প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
প্রকাশিত: ২০২৬-০৫-২৪ ২৩:৩৩:৪৩
নিজস্ব প্রতিনিধি:
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অংশ ‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২’-এর এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত অংশে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
মহাসড়কের এই অংশে বর্তমানে যানবাহনসমূহ কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করছে।
এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর পর্যন্ত মহাসড়কের বর্তমান ট্রাফিক বিন্যাস এবং আসন্ন ঈদের প্রস্তুতি সম্পর্কে এক বিবৃতিতে সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বিগত বছরগুলোতে উত্তরবঙ্গগামী সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রায় এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশটি একটি অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে এবার ‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২’-এর আওতাধীন চলমান উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নির্মিত ২ লেনের সার্ভিস সড়ক এবং বিদ্যমান ২ লেনের মূল সড়কের সফল সমন্বয়। এর মাধ্যমে পুরো অংশে কার্যত ৪ লেনের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
ঈদযাত্রা নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে যমুনা সেতু এলাকায় সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও যুগ্মসচিব মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী।
আসন্ন ঈদের প্রস্তুতি বিষয়ে ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী বলেন, এলেঙ্গা বাজার ফ্লাইওভার এলাকায় উভয় পাশে ২ লেন করে সড়ক ৪ লেনে প্রশস্তকরণ করায় এবং পর্যাপ্ত বাস-বে নির্মাণের ফলে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে যে যানজটের সৃষ্টি হতো, তা এবার পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব হবে। একই সাথে রাতের বেলা চালকদের সুবিধার্থে আমরা রিফ্লেকটিভ স্টিকারসহ বাঁশের খুঁটি ও টেকসই কংক্রিট ডিভাইডারের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, এবারের ঈদে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশে যান চলাচল সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে আমাদের মাঠ পর্যায়ের টিম, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রকল্প প্রকৌশলীরা সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবেন। সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গণপরিবহনগুলো যেন যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করিয়ে যানজটের সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এলেঙ্গা বাজার এলাকায় উত্তরবঙ্গমুখী ও ঢাকামুখী উভয় লেনের জন্য পৃথকভাবে ২টি স্থায়ী বাস-বে নির্মাণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও নির্মাণাধীন উত্তরবঙ্গমুখী নতুন মূল ২ লেন সড়ক এবং সচলকৃত সার্ভিস সড়কের মধ্যবর্তী অংশে টেকসই কংক্রিটের সড়ক বিভাজক স্থাপন করা হয়েছে।
মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ও বাঁকযুক্ত অংশগুলোতে চালকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বাঁশের খুঁটির সাথে উচ্চ মানের রিফ্লেকটিভ স্টিকার যুক্ত করা হয়েছে, যা রাতে দূর থেকেও দৃশ্যমান হয়।