মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Logo
Add Image

আইন-আদালত

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন পেছাল ৯৫ বারের মতো, ধার্য নতুন তারিখ

প্রকাশিত: ২০২৬-০৫-১৮ ১৫:৩১:৫২

News Image

অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলার তদন্ত এক দশক পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। এ নিয়ে ৯৫ বার পেছানো হলো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন। নতুন করে আগামী ২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

 

আজ ১৮ মে, ২০২৬ সোমবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি এদিনও প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান।

 

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জালিয়াতির মাধ্যমে সুইফট কোড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। পরে সেই অর্থ ফিলিপিন্সে স্থানান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্টরা তখন ধারণা করেছিলেন, দেশের অভ্যন্তরের কোনও চক্রের সহায়তায় এ অর্থ পাচার হয়েছে।

 

ঘটনার পর একই বছরের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে করা ওই মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।

 

মামলাটির তদন্তভার পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সংস্থাটি এখনও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

 

চুরি হওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশিরভাগ অর্থ ফিলিপিন্সের তিনটি ক্যাসিনোতে স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তরিত হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশকে ফেরত দেয় ফিলিপিন্স সরকার। তবে এখনও বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কোনও হদিস মেলেনি।

 

রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর ২০১৯ সালে অর্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে আরসিবিসির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের এপ্রিলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। রায়ে বলা হয়, ওই মামলার বিচার করার পর্যাপ্ত এখতিয়ার আদালতের নেই।
 

Logo
Logo





Logo

আরো পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭