প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
প্রকাশিত: ২০২৬-১০-২১ ১৬:৫৮:০৬
নিজস্ব প্রতিনিধি:
পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা বিভাগের মান্যবর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এবং টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জনাব আবু সাঈদ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তাঁরা টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে পূজার সার্বিক পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনের শুরুতে অতিথিরা শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়া পূজামণ্ডপে যান। সেখানে পূজার সার্বিক আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনের পর সনাতন ধর্মাবলম্বী সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তাঁরা।
মতবিনিময়কালে পূজার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
পরে অতিথিরা টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহ্যবাহী ছোট কালীবাড়ি ও বড় কালীবাড়িসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা মণ্ডপের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, পূজার পরিবেশ এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে তথ্য নেন।
পরিদর্শনের ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা সাদ'ত বাজার দুর্গাপূজা মণ্ডপ এবং মির্জাপুরের সাহাপাড়া দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি মন্দির কর্তৃপক্ষ ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পূজামণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এ সময় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন তৎপরতায় পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।