প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রকাশিত: ২০২৬-০৭-২১ ১৬:০১:০৭
এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
মেধা, সততা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের একজন দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমীন নেলী। কর্মজীবনের প্রতিটি পর্যায়ে দক্ষতা ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখে বর্তমানে তিনি রাজশাহী রেঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
নাটোরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বও দক্ষতার সঙ্গে সামলাচ্ছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের পর থেকেই মাহমুদা শারমীন নেলী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কর্মদক্ষতা, পেশাগত সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলি তাকে সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রশংসিত করেছে।
রাজশাহী রেঞ্জে যোগদানের আগে নাটোর জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, জনবান্ধব পুলিশিং এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার দায়িত্বকালীন সময়ে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন তিনি।
এর আগে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহমুদা শারমীন নেলী। সেখানে মাঠপর্যায়ে অসাধারণ কর্মদক্ষতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেরা সার্কেল অফিসার’ সম্মাননা অর্জন করেন।
২০২২ সালে তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর থেকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপারেশনাল কার্যক্রমে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সহকর্মীরা জানান, দায়িত্ব পালনে তিনি সবসময় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বর্তমানে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন এই কর্মকর্তা। তার কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্ব বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও জনমুখী সেবার একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।