেন্স নেশন বিল্ডার্স’ পুরস্কার লাভ করেন। সেই পুরষ্কারের দুই লাখ টাকার পুরোটাই তিনি খরচ করেছেন তার একাডেমিতে।

 

মুন্নী বলেন, ২০১৯ সালের নভেম্বরে ভূঞাপুরের সপ্তম শ্রেণীর এক মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে মেয়েটির অভিভাবকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাদের বুঝিয়ে মেয়েটিকে নিজের একাডেমিতে নিয়ে যান। কিছুদিন পর শোনেন বিয়ে ভেঙে গেছে। মেয়েটি পরে বিকেএসপিতে প্রমীলা ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ পায়।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অধীনে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বি ডিপ্লোমা কোচেস কোর্স শেষ করেছেন। এর আগে ‘সি’ লাইসেন্স কোর্স করেছেন। বিকেএসপিতেও করেছেন কোচেস কোর্স। মুন্নীর একাডেমির মেয়েদের নিয়ে গড়া টাঙ্গাইল জেলা দল ২০২১ সালে এবং ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেণ্টে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়।

 

সর্বশেষ বাংলাদেশ গেমসে আনসারের হয়ে খেলেছেনে একাডেমির ফুটবলার সিরাত সাবরিন ও রূপা আক্তার। বাংলাদেশ গেমসে রৌপ্যজয়ী রাগবি দলের সবাই এই একাডেমির ছাত্রী । বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগওে পেয়েছেন আট নারী ক্যাডেট ফুটবলার। এ ছাড়া বিকেএসপির ফুটবলে স্বল্প মেয়াদি-দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন অন্তত ২৫ জন ছাত্রী।

 

৩৭ বছর বয়সী কামরুন্নাহার জানান, একাডেমির মেয়েরাই তার আদরের সন্তান, তাদের নিয়েই তার সব ভাবনা। মেয়েরা খেলতে চায়। কিন্তু অনেক পরিবার মেয়েদের খেলতে দিতে চায় না। তিনি মনে করেন, খেলার মাধ্যমেই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। খেলায় যুক্ত হলে মেয়েদের মধ্যে একটা নেতৃত্ববোধ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি মনের সংকীর্ণতা দূর হয়।

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি জানতে চাইলে কামরুন্নাহার জানান, “বাল্যবিয়ে রোধ ও এবং ফুটবল নিয়ে চলমান কাজের প্রসার ঘটাতে চাই। প্রথম যখন মেয়েদের নিয়ে ফুটবল অনুশীলন শুরু করি, তখন অনেকেই বলতেন- এটা আমার পাগলামি। ধীরে ধীরে সফলতা আসছে।” এখন অনেকেই এটাকে আর পাগলামি মনে করে না। কোনো মেয়ের শিক্ষাজীবন যেন ঝরে না যায়, কাউকে যেন বাল্যবিয়ের শিকার হতে না হয় সেজন্য আজীবন কাজ করে যেতে চাই।”

 

মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল বলেন, সুবিধাবঞ্চিত, বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষণে কামরুন্নাহারের এ ইচ্ছেকে আমি সম্মান দেই। তার দৃষ্টিভঙ্গি ভালো, এটা ভালো লাগে। প্রথম প্রথম বিরক্ত হতাম। এখন আমিও উৎসাহ দেই এবং সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। তার অবসর সময়কে সে সামাজিক সচেতনতার কাজে লাগায় সেটা আমারও ভালো লাগে। আগে পাগলামি মনে হলেও এখন সেটা, মনে হয় না। কারণ অনেক মেয়ে বাল্যবিবাহ থেকে মুক্ত হচ্ছে তার চেষ্টায়।

 

একাডেমির সভাপতি মির্জা মাসুদ রুবেল বলেন, কামরুন্নাহার সাধারণ জীবন-যাপনের বাইরে ভিন্নভাবে সমাজকে নিয়ে ভাবে। সে মেয়েদের আত্মপ্রত্যয়ী হতে এবং তাদের শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে কাজ করছে। বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা রোধে তার এই উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণামূলক মনে করি।
 

Pic

তারুণ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কফি পান সহায়ক হতে পারে!

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:
সারা বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়গুলোর মধ্যে কফি অন্যতম। প্রতিদিন মানুষের মধ্যে কফি খাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

 

ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশন অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ বিলিয়ন কিলোগ্রাম কফি পান করা হয়। কফির রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্যগুণও।

 

সম্প্রতি গবেষণায় উঠে এসেছে নারীরা নিয়মিত কফি পান করলে তারুণ্য ধরে রাখে। শরীর-মন থাকবে তরতাজা। এমনই চমকে দেওয়া তথ্য দিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন কফি পানের অভ্যাস নারীদের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ বার্ধক্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

 

বিগত ৩০ বছর ধরে প্রায় ৫০ হাজার নারীর উপরে এই গবেষণায় চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৫০ বছর বয়সে প্রতিদিন এক থেকে তিন কাপ ক্যাফেইনযুক্ত কফি পানকারী নারীরা বার্ধক্যে অনেকটা সুস্থ ছিলেন। তারা বড় কোনো অসুস্থতা ছাড়াই ছিলেন শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সুস্থ। কফি মস্তিষ্কের তীক্ষ্নতা, মনের জোর বাড়ায়, দীর্ঘস্থায়ী একাধিক জটিল রোগ থেকে দূরে রাখে।

 

৬০ বছর বা তার বেশি বয়সে কোনো গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী রোগ, স্মৃতিশক্তির সমস্যা বা শারীরিক অক্ষমতা ছাড়াই জীবনযাপন করতে পেরেছেন এই নারীরা। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকোষের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন ছাড়াও কফিতে থাকা অন্যান্য বায়োঅ্যাক্টিভ সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

 

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কফির এই উপকারিতা শুধু ক্যাফেইনযুক্ত কফির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। চা, ডিক্যাফ কফি বা কোলা জাতীয় অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়তে এই উপকার পাওয়া যায়নি। বরং কোলা বা সফট ড্রিংক বেশি পান করলে সুস্থ বার্ধক্যের সম্ভাবনা হ্রাস পায়। কফিতে থাকা ক্যাফেইন বার্ধক্য রোধ করার পাশাপাশি কোষের ক্ষতি হওয়া আটকাতে সহায়তা করে। ডিএনএ মেরামত করে স্ট্রেস প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কফি খেলে মেজাজ উন্নত হয় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। বিষণ্নতা বা অ্যালজাইমার রোগের মতো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

 

এছাড়া ফ্যাটি লিভার, লিভার ফাইব্রোসিস, লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। টিউলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লু কিও মনে করেন, সকালের দিকে কফি পান করা স্বাস্থ্যকর হতে পারে, তবে দিনের অন্যান্য সময় কফি পান করলে সুফল কমে যেতে পারে।

 

কফি থেকে দূর থাকবেন যারা
উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, উদ্বেগ বা ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের অবশ্যই কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন এই সমস্যাগুলো বাড়াতে পারে।
 

Pic

বয়স বাড়লেও সুস্থ জীবন চান? ৫০-এর পর এই ৫ নিয়ম মেনে চলুন 

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:

বর্তমান সময়ে ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকা যেন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। মানসিক চাপ, ভেজাল খাদ্য ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন সব মিলিয়ে শরীর ও মনের উপর পড়ছে প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব। তবে প্রতিদিনের রুটিনে কিছু সহজ অভ্যাস যোগ করলেই দীর্ঘদিন সুস্থ জীবনধারণ করা সম্ভব।

 

কম-চাপের নিয়মিত ব্যায়াম করুন
বয়স ৫০ এর পর ভারী ব্যায়াম না করে সাঁতার, নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম ও তাই চির মতো ধীর-গতির অনুশীলন উপকারী। এতে করে মাংসপেশি সক্রিয় থাকে, জয়েন্টে চাপ পড়ে না এবং মানসিক চাপও অনেক হ্রাস পায়।

 

সমাজ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকুন
সমাজচ্যুতি ও একাকীত্ব... মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, কমিউনিটি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে সচল রাখে।

 

প্রতিদিন মানসিক ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন একটি ক্রসওয়ার্ড বা পাজল করলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক চর্চা স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তাশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

 

ধূমপানের অভ্যাস পরিত্যাগ করুন
ধূমপান থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকগুণ বেড়ে যায়। এখনই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়বে এবং আয়ু দীর্ঘ হবে।

 

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস করুন
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাংসপেশি কমে যায়। ডিম, মাছ, বাদাম, দুধ ও লিন মাংস ও মুরগি -এই উপাদানগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে শরীর শক্তিশালী থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
 

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭