প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


জেলা খবর

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ২০২৬-০৬-০২ ১৭:২০:৪৩

News Image

উবাঈদুল হুসাইন আল্ সামি, যশোর প্রতিনিধি: 
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর স্থিতিশীলতা রক্ষা, আর্থিক অনিয়মের তদন্ত এবং পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে যশোরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির সাধারণ গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

আজ মঙ্গলবার (২ জুন, ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টায় যশোর শহরের আরএন রোডের ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্যাংকের কর্মকর্তা, গ্রাহক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে “ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও তার দোসরদের পুনর্বাসন বন্ধ করতে হবে”, “আর্থিক প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ মানি না, মানব না” এবং “পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে হবে” সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায় এবং তারা নানা স্লোগান দেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি অশুভ চক্র দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে গ্রাস করার লক্ষ্যে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকটির প্রায় তিন কোটি গ্রাহকের মনে তীব্র উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের স্বার্থেই এই বৃহৎ ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।

 

কর্মসূচি থেকে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গত এক দশকে দেওয়া বড় ঋণ বিতরণ, মালিকানা পরিবর্তন ও বিতর্কিত আর্থিক সিদ্ধান্তের ওপর আন্তর্জাতিক মানের নিরপেক্ষ ফরেনসিক অডিট পরিচালনা করা; জনগণের আমানতের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; আর্থিক অনিয়মের স্বচ্ছ তদন্ত করে শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাবমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

 

এছাড়া বক্তারা যোগ্য ও পেশাদার নেতৃত্ব নিশ্চিত করা, বড় গ্রাহক ও প্রবাসীদের সমন্বয়ে পরামর্শ ফোরাম গঠন, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকের শরিয়াহভিত্তিক আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান।

 

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি অশুভ চক্র দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে গ্রাস করার লক্ষ্যে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকটির প্রায় তিন কোটি গ্রাহকের মনে তীব্র উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের স্বার্থেই এই বৃহৎ ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।

 

কর্মসূচি থেকে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গত এক দশকে দেওয়া বড় ঋণ বিতরণ, মালিকানা পরিবর্তন ও বিতর্কিত আর্থিক সিদ্ধান্তের ওপর আন্তর্জাতিক মানের নিরপেক্ষ ফরেনসিক অডিট পরিচালনা করা; জনগণের আমানতের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; আর্থিক অনিয়মের স্বচ্ছ তদন্ত করে শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীগত প্রভাবমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

 

এছাড়া বক্তারা যোগ্য ও পেশাদার নেতৃত্ব নিশ্চিত করা, বড় গ্রাহক ও প্রবাসীদের সমন্বয়ে পরামর্শ ফোরাম গঠন, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকের শরিয়াহভিত্তিক আদর্শ পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান।